এতো ভালোবেসেও রাইয়ের মাথায় হাত রাখার অধিকার নেই শৌর্য্যর!এদিকে অধিকার পেয়েও হেলায় হারাল অনির্বাণ!

জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা ( Mithijhora )। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে হাসপাতালে ভর্তি আছে রাই আর তার পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষ থেকে শুরু করে তার কাছের মানুষরা সবাই অপারেশন থিয়েটারের বাইরে অপেক্ষা করছে একটা ভালো খবরের জন্য। শৌর্য্যকে চূড়ান্ত অপমান করে সত্যি কথাটা জানতে পেরেছে অনির্বাণ আর যে মুহূর্তে জানতে পেরেছে যে রাই আসলে প্রেগন্যান্ট নয় তার ক্যান্সার হয়েছে সেই মুহূর্তে নিজের ভুল বুঝতে পেরে হাসপাতালে ছুটে আসে সে।

কিন্তু অনির্বাণ হাসপাতালে এলেও রাইয়ের বাড়ির কোন‌ও মানুষ তার সাথে ঠিক করে কথা বলে না। স্রোত তো একদম সোজাসুজি কড়া ভাবে কথা শুনিয়ে দেয় অনির্বাণকে। এমনকি হাসপাতালের বিলের টাকা দিতে এলেও স্রোত অনির্বাণকে একটা টাকাও দিতে দেয় না। স্রোতের বৌমণি আর সার্থক স্যারের বাবা টাকাটা দেন। স্রোত বলে চাকরি পেয়ে সে তার আঙ্কেলকে টাকাটা শোধ করে দেবে। অন্যদিকে অনির্বাণ শৌর্য্যকে বোঝাতে থাকে যে সে ভুল করেছে।

Mithijhora

অনির্বাণ যখন শৌর্য্যকে বলে, ভাই তুই একবার আমার হয়ে রাই কে বলবি ও যেন আমাকে ক্ষমা করে দেয় এবং নতুন করে আবার আমার সাথে সংসারটা করে। তখন শৌর্য্য বলে, নাহ। তোর বিষয়ে বলে কি করব ? তুই তো পরবর্তীকালে এটা নিয়েও সন্দেহ করবি যে কেন রাই আমার কথা শুনে তোকে ক্ষমা করল? তাহলে কি এখন‌ও রাই আমার প্রতি দুর্বল- এইসব নিয়ে আবার নতুন করে সন্দেহ করতে শুরু করবি। এরপর শৌর্য্য বলে, তুই নিজেকে ঠিক কর আগে।

শৌর্য্য অনির্বাণকে বোঝায় সে ঠিক কত বড় ভুল করেছে। শৌর্য্য বলে, তোর এই সন্দেহপ্রবণ মানসিকতা থেকে আগে তুই বেরিয়ে আয়, তোর মানসিক চিকিৎসার দরকার, নিজে সুস্থ হ। এক‌ইসাথে শৌর্য্য বলে, রাইয়ের মত মেয়েকে নিজের জীবনে পাওয়ার এই সুযোগ চাইলেই সবাই পায় না। অনির্বাণ যেন এই সুযোগটা পেয়েও হারিয়ে না ফেলে। – শৌর্য্যের বলা এই কথাটা থেকেই বোঝা যায়, অসম্ভব ভালোবেসেও রাই কে হারিয়ে ফেলার আক্ষেপ আজও রয়ে গেছে তার মধ্যে।

আরও পড়ুন: প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে! বিস্ফোরক দাবি অরিন্দমের প্রথম স্ত্রী তনুরুচির!

রাই শৌর্য্যের জীবনে এলে শৌর্য্যের জীবনটা অন্যরকম হতে পারত! কিন্তু রাই তাকে সেই সুযোগটাই দেয়নি। অন্যদিকে তার জীবনটা ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে আজ নীলুর জন্য। শৌর্য্য রাই অসুস্থ জেনে পুরো অপারেশন টাইমটা হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারের বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করলেও ভেতরে গিয়ে রাইয়ের সাথে দেখা করার অধিকারটুকু ও তার নেই। এতো ভালোবেসেও রাইয়ের মাথায় হাত রাখার অধিকার নেই শৌর্য্যর! এদিকে অধিকার পেয়েও হেলায় হারাল অনির্বাণ! শৌর্য্যর কন্ঠে ফুটে উঠলো রাইকে না পাওয়ার য’ন্ত্রণা!

Back to top button