মা মেয়ের জুটি করলো বাজিমাত! মিহির দুষ্টু বুদ্ধিতে নিমকি ঠাম কুপোকাত!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। প্রথম থেকেই ধারাবাহিকের প্রতিটি চরিত্র মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। পর্দায় মধুবনী ও মিহির ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করে রাতারাতি দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohona Maiti) এবং রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar)। সেই সঙ্গে ঋকের মতো চরিত্রে দর্শকদের নজর কেড়েছেন অভিনেতা সায়ন বসু।
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে এসেছে একের পর এক চমক। অবশেষে গার্ডের থেকে অজিতের ব্যাপারে জেনে পুলিশের সাহায্যে অজিতকে পাকড়াও করেছে মধুবনী। আর সেই সঙ্গেই বারবার তার মনে দানা বাঁধছে সন্দেহ। কে ওই রহস্যময়ী মহিলা? কে আগুন লাগাতে চেয়েছিল গোডাউনে? কি তার চান তিনি? এই সব প্রশ্নগুলোই ঘুরতে থাকে মধুবনীর মনে।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের রাজনীতির ৪ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 8 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে অজিতকে ধরার পর বাড়ি ফেরার পর গোডাউনের দিকে যায় মধুবনী। আর তখনই সে দেখতে পায় কমলিনী সেনগুপ্ত আর পুরোনো ম্যানেজারবাবুকে একসঙ্গে। দুজনকে একসঙ্গে দেখেই মনে সন্দেহ জাগে মধুবনীর। কিন্তু মধুবনীর কিছু বলার আগেই কমলিনী সেনগুপ্ত বলেন ম্যানেজার বাবুর তার রাস্তা আটকে তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন।
মধুবনীকে দেখে নাটক শুরু করেন ম্যানেজারবাবুও। মধুবনীর সামনে হাত জোর করে তিনি বলেন ঋককে বলে ফের যেন তাকে কাজে নিয়ে নেওয়া হয়। যদিও ম্যানেজার বাবুর কথাকে বিশেষ পাত্তা দেয়নি মধুবনী। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ম্যানেজার বাবুকে শাসিয়ে মধুবনীর হাত ধরে চলে যান কমলিনী। যদিও কমলিনীর কথা একেবারেই বিশ্বাস করেননি মধুবনী। এরপরই বাড়িতে গিয়ে পুলিশ অফিসারকে ফোন করে মধুবনী। তিনি জানান এখনও অজিত মুখ খোলেনি। পরেরদিন সকাল হতেই স্নান সেরে জন্মাষ্টমীর জন্য ফুল তুলে আনে মধুবনী। দাদু তাকে জানায় অফিসে যেতে হবে এদিকে ঠাম্মি বলেন পুজোর দিন বাইরে যাওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন: এতদিনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিল রাই! অনির্বাণকে চিরকালের মতন মন থেকে মুছে ফেলল সে!
নাচ করে নিমকি ঠামের মন জয় করল মিহি
তখন মধুবনী বলে সে সকালে উঠে অফিসের সব কাজ শেষ করে নিয়েছে। মধুবনীর কথা শুনে ভীষণ খুশি হন দাদু ঠাম্মি। তারপরই মধুবনীকে তালের লুচি, তাল ক্ষীর বানাতে বলেন ঠাম্মি। কিন্তু তার আগেই সবটা হাজির করেন কাকিমা। যা দেখে চমকে যায় সবাই। কিন্তু দোকানের বিল আর তাল দেখে নেয় মধুবনী। সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলে ছোট কাকীকে। এদিকে ছোট কাকাকে ঘরে গিয়ে ধমকি দিয়ে আসে কমলিনী। আর সন্ধ্যে হতেই শুরু হয় পুজো। কৃষ্ণ ঠাকুর সেজে নাচ করে মিহি। যা দেখে খুব খুশি হন সুরমা। এরপরই মধুবনীর বানানো তাল ক্ষীর, তালের বড়া খেয়ে প্রশংসা করে সকলে। আর সেই কারণেই নিজের মুখে সব সত্যি বলে দেন ছোট কাকি। অবশেষে কি মুখ খুলবে অজিত? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

