কমলিনের নোংরামির শিকার অমৃতা! গর্ত থেকে সত্যিটা টেনে বের করতে মোক্ষম চাললো মধুবনী

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো কে প্রথম কাছে এসেছি (ke prothom kache esechi)। এই ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা যায় পুলিশ ঋকদেবের বাড়িতে এসেছে এবং অমৃতাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অমৃতা যে দোষী নয় এই কথাটা কমলিনী খুব ভালো করে জানে সেই কারণে সে আরও নিজের দোষ গুলোও অমৃতার উপর চাপিয়ে দেয়, অমৃতা সকলকে সব সত্যি বললেও কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।
Ke prothom kache eshechi 6 September full episode/কে প্রথম কাছে এসেছি ৬ ই সেপ্টেম্বর পুরো পর্ব-
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায় অমৃতা সকলকে বোঝাতে থাকে যে তার বুদ্ধির দৌড় কত দূর কিন্তু কেউ তাকে বিশ্বাস করে না। রুমি পুলিশকে তার মায়ের হয়ে কথা বলতে যায় কিন্তু কমলিনী তাকে থামিয়ে দেয়।ঠাম্মিও বলে যে অপরাধ করেছে তার শাস্তি পাওয়া দরকার। অন্যদিকে মধুবনী পুলিশকে জিজ্ঞেস করে অজিত দা যে সব কথা সত্যি বলছে তার কি গ্যারান্টি আছে? কিন্তু পুলিশ বলে, সেটা তদন্ত সাপেক্ষ বিষয় কিন্তু এখন অমৃতা দেবীকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে যেতে হবে।

এরপর অমৃতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ নিয়ে যায়, ঋক বিশ্বাস করতে পারে না,তার ছোট কাকিমা এত বড় একটা ষড়যন্ত্র করেছে কিন্তু মধুবনী পুরো বিশ্বাস করে যে ছোট কাকিমা নির্দোষ। সে ঋক কে বলে, ছোট কাকিমা পোলাও তে লঙ্কার গুঁড়ো বা ক্রিমের মধ্যে এলার্জির কেমিক্যাল মিশিয়ে দিতে পারে ওই অবধি, ফ্যাক্টরিতে আগুন যে লাগিয়েছে সে পাকা মাথার ক্রিমিনাল, এ কাজ ছোট কাকিমার পক্ষে করা সম্ভব নয়।
ঋক যখন জানতে পারে তার ছোট কাকিমা মধুবনীর সাথে কী কী করেছে? তখন সে বলে এত কিছুর পরে তুমি কি করে বিশ্বাস করছো কাকিমা নির্দোষ? কিন্তু মধুবনী বলে, আমার বিশ্বাস, কাকিমনি এত বড় ঘটনা ঘটান নি, আমি থানায় যাব। ঋক এই বিষয়টাতে দোলাচলে ভুগলেও মধুবনীকে বিশ্বাস করে সে থানায় যায় এবং কাকিমনির সাথে দেখা করে। কাকিমনি যখন জানতে পারে,আর কেউ না, মধুবনী তাকে নির্দোষ হিসেবে বিশ্বাস করে তখন সে কান্নায় ভেঙে পড়ে, নিজের করা ভুলের জন্য সে ক্ষমা চায়।
মধুবনী বলে, সে কাকিমণি কে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে। অন্যদিকে কমলিনী ম্যানেজারকে উকিল সাজিয়ে থানাতে পাঠায় অজিত সিকিউরিটি গার্ডকে মেরে ফেলার জন্য। ম্যানেজার বাবু উকিল সেজে থানায় যায় এবং একটা চকলেট খেতে দেয় অজিতকে। এরপর মধুবনী আর ঋক থানা থেকে বেরোনোর পর জানতে পারে যে অজিত কে বিষ দেওয়া হয়েছে। ঋক ভাবে, তাহলে কি এই সবটা কাকিমা করেছে!
আরও পড়ুন: অনির্বাণের নোংরামি সহ্য করতে না পেরে সত্যিটা জানিয়ে দিল শৌর্য! ধারাবাহিকে ধুন্দুমার পর্ব
কিন্তু মধুবনী বলে,অজিত মারা গেলে কাকিমণি ফেঁসে যাবেন তাই উনি এ কাজটা কখনই করবেন না। এই কাজটা সেই করেছে, যে চায় না তদন্ত এগোক। এরপর মধুবনী জানতে পারে অজিতের পকেটে একটা সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে এবং থানা থেকে বেরোনোর সময় ম্যানেজারকে ছদ্মবেশে সে দেখে ফেলে

