নাচের তালে অতীতে ফিরে গেল মধুবনী! মায়ের অতীত গ্রাস করলো মিহির জীবন!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) মেগা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হল ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke Prothom Kache Esechi)। ধারাবাহিক শুরুর সময় থেকে একটু একটু করে দর্শকের মনে জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। টিআরপি তালিকাতে প্রথম দিকে জায়গা করতে না পারলেও আস্তে আস্তে ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকের দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র মধুবনী এবং ঋকদেবের ভূমিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং অভিনেতা সায়ন বোস (Sayan Bose)।
খুব অল্প সময়ের জন্য ধারাবাহিকটি শুরু হলেও ধারাবাহিকের ছোট্ট মিহির চরিত্র সকলের মন কেড়েছে। এত অল্প বয়সেই এত সাবলীল অভিনয় সত্যি নজর কেড়েছে দর্শকের। ধারাবাহিকে মিহির বাস্তবের নাম হল রাধিকা কর্মকার। ধারাবাহিকের প্রতিটি এপিসোডে যেভাবে সে নিজের ছোট্ট চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলছে তা সত্যি প্রশংসাযোগ্য।
ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিনই দর্শকদের জন্য নিত্য নতুন কোন না কোন চমক নিয়ে আসছে। যেমন কিছুদিন আগেই ধারাবাহিকে মিথ্যে অভিযোগে ঋকদেবের কাকিমাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেখান থেকে মধুবনী বুদ্ধি খাঁটিয়ে ছোট কাকিকে নির্দোষ প্রমাণ করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে। যদিও মূল ঘটনার পেছনে রয়েছেন কমলিনী অর্থাৎ ঋকদেবের আরেক মামনি। এরপর মধুবনীর থেকে প্রতিশোধ নিতে মিহিকে কিডন্যাপ করায় মামণি। সেখান থেকেও মিহিকে উদ্ধার করে আনে ঋকদেব এবং মধুবণী।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১২ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 12 September)
সম্প্রতি ধারাবাহিকের আজকের পর্বের এক ঝলক সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে রুমিকে নাচ শেখানোর জন্য বাড়িতে শিক্ষক আনা হয়েছে। কিন্তু সেখানে তার কাছে কিছুতেই না শিখতে পারছে না রুমি। তারপর সেখানে উপস্থিত সকলে মধুবনীকে অনুরোধ করতে থাকে রুমিকে নাচ শেখানোর জন্য কারণ অতীতে যে মধুবনী নাচ করতে ভীষণই ভালোবাসতো এবং দারুন নাচ করত তা প্রত্যেকেই জানে। এই কারণেই ঋকদেব, ঠাম্মি, ছোট কাকি, রুমি এমনকি কমলিনী সকলে মিলে মধুবনীকে রুমিকে নাচ শেখানোর জন্য জোর করতে থাকে।
প্রথমে মধুবনী সংকোচ বোধ করলেও সবার কথা রাখার জন্য রাজি হয়। আর পরের দিন সকালে ঋকদেব এবং মিহির ঘুম ভাঙ্গে মধুবনীর নাচের তালে। দীর্ঘদিন পরে নিজের পুরনো নাচের জীবনে ফিরে আসলেও এতটুকু নাচ ভোলেনি মধুবনী।রুমিকে নাচ শেখাতে গিয়ে সেও অসাধারণ পারফরম্যান্স করে, আর সকলেই মধুবনীর নাচ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নাচের পর মধুবনী সকলকে ধন্যবাদ জানাই এতটা সাহস এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য। মধুবনী নিজের পুরনো জীবনে ফিরে যখন খুশিতে মেতে ওঠে ঠিক তখনই আসে, মধুবনীর প্রিয় বন্ধু স্নেহার ফোন।
আরও পড়ুনঃ আবারো উল্টে যাবে টিআরপি তালিকা! স্লটহারা হবে এই জনপ্রিয় ধারাবাহিক !
স্নেহার ফোন পেয়ে মধুবনী খুশিতে লাফাতে থাকে, ঠিক তখনই স্নেহা জানায় সামনেই তার বিয়ে। একথা শুনে মধুবনী আরো আনন্দিত হয়ে ওঠে। কারন মধুবনী জানে ঋকদেবের প্রিয় বন্ধু কৌশিকের সঙ্গে স্নেহা সম্পর্কে ছিল সুতরাং তার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথাটাই স্বাভাবিক, কিন্তু স্নেহা জানায় সে ভুল ভাবছে। কৌশিকের সঙ্গে নয় বরং রাজেশ নামের কোন এক অজানা ব্যক্তির সঙ্গে স্নেহার বিয়ে ঠিক হয়েছে। এ কথা শুনে স্বাভাবিকভাবে অবাক হয়ে যায় মধুবনী। এই কথা শোনার পরেই মধুবনী পরের দিন পৌঁছে যায় স্নেহার বাড়িতে আসল ঘটনা জানতে। স্নেহা মধুবনীকে সব জানায় এবারে দেখার অপেক্ষা আদৌ স্নেহার সঙ্গে কার বিয়ে হয়। কী কারনে স্নেহা রাজেশকে বিয়ে করছে।

