স্টকে রাখা সমস্ত রক্ত নষ্ট করে দিল ময়ূরী! শয্যাশায়ী মেঘের থেকে আবার রক্ত চাইবে অনিন্দ্য মধুমিতা!

একেবারে শেষ না হয়ে যাওয়া অবধি মেঘকে শান্তি দেবে না ময়ূরী। শুরু থেকেই এক ত্রিকণ প্রেমের কাহিনী সম্প্রচার করছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। দুই বোনের মাঝে যে স্নেহের সম্পর্ক যে ভালোবাসার সম্পর্ক মানুষ কল্পনা করে তার কোনটাই নেই এই ধারাবাহিকের দুই বোনের মধ্যে। ছোট বোন অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা মেয়ের তার দিদিকে ভালবাসলেও তার দিদি অর্থাৎ ধারাবাহিকের খলনায়িকা তার বোনকে সর্বদা হিংসা করে এসেছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নিজের বৌভাতে দিদিকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছে মেঘ। সে তার দিদির সমস্ত প্ল্যান আগের থেকেই বুঝে গিয়ে আগাম রক্ত দিয়ে এসেছে যাতে এর পরে এই রক্ত দেওয়ার বাহানায় ময়ূরী যেন তাকে না ডেকে আনতে পারে। কিন্তু তাতেও বিশেষ লাভ হলো না। নিজেই প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়ল মেঘ।

বৌভাতের অনুষ্ঠানে এসেছিল মেঘের গুরুজি অর্থাৎ জয়ন্ত বোস। সবাই মিলে গান-বাজনা করেছে। গোটা বাড়িটা আনন্দে ভরে উঠেছিল। উপস্থিত ছিল অনিন্দ্য মধুমিতা। কিন্তু এই আনন্দ এই খুশি খুব বেশিক্ষণ মেঘের জীবনে স্থায়ী হলো না। অনেক মনের জোর নিয়ে অসুস্থতা সত্ত্বেও স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছিল সে। সুস্থ থাকার ভালো থাকার নাটক করে চলেছিল মেঘ। কারণ সে কোনভাবেই চায়নি তার জন্য নীলের দিনটা খারাপ হয়ে যাক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর নিজের হুশ সামলে রাখতে পারল না মেঘ।

গান গাইতে গাইতে হঠাৎ করেই মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেঘ। তার অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে যায়। মেঘকে এমন অবস্থায় দেখে নীল ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। তার কাছে আজকের এই দিনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে মেঘের এমন অসুস্থতা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা নীল। মীনাক্ষী মধুমিতা দুজনেই চায় একটু সুস্থ হলেই মেঘকে নিয়ে যেন নীল অনেক দূরে চলে যায়। এমন কোথাও চলে যায় যেখানে আর ময়ূরীর ছায়াও পরবে না তাদের জীবনে।

আরো পড়ুন: “লাঠিসোঁটা নিয়ে তেড়ে এসেছিল….” ভয়ঙ্কর দিনের কথা বললেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী!

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, হাসপাতালের বেডে শুয়ে রয়েছে মেঘ আর পাশে বসে রয়েছে নীল। নীল মেঘকে জিজ্ঞাসা করে, সে যার জন্য কাঁদছে সে কি তাকে ভালোবাসে? মেঘ বলে, কেনো বাসেনা মনে হয়? তখন নীল মেয়েকে বলে কখনো সে এমন কথা বলতে শোনেনি। মেঘ জিজ্ঞাসা করে সে কি শুনতে চায়? নীল বলে, সে চিরকাল শুনতে চায়। এরপর অনিন্দ্যকে ফোন করে পুলিশ অফিসার আর বলে, চকে যতটা রক্ত ছিল সব হঠাৎ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই কথা শুনে চিন্তায় পড়ে যায় অনিন্দ্য।

Back to top button