এত বড় অন্যায়ের কোন ক্ষমা হয় না! নোংরামিকে ‘ভুল’ বলে চালানো বের করে দিল স্রোত!

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় চ্যানেল গুলির মধ্যে একটি হলো জি বাংলা (Zee Bangla)। এই চ্যানেলে যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং দর্শকদের কাছে সবচাইতে সুন্দর চরিত্রটি হচ্ছে নায়িকা রাই। এই চরিত্রে ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতিকে। বর্তমানে তার জীবনের উপর দিয়ে বয়ে চলেছে এক দারুন ঝড়।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। কিন্তু নিজের শরীরের দিকে চরম অবহেলা করে গিয়েছে সে। নিজের শরীরের একটুও যত্ন নেয়নি ধারাবাহিকের নায়িকা। তার ছোট বোন স্রোত তাকে এই নিয়ে অনেক কথাই শুনিয়েছে কিন্তু তারপরেও নিজের শরীরের চাইতে নিজের পরিবার নিজের আপনজন এইসব কিছুকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে রাই। আর সেই জন্যই আজ তার শরীরে এত বড় একটা অসুখ বাসা বাঁধতে পেরেছে। যদিও তার যে পরিমাণ অবনতি হয়েছে সেটার জন্য শুধুমাত্র এই অবহেলা দায়ী নয়।

Srot is preaised by netizen

শুরু থেকেই কখনো ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণ তার পাশে থাকেনি। কোনদিনও রাইকে সম্পূর্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে আপন করে নেয়নি। সব সময় তার মনের মধ্যে একটা সন্দেহ থেকেই গেছে। আর এই সন্দেহের গোড়ায় জল দিয়ে গেছে তার মা সোহিনী। শেষ পর্যন্ত অনির্বাণ নিজেকে সামলাতে পারেনি। তার অবিশ্বাসের ভূত মাথা চাড়া দিয়ে উঠতেই সে তার নিজের স্ত্রীকে মানসিকভাবে নি’র্যাতন করেছে। তাও দিনের পর দিন সেই নির্যাতন সহ্য করেছে ধারাবাহিকের নায়িকার রাই।

পরবর্তীতে সে সিদ্ধান্ত নেয় নিজেই ডাক্তার দেখাবে এবং নিজের সাথে ঠিক কি হয়ে চলেছে সেটা খুঁজে বের করবে। আর এই কাজে তাকে সাহায্য করে স্রোত। তার ছোট বোন যদি তার সঙ্গে না থাকতো তাহলে হয়তো এখনো রাই বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পেয়ে যেত। রাই অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে বারবার করে বলে যায় তার এই অবস্থা সম্পর্কে জানো অনির্বাণ কিছু না জানতে পারে। কিন্তু উত্তেজিত হয়ে অনির্বাণকে সবটাই জানিয়ে দেয় শৌর্য। তারপরে অনির্বাণ এবং তার মা বাবা ছুটে আসে হাসপাতালে।

আরও পড়ুনঃ ঝাড়গ্রাম থেকে স্টুডিওর গাছ তলায় অডিশনের অপেক্ষা! আরাত্রিকার নায়িকা হওয়ার লড়াই আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে !

মা ছেলেকে উচিত শিক্ষা দিল স্রোত

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অনির্বাণ এবং তার বাবা মা হাসপাতালে এসে সবার কাছ থেকে ক্ষমা চায়। অনির্বাণ এর বাবা খুব স্বাভাবিকভাবে করুন সুরে সবাইকে বলে, তারা একটা বড় ভুল করে ফেলেছে। সোহিনী মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। আসলে সেখানে এসেছে শুধুমাত্র নিজের ছেলের মান সম্মান বাঁচাতে। এই সমস্ত শুনে গা পিত্তি জ্ব’লে যায় স্রোতের। স্রোত তাদেকে জিজ্ঞেস করে, “আপনারা কি শুধু নিজের ছেলের জন্য লজ্জিত নাকি নিজের জন্যও?” অন্যদিকে, বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ডাক্তার বলে ওঠেনি, ওনাকে এখন অনেক সাবধানে রাখতে হবে। ২৪ ঘন্টা নজরদারির মধ্যে যেন উনি থাকেন।

Back to top button