অবশেষে ধরা পড়ল কমলিনী সেনগুপ্ত, ফাঁস হল সব কুকীর্তি!

আজ রবিবারই শেষ হয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিক ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke prothom kache esechi)। মাত্র কয়েক মাস হয়েছে ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছিল। তবে টিআরপি রেটিং এ পিছিয়ে পড়ার কারণেই ধারাবাহিকটি শেষ হতে চলেছে। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং সায়ন বসুকে (Sayan Bose)। প্রথমবার জুটি বেঁধে ধারাবাহিকে কাজ করলেও জনপ্রিয়তা পায়নি তাদের ধারাবাহিক।

বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে কিভাবে মধুবণী একের পর এক সব সত্যি ফাঁস করছে ঋকদেবের মামণির। কমলিনী সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে একের পর এক প্রমাণ জোগাড় করে তার আসল চেহারা সকলের সামনে তুলে ধরছে মধুবণী। মিহির কাছে মধুবণী জানতে পেরেছে মিহির কিডন্যাপিং এর পেছনে রয়েছেন কমলিনী সেনগুপ্ত। এমনকি বাড়ির সকলকেই জানিয়েছে ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার পেছনে আসলে রয়েছে কমলিনী। অন্যদিকে ঋকদেবের কাকাকে ভয় দেখিয়ে তার থেকে আদায় করে নিয়েছে দু লক্ষ টাকা।

Bengali serial

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২২ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 22 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে ঋকদেবের কাকা যখন লুকিয়ে কমলিনী সেনগুপ্তকে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে ফিরছিলেন তখনই সামনাসামনি চলে আসে মধুবণী। মধুবণী তখন তাকে প্রশ্ন করে এভাবে গা ঢাকা দিয়ে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন। ঋকদেবের কাকা প্রথমে স্বীকার করতে না চাইলেও মধুবণী ঠিক ধরে ফেলেন কাকা গিয়েছিলেন কমলিনীর কাছে। এরপর মধুবণী ভরসা দিলে তিনি জানান কিভাবে ঋকদেবের মা বাবার মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে কমলিনী সেনগুপ্ত তাকে বছরের পর বছর ধরে ব্ল্যাকমেল করে চলেছে। কিন্তু আসলে তিনি সেদিন কিছুই করেননি। মধুবণী ঋকদেবের কাকার কথায় বিশ্বাস করে।

এরপরে মধুবণী ঋকদেবের কাকাকে বলে কমলিনী সেনগুপ্তকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে তার সাহায্য চাই। মধুবণীর কোথায় ভরসা পেয়ে রাজি হয়ে যায় কাকা। এরপরে পুলিশ নিয়ে তারা হাজির হয় দীপকের বাড়িতে, যেখানে কমলিনী সেনগুপ্ত গা ঢাকা দিয়েছে। সেখানে গেলে তারা খুঁজে পায় না কমলিনীকে। এরপরে হাসপাতাল থেকে ফোন আসে ফ্যাক্টরির গাইড অজিত সুস্থ হয়ে উঠেছে, তার জ্ঞান ফিরেছে। এই খবর পেয়েই মধুবণী এবং কাকা মিলে চলে যায় হাসপাতালে অজিতের সঙ্গে কথা বলতে। অজিতের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারে ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগানোর পেছনে কমলিনীর হাত রয়েছে। এমনকি ঋকদেবের মা-বাবা মারা যাবার পেছনেও কমলিনীর হাতে রয়েছে। অজিত সেটা দেখে ফেলায় তার মুখ বন্ধ রাখার জন্য তাকে প্রাণের ভয় দেখানো হয়েছিল। তারপর থেকে অজিত কমলিনীর হয়ে কাজ করে।

আরও পড়ুনঃ টলিউডে ফের যৌন নির্যাতন! আত্মহত্যার চেষ্টা শিল্পীর, শুরু কট্টর প্রতিবাদ, স্তব্ধ হবে কী টলিপাড়া?

অন্যদিকে কমলিনী সেনগুপ্ত ঋকদেব এবং মধুবণীকে মারার জন্য ছদ্মবেশে ঋকদেবের গাড়ির ব্রেক ফেল করিয়ে দেয়। ভাগ্যের পরিহাসে ওই দিন কুশল ঋকদেবকে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যায় এবং হাসপাতালে যেতে যেতে মাঝে রাস্তায় সে বুঝতে পারে গাড়ির ব্রেক কাজ করছে না। কুশল ঋকদেবকে বাঁচানোর জন্য তাকে গাড়ি থেকে ঠেলে ফেলে দেয় এবং গাড়ির ব্রেক ফেল হওয়ায় মৃত্যু হয় কুশলের। এই কুশল হলো আসলে কমলিনী সেনগুপ্ত এবং দীপকের সন্তান। আগে দিনই দীপক সে কথা জানতে পেরেছিল।

এইদিকে কুশলের মৃত্যুর পর দীপক এসে কমলিনীকে জানায় সে নিজের হাতে তার সন্তানকে খুন করেছে। এরপর পুলিশ নিয়ে হাজির হয় ঋকদেব মধুবনী। পুলিশের কাছে সব অভিযোগ করে তারা। পুলিশ অবশেষে গ্রেপ্তার করে কমলিনীকে। এরপর দেখা যায় ঋকদেব মধুবণী মিহিকে নিয়ে বিদেশে যাওয়ার জন্য রওনা দেয়, মিহির ভালো চিকিৎসার জন্য।

Back to top button