পিকলুর হাত ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলো বর্ষা! পর্ণাকে সবার সামনে চড় মারলো কৃষ্ণা!

দুর্নীতিতে ভরে উঠেছে আজকের সমাজ। সবাই শুরু নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যস্ত থাকে। তবে কিছু মানুষ আছে যারা সর্বদা সৎ থাকতে পছন্দ করে। আর সেটা করতে গিয়েই এবার ভয়ংকর পরিণতির শিকার হতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়কের বাবা। তবে এখানেও রয়েছে টুইস্ট। প্রতি বারের মতন এবারেও নিজের খেল দেখাবে নায়িকা পর্ণা। আবার উত্তেজনায় ভরে উঠতে চলেছে ভক্তদের ড্রয়িং রুম।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণাকে তার শাশুড়ি মা কৃষ্ণা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তার মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে যেনো সে একদম মাথা না গলায়। সে চায় না পর্ণার বংশের কেউ তার বাড়ির জামাই হোক। সে যেখানে ঠিক করেছে বর্ষাকে সেখানেই বিয়ে করতে হবে। এসব শুনে ভীষন বিরক্ত হয় পর্ণা। সে বুঝে উঠতে পারে না, একজন মা কিভাবে নিজের সন্টার সুখের পথে বাধা দিতে পারে? বর্ষা যাতে নিজের ভালোবাসার মানুষের সাথেই সারাজীবন থাকতে পারে এবার তারই ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা সৃজনের মাকে বলে, “এই অন্যায়টা কিন্তু আমি মেনে নেবো না মা। এসব বলে আপনি আমার তার কেটে দিয়েছেন। এবার আমি বর্ষা আর পিকলুর বিয়েটা দিয়েই ছাড়বো। দেখি আপনি কীকরে আমায় আটকান।” এসব শুনে মারাত্মক রেগে যায় কৃষ্ণা। সে সবার সামনেই পর্ণাকে চড় মারতে যায়। সৃজন এসে তার মাকে আটকায়। রেগে অন্ধ হয়ে সে হয়তো ভুলেই গেছে পর্ণার শরীরে বেড়ে উঠছে তার বংশধর। এই ঘটনায় সবাই তাৎক্ষণিক ভাবে খুব ভয় পেয়ে যায়।

অন্যদিকে, অফিসের একটা কাজ নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছে সৃজনের বাবা। সে রাঘব নামের এক ব্যক্তির লোন নেওয়া আটকাতে চায় কারণ সেই ব্যাক্তি অনেক জায়গা থেকেই লোন নিয়েছে কিন্তু কিছুই শোধ করেনি। তাই এতে ব্যাংকের ক্ষতি হতে পারে। এই গোটা বিষয়টা খুলে বলার পরেও ম্যানেজার কোনো পদক্ষেপ নেয় না কারণ সে নিজেই ওই রাঘবের থেকে অনেক ঘুষ খেয়ে বসে আছে। উল্টে সে সৃজনের বাবাকে কম্পিউটার খুলে রেখে যেতে বলে যাতে সে নিজেই লোন এর দরখাস্ত গ্রহণ করতে পারে। ঠিক তখনই সেই অফিসে আসে পর্ণা আর সৃজন কারণ বর্ষার বিয়ের ব্যাপারটা সৃজনের বাবাকে জানানোর প্রয়োজন ছিলো।

আরো পড়ুন: আসছে অষ্টমী, প্রকাশ পেলো প্রথম প্রোমো, কোন স্লটে আসছে এই মেগা? শেষ হচ্ছে কোন ধারাবাহিক জেনে নিন

অফিসে গিয়ে সৃজনের বাবার মুখে এই লোন সংক্রান্ত বিষয়গুলি শুনে পর্ণা তৎক্ষণাৎ কম্পিউটার বন্ধ করে তারপর বেরোনোর কথা বলে তার শশুর মশাইকে। তিনিও সেটাই করেন। এরপর বর্ষার বিয়ের বিষয় সব শুনে সৃজনের বাবা বলে, “আমি তোমাদের পাশে আছি। বর্ষা যা চায় তাই হবে। ও যদি সত্যি পিকলুকে ভালোবাসে তাহলে ওদের বিয়ে হবে। আমি তার আগে সবটা বর্ষার মুখ থেকে জানতে চাই।” বাড়ি ফিরে সৃজনের বাবা কৃষ্ণাকে বলে, বর্ষার অমতে ওর বিয়ে হবে না। এসব শুনে অবাক হয়ে যায় কৃষ্ণা। এদিকে বর্ষা পিকলুকে বলে, “চল আমরা পালিয়ে যাই।” এটা শুনে পিক্তু বলে, কোন পরিচয়ে থাকবে তারা?

Back to top button