মেঘ হাসপাতালে আসতেই নাটক শুরু ময়ূরীর! আর কোনো ফাঁক না রেখে এবার মেঘকে শেষ করবেই সে!

এত কিছু ঘটে যাওয়ার পরেও, নিজের সমস্ত মান সম্মান মাটিতে মিশিয়ে যাওয়ার পরেও এতটুকুনিও পরিবর্তন আসেনি জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের খলনায়িকা ময়ূরীর মধ্যে। বর্তমানে জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে এই মেগা। টিআরপিতে সেভাবে কোনদিন ওই রাজ করতে পারেনি ইচ্ছে পুতুল তবে দর্শকদের মন জুড়ে সদা বিরাজমান মেঘ নীল।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ময়ূরী অর্থাৎ ধারাবাহিকের হলো নায়িকা সে করে জেলের কয়েদিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এরপর জেলের এক কয়েদি মোহিনী তাকে এমন মারধর করে যে তার আর উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকে না। যেহেতু ময়ূরী আগের থেকেই অনেকটা অসুস্থ তাই পুলিশরা আর রিস্ক না নিয়ে তাকে তাড়াতাড়ি হসপিটালে ভর্তি করে দেয়। কিভাবে এসব ঘটলো সবটা শুনে অনিন্দ্য বুঝতে পারে এই সব কিছুই ময়ূরীর কুপরিকল্পনা। এসবের মধ্যে দিয়ে মেঘের দিনটা নষ্ট করতে চেয়েছে সে। এরপর হঠাৎ করেই মধুমিতা কে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। মধুমিতার জন্য চিন্তা হতে থাকে অনিন্দ্যর।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মেঘ ডক্টরের সাথে কথা বলে ঠিক করে সে এখনই হসপিটালে যাবে এবং তার দিদিকে দেখবে। কিন্তু বাড়ির প্রত্যেকে তাকে বারবার বারণ করতে থাকে। কিছুক্ষণ পরই তাদের বাড়িতে গেস্ট চলে আসবে, এখন মেঘকে অত্যন্ত প্রয়োজন। এসব শুনে মেঘ বলে তাদের যদি কোন আত্মীয় বা কাছের মানুষের সঙ্গে এরকম কিছু ঘটতো তাহলে কি তারা যেত না? নীল মীনাক্ষী গিনি কাকাই প্রত্যেকে মেঘকে বলতে থাকে, সে যদি যায় তাহলে কিছুক্ষণ পরে যাক এই মুহূর্তে যেন না যায়। কিন্তু মেয়ে কোন কথাই শুনতে চায় না তখন নীল বলে এইসব কিছুই ময়ূরীর একটা প্ল্যান। অনেক বার বলার পর মেঘ বলে সে এই মুহূর্তে যাচ্ছে না কিন্তু সে একবার হসপিটালে ফোন করে দিদির খবর নেবে। এটা শুনে একটু স্বস্তি পায় মেঘের শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় মেঘের মা মধুমিতা। তাকে এভাবে আস্তে দেখে বেশ ভয় পেয়ে যায় মেঘ। মধুমিতা এসে বলে, ময়ূরী হয়তো তার সঙ্গে অনেক খারাপ কাজ করেছে তবে এই মুহূর্তে ময়ূরীকে সুস্থ করে তুলতে মেঘের প্রয়োজনীয়তা সব থেকে বেশি। মেঘ কি একবারের জন্যও যাবে না তার দিদির কাছে? মধুমিতার কথা শুনে মেঘ বলে সে অবশ্যই যাবে আর এইবার তাকে কেউ আটকাতে পারবেনা। তবে মেঘকে একা ছাড়তে রাজি হয়নি নীল তাই মেঘের সাথে নীল এবং কাকাই দুজনেই যায় হসপিটালে।

আরো পড়ুন: রাণী লা জবাব! চলন্ত ট্রেনে বাচ্চা ডেলিভারি করল প্রেগনেন্ট রাণী! ডাক্তার হবার আগেই ‘হাতেখড়ি’ নায়িকার

থেকে ময়ূরী এখন অনেকটাই ঠিকঠাক অবস্থায় রয়েছে। মনে মনে ভাবতে থাকে যদি এত তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায় তাহলে আবার জেলে ফিরে যেতে হবে, আর মেঘ এখানে আসবে না তাই আবার শ্বাসকষ্টের নাটক করতে থাকে সে। ততক্ষণে সেখানে এসে উপস্থিত হয়েছে মেঘ মধুমিতা নীল আর কাকাই। অনিন্দ্য প্রচন্ড রেগে যায় মধুমিতার ওপর সে কেন মেঘকে এনেছে! মেঘের ওপরেও রাগারাগি করে সে। নীল তখন বলে মেঘ রাজি হয়েছিল থেকে যাওয়ার জন্য কিন্তু আন্টি আসার পর মেঘকে আর আটকে রাখা যায়নি। ডাক্তার যখন জানতে পারে মেঘ এসেছে তখন তাকে একবার তার দিদির সাথে কথা বলতে বলে কারণ তার দিদি অনেকবার তার নাম নিয়েছে। এতে অনুমতি দিতে চায়না নীল কিন্তু মেঘ বলে সে যখন এত দূর চলে এসেছে তখন একবার দেখা করেই যাবে।

Back to top button