নীলুর দাবি শুনে চমকে গেল রাই! চরম দোটানায় নায়িকা! জমে উঠল আজকের পর্ব

মানুষ বড়ই স্বার্থপর। স্বার্থ ছাড়া এক পাও নড়তে চায় না। নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে যতদূর যেতে হয় তারা যেতে রাজি থাকে। এইরকমই একজন চ’রম স্বার্থপর মানুষ হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন নীলাঞ্জনা। যে নিজের দিদিকে কেবল হিং’সে করে এসেছে। দিদির সব কিছু শেষ করে দিতেও পিছপা হবে না সে। ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রের দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতিকে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বর্তমানে এক জটিল অসুস্থতা থেকে একটু সুস্থ হয়ে নিজের বাড়িতে ফিরেছে ধারাবাহিকের নায়িকা। কিন্তু সেখানে তার শান্তি নেই। অনির্বাণ সেই দিনই চলে আসে তার বাড়িতে এবং দরজা বন্ধ করে দিয়ে রাইকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য জোর করতে থাকে। রাই ভালোভাবেই বুঝিয়ে বলে অনির্বাণকে। যদিও তার একটা কথাও বোধগম্য হয় না। তাই নিজেকে শুধরে নেওয়ার বদলে মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে মদ খেতে থাকে সে। মাতলামো করতে করতে নিজের ভুলের গল্প ফোন করে শোনাতে থাকে শৌর্য্যকে।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৭ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 17 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শৌর্য্য যখন বুঝতে পারে অনির্বাণ স্বাভাবিক অবস্থায় নেই আর সে এখন গাড়ি নিয়ে মাঝ রাস্তায় রয়েছে, তখন সে আর হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারেনা। বিরক্ত লাগলেও সে তার অনিদার বর্তমান লোকেশন নিয়ে চলে যায় তার কাছে। অনির্বাণ নিজের কথাবার্তার মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেয় যে সে ভীষণ রকমের একলা। তাকে উপদেশ দেওয়ার মতন বা সঠিক পথ দেখানোর মতন এই মুহূর্তে তার পাশে কেউ নেই। শৌর্য্য যদি তাকে সাহায্য না করে তাহলে অনির্বাণ হয়তো আরো বেশি একলা হয়ে যাবে।
শৌর্য্য অনির্বাণকে বলে, “এই অবস্থায় আমি তোকে কোনরকম সাহায্য করতে পারবো না আর সাহায্য করতে চাইও না। তুই আগে স্বাভাবিক। এখন তোকে আমি যাই বলি না কেন কিছু তোর মাথায় ঢুকবে না। আগে তোর মদের নেশা কাটুক। তারপর যদি তুই চাস বসে কথা বলতে তাহলে তখন কথা বলা যাবে।” অনির্বাণ বুঝতে পারে শৌর্য্য আর রাইয়ের কথা হুবহু মিলে যাচ্ছে। তারা দুজনেই বলছে অনির্বাণ বড্ড বেশি তাড়াহুড়ো করে ফেলছে।
আরও পড়ুন: মিহির পরিচয় গোপনে ব্যার্থ মধুবণী! সবার সামনে বেরিয়ে এলো অতীতের রহস্য!
রাইকে ফের বিপদে ফেলল নীলু
অন্যদিকে নীলাঞ্জনা স্রোতের বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে চলে আসে নিজের বাবার বাড়ি। সেখানে এসেই সে তাড়াতাড়ি করে নিজের দিদির কাছে চলে আসে। দিদির খোঁজখবর নেওয়ার বাহানায় আসলে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করাই ছিল তার একমাত্র প্রধান লক্ষ্য। রাই বলে, নীলাঞ্জনা যেন এই ভয়ংকর রকমের টাকাটা না চায়, সে যেন কোন ঝামেলা না করে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। রাই তার আবার বিয়ে দেবে। নীলাঞ্জনা তখন তার দিদিকে বলে, সে একটা ছেলের প্রেমে পড়েছে। রাই এসব শুনে অবাক হয়ে যায় আর উত্তেজিত হয়ে যায়। নীলাঞ্জনা ঘুরিয়ে পেচিয়ে কথা বলতে থাকে। কিছুতেই সোজা কথা সোজা ভাবে বলে না।

