কমলিনীর বিরুদ্ধে মিলল বিরাট প্রমাণ! নিজে বাঁচতে মিহির ঘাড়ে কোপ বসালো সে!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো কে প্রথম কাছে এসেছি(Ke Prothom ke esechhi)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে ফ্যাক্টরিতে আ’গুন লাগার ঘটনায় পুলিশ এসে অমৃতা সেনগুপ্তকে অ্যারেস্ট করলেও মধুবনী কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায় না ছোট কাকি দোষী, তার দৃঢ বিশ্বাস ছোট কাকিকে কেউ ফাঁ’সাচ্ছে। সেই কারণে মধুবনী ঋককে নিয়ে থানায় যায় এবং সেখানে গিয়ে জানতে পারে যে সিকিউরিটি গার্ড অজিতের কথায় বিশ্বাস করে অমৃতাকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে সে থানায় আ’ত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
কে প্রথম কাছে এসেছি ৭ সেপ্টেম্বরের পুরো পর্ব/ke prothom kache esechi 7 September full episode
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় মধুবনী বাড়িতে এসে ঋকের দাদু মানে পূর্ণেন্দু বাবুকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে ছোট কাকিমা নির্দোষ কিন্তু দাদু বা ঠাকুমা কেউই এটা মানতে চান না। এমনকি তারা কেউ অমৃতার জন্য উকিল পর্যন্ত ঠিক করতে চান না। এমনকি অমৃতার নিজের বর পর্যন্ত অমৃতাকে বিশ্বাস করে না, সেও চায় অমৃতা জেল খাটুক।

এইরকম পরিস্থিতিতে ঋক মানা করে দেয় মধুবনী যেন এই বিষয়ে ইনভল্ভ না হয়। মধুবনী বোঝানোর চেষ্টা করে যে পূর্ণেন্দু বাবুর কিন্তু একটা পুত্রবধূ নয়। পুলিশ কিন্তু এখানে এসে ছোট কাকির নামটা জানতে পেরেছিল, পূর্ণেন্দু বাবুর কিন্তু আরও একটা পুত্রবধূ আছে, এই ঘটনায় সরাসরি কমলিনীর দিকে সন্দেহের তীর যায় যেটা বুঝতে পেরে ঋক মধুবনীকে থামিয়ে দেয় আর মধুবনী সিদ্ধান্ত নেয় প্রমাণ ছাড়া সে কিছু বলবে না।
এরপর প্রমাণ খুঁজবার জন্য মধুবনী প্রথমে নিজেদের ফ্যাক্টরিতে যায়, সেখানে গিয়ে অজিতের নিজের হাতে লেখা ফাইল জোগাড় করে আনে। এরপর সেটা পুলিশকে দেয় এবং পুলিশকে বলে অজিতের সুই’সাইড নোটের সাথে এই লেখা মিলিয়ে দেখতে আমার বিশ্বাস হাতের লেখা মিলবে না এটা সুইসা’ইড নয়, হ’ত্যার চেষ্টা। অন্যদিকে কমলিনী ভয় পেয়ে গিয়ে তার শাশুড়িকে বলে মধুবনীকে আটকাতে যদি ওর কোন ক্ষতি হয়ে যায়!
এইসময় মধুবনীর শাশুড়ি ঠিক করে আগামী কাল মিহিকে নিয়ে আশ্রমে যাবে এটা শুনে কমলিনী ভাবতে থাকে কিভাবে মধুবনীকে জব্দ করবে মিহির মাধ্যমে! অন্যদিকে মধুবনী অজিতের বাড়ি যায় তার মেয়ের সাথে কথা বলে জানতে পারে, একজন ম্যাডাম নিজে গাড়ি চালিয়ে এসে অজিতকে হারটা দিয়েছিল তাও আবার রাত্রের বেলায়।
মধুবনী জানে হার চুরির সময় অমৃতা বাড়িতেই ছিল আর অমৃতা গাড়ি চালাতে পারে না এই কথাটা সে অমৃতার বরের থেকে জেনে নিশ্চিত হয়ে যায় এবং উকিলকে জানিয়ে দেয়- যেন তিনি এই ভিত্তিতেই কেসটা সাজান। কমলিনী সবটা শুনতে পেয়ে মধুবনীকে এসব করতে বারণ করে কিন্তু মধুবনী বলে তার বিশ্বাস তার ড্রায়ারে তৃতীয় সেই ব্যক্তির হাতের ছাপ আছে, যে হারটা চুরি করে সিকিউরিটি গার্ডকে দিয়েছিল। তাই সে ফরেনসিক টিমকে ডেকে পাঠায়।
আরও পড়ুন: এত বড় অন্যায়ের কোন ক্ষমা হয় না! নোংরামিকে ‘ভুল’ বলে চালানো বের করে দিল স্রোত!
অন্যদিকে বাড়ির সবাইকে নিজের পাওয়া যুক্তি প্রমাণ দিয়ে মধুবনী বোঝাতে চেষ্টা করে কাকিমনি নির্দেশ কমলিনী ভয় পেয়ে যায় এবং মধুবনীকে থামানোর জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে।

