ছায়ার মতন রাইয়ের পিছনে পড়ে রয়েছে অনির্বাণ! এক বিরাট সম্মান পেতে চলেছে রাই!

বাংলা ধারাবাহিকের চ্যানেলগুলোর মধ্যে অন্যতম চ্যানেল জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে বেশিরভাগ দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। এই ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)। দর্শকদের কাছে এই ধারাবাহিকের সবথেকে প্রিয় চরিত্রটি হল নায়িকা রাই। নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, হাসপাতাল থেকে ফিরে নিজের বোনের কড়া শাসনের মধ্যে দিনযাপন করছে ধারাবাহিকের নায়িকা। বোনের সেবা যত্নের মাধ্যমেই একটু একটু করে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে সে। স্রোত যদি না থাকতো তাহলে হয়তো আজ রাইয়ের অবস্থা আরো বেশি খারাপ হয়ে যেত। অনির্বাণের সন্দেহ এবং চিকিৎসার অভাব রাইকে তিলে তিলে মেরে দিত। তবে স্রোত থাকতে সে তার দিদির কোন ক্ষতি হতে দেবে না। আদর্শ বোনের ভূমিকা পালন করেছে সে। এর মাঝেই নীলাঞ্জনা এসে নিজের দিদির কাছে অনুরোধ করে সে যেন শৌর্য্যকে আবার সবটা ঠিক করে নিতে বলে।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৯ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 19 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই নীলাঞ্জনার কথা ভেবে শৌর্য্যকে বাড়িতে ডেকে সবটা বুঝিয়ে বলে। প্রথমদিকে কিছুতেই রাজি হতে চায় না শৌর্য্য। স্রোত বারবার বলে, রাইয়ের জোর করাটা ঠিক হচ্ছে না। কারণ, নীলাঞ্জনা যদি আবার খারাপ কিছু ঘটায় তাহলে তার দোষ এসে পড়বে রাইয়ের ঘাড়ে। কিন্তু তারপরেও নিজের বোনের মুখের দিকে চেয়ে সে শৌর্য্যকে বোঝায়। রাইয়ের এই অসুস্থ শরীরে করা একটা অনুরোধ ফেরাতে পারে না শৌর্য্য। সে কথা দেয় আরো একবার চেষ্টা করে দেখবে সংসার করার।
এরপর নিজের কথা মতন শৌর্য্য নীলাঞ্জনাকে আরও একটা সুযোগ দেয়। সে চেষ্টা করে তার সঙ্গে থাকার। মন থেকে মেনে নিতে না পারলেও, একসাথে একই ঘরে থাকা শুরু করে শৌর্য্য। নীলাঞ্জনাও চেষ্টা করে শৌর্য্যর মন জয় করার। এদিকে একটু একটু করে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায় রাই। আবার অফিস যাওয়া শুরু করে সে। প্রথম দিন স্রোত নিজে তাকে অফিসে পৌঁছে দিয়ে যায়। রাইয়ের মা রাইকে জানিয়ে দেয় প্রথম কিছুদিন তারা যেন ট্যাক্সি করে যায়। শরীরের ওপর কোনরকম ধকল যেন না নেয়।
আরও পড়ুনঃ মিহিকে নিয়ে আমেরিকা পারি দিল তার বাবা মা! মিহিকে হারিয়ে একি করল মধুবণী!
জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান পেল রাই
অফিসের গলিতে নেমে রাই বুঝতে পারে তাকে লুকিয়ে লুকিয়ে কেউ দেখছে। এরপর রাই মনে মনে বলে, সে খুব ভালো করেই জানে অনির্বাণ ছায়ার মতন তার আশেপাশেই রয়েছে। হাসপাতলে যাওয়া আসা থেকে শুরু করে অফিস আসা সব জায়গাতেই রয়েছে অনির্বাণ। সামনে না এলেও আড়ালে রয়েছে। আর এই আড়ালে থাকার জন্য অনির্বাণকে ধন্যবাদ জানায় রাই। অফিসে এসে সে জানতে পারে, এই বছর সেরা কর্মচারীর সম্মানের সম্মানিত হতে চলেছে রাই। এটা জানতে পেরে ভীষণ খুশি হয়ে যায় সে।

