প্রকাশ্যে এল মিহির পিতৃপরিচয়! এবার কি নষ্ট হয়ে যাবে ঋক মিহির সম্পর্ক?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। শুরু থেকেই ধারাবাহিকের অন্যরকমের গল্প দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সকলের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে অভিনেতা সায়ন বসু (Sayan Bose) এবং মোহনা মাইতির (Mohona Maiti) জুটি। তবে ধারাবাহিকের যে চরিত্রটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে সে হল ছোট্ট মিহি অর্থাৎ রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar)।

বর্তমানে ধারাবাহিকটি জমে উঠেছে মিহির কারণে। পাশাপাশি ধারাবাহিকে আসছে একের পর এক নতুন নতুন চমক। তবে সৌভিক আসার সময় পর থেকেই যেন বদলে গিয়েছে মধুবনীর জীবন। মিহি আর ঋকে নিয়ে যে সুখের সংসার শুরু করার স্বপ্ন দেখেছিল মধুবনী। সেই সংসার ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটছে তার। ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে শুরু হয়েছে রাখী উৎসব।

জি বাংলা, বাংলা ধারাবাহিক, বাংলা টেলিভিশন, কে প্রথম কাছে এসেছি, কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব, কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২১ আগষ্ট, মোহনা মাইতি, সায়ন বসু, রাধিকা কর্মকার, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, ke prothom kache esechi, ke prothom kache esechi today episode, ke prothom kache esechi today episode 21 August, Mohona Maiti, sayan Bose, Radhika karmakar

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২২ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 22 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে মধুবনীর কথায় রুমিকে টাকা না দিয়ে বই উপকার দিয়েছিল ঋক। কিন্তু সেই বই ছিঁ’ড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলে রুমি। আর তখনই ঘরে চলে আসে মিহি। সে রুমিকে বলে বই না ছিঁ’ড়তে। কিন্তু রেগে গিয়ে মিহিকেই ধা’ক্কা দিয়ে দেয় রুমি। কিন্তু যথাসময়ে সেখানে চলে আসে মধুবনী। সপা’টে এক চ’ড় মা’রে রুমিকে। যা দেখেই চমকে যায় রুমিও। তবে তাতেও শিক্ষা হয়নি তার। চিৎকার করে বাবাকে ডেকে নিয়ে আসে সে।

আরো পড়ুন: টিআরপিতে বিরাট চমক! আগেভাগেই জেনে নিন কি চমক থাকছে টিআরপি তালিকায়!

মধুবনীর মুখে সবটা শুনে তিনি বলেন মধুবনী দোষ করেছে। এরপরই বাইরে থেকে একটি চা’বুক নিয়ে আসেন তিনি। আর সেই চাবুক তিনি তুলে দেন মধুবনীর হাতে। মধুবনী চাবুকটি দিয়ে তিনি বলেন ছোটবেলা থেকে যদি রুমিকে শাসন করা হত তাহলে আজ সে এরকম হত না। তাই আজ থেকে রুমির সব দায়িত্ব মধুবনীর। ছোট কাকার কথা শুনেই মুচকি হেসে চাবুকটা নিয়ে চলে যায় মধুবনী। এরপরই ঠাম্মির থেকে অনুমতি নিয়ে সকলের জন্য রান্না করতে চলে যায় সে।নিজের হাতে সকলের জন্য রান্না করে মধুবনী। সঙ্গে বানায় লাউয়ের খোসা ভাজা। কিন্তু কারুর পাতে দেওয়ার আগেই তাকে বাধা দেন ঠাম্মি।

কে মিহির বাবা, জেনে গেল কমলিনী

ঠাম্মি জানান এইসব খোসার রান্না সেনগুপ্ত বাড়িতে হয়নি। যদিও ঠাম্মির কথার প্রতিবাদ করে ঋক কিন্তু তাকে থামিয়ে দেয় মধুবনী। কিন্তু তখনই সে দেখে বাড়িতে এসেছে সৌভিকের বোন। যাকে দেখেই চমকে ওঠে মধুবনী। তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় বাড়ি থেকে চলে যেতে। কিন্তু মধুবনী চলে যাওয়ার পরই সেখানে চলে আসে কমলিনী। সৌভিকের বোনের থেকে তিনি জানতে পারেন মধুবনী একসময় গায়েব হয়ে গিয়েছিল তবে শোনা যায় সেইসময় সে অন্তঃস’ত্ত্বা ছিল। তার মানে সৌভিকই মিহির বাবা। এই কথা বুঝতে পেরেই সৌভিকের নম্বর নিয়ে নেন কমলিনী। এদিকে নিজের গনুদাদাকে ভগবানের আসনে বসায় মিহি। যা দেখেই চমকে যান সুরমা। তাহলে কি আবার বাঁধবে বিরাট অশান্তি? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

Back to top button