মধুবণীর বুদ্ধিতে ভেস্তে গেল স্নেহার বিয়ে! মায়ের প্ল্যানে সামিল হয়ে ধামাকা করল মিহি!

জি বাংলা গত কয়েক মাসে বেশ কিছু নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম একটি হলো ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke prothom kache esechi)। ধারাবাহিক শুরুর সময় থেকে আস্তে আস্তে দর্শকের মনে জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। অন্যান্য ধারাবাহিকের থেকে এই ধারাবাহিকের গল্প বেশ কিছুটা আলাদা। একদম অন্যরকম গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রীর মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং অভিনেতা সায়ন বোস (Sayan Bose)।
ধারবাহিকে ঋকদেব এবং মধুবণীর সাথে ছোট্ট মিহির গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ধারাবাহিকে দেখা হয়েছে মধুবণী একজন সিঙ্গেল মাদার। তার সব সত্যি জানার পরও ঋকদেব তার পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়েই মধুবনী কে বিয়ে করে। স্বাভাবিক ছন্দেই এগোতে থাকে তাদের জীবন। ধীরে ধীরে নতুন পরিবারের সাথে মানিয়ে নিতে থাকে মধুবনী ও মিহি। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কিভাবে বাড়ির সকলের উৎসাহ পেয়ে আবারো নাচের জগতে ফিরে যায় মধুবণী। কিন্তু এরই মাঝে নিজের প্রিয় বন্ধু স্নেহার ফোন পেয়ে সবটা ঘেঁটে যায় তার। আসলে ঋকদেবের প্রিয় বন্ধু কৌশিকের সাথে মধুবণীর প্রিয় বন্ধু স্নেহার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্ক ভেঙে স্নেহা অন্য কাউকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১৩ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 13 September)
সম্প্রতি ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে মধুবণী স্নেহা কে বোঝানোর জন্য তার বাড়িয়ে পৌঁছায়। কিন্তু হাজার বোঝানোর পরও স্নেহা রাজি হয় না। মধুবণী স্নেহার ও কৌশিকের কাটানো সমস্ত ভালো মুহূর্ত গুলোর কথা মনে করতে থাকে। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়না। এরপর ঋকদেব পৌঁছায় কৌশিকের বাড়িতে। কৌশিকের কাছে সব সত্যিটা জানতে চায়। কৌশিকও কিছুই স্বীকার করতে চায় না। এরপর তারা প্ল্যান করে পৌঁছে যায় স্নেহার বাড়িতে।
ঋকদেব ও মধুবণীর পর স্নেহার বাড়িতে সাধু বাবার ছদ্মবেশে আসে কৌশিক। বাড়িতে সাধুবাবা এসেছে দেখে তার সেবা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে স্নেহার বাবা মা। অন্যদিকে কৌশিক কে এই বেশে চিনতেই পারে না স্নেহা।
আরও পড়ুনঃ টাকার গরমে টগবগ করে ফুটছে সোহিনী! মা ছেলের ন্যাকামির উচিৎ জবাব দিল রাই!
অন্যদিকে মধুবণী স্নেহের মা-বাবাকে বোঝাতে থাকে বাইরে থেকে সাধু বাবা এসেছে যখন তখন সাধু বাবার জন্য কিছু নিয়ে আসা উচিত। এই বলে স্নেহার মা বাবাকে সেখান থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেয় মধুবণী নিজের বুদ্ধির মাধ্যমে। এবারে সাধুবাবা স্নেহার হাত দেখে তার অতীত ভবিষ্যতের সব ঘটনা বলে দিতে থাকে। কৌশিকের হাতের স্পর্শ পেয়ে স্নেহার খুব চেনা লাগলেও সে কৌশিককে চিনতে পারে না। কিন্তু স্নেহা কি শেষ পর্যন্ত চিনতে পারবে কৌশিককে? এবারে দেখার অপেক্ষা শেষ পর্যন্ত স্নেহার বিয়ে কার সাথে হয়। ঋকদেব মধুবণী কি পারবে এই বিয়ে আটকাতে। কৌশিকের সাথেই কী শেষ পর্যন্ত বিয়ে হবে স্নেহার? নাকি দেখা যাবে কোন ভয়ংকর পরিণতি!

