সাংভির কথায় ভয় পেলো মেহেন্দি, উৎসবের ছবি দেখাতেই বেরিয়ে পড়ল আসল সত্যি! মিলে গেল কৌশিকীর অনুমান!

প্রত্যেকদিন সামনে আসছে একটা করে নতুন সত্যি। আর প্রত্যেকদিন নতুন করে অবাক হচ্ছেন ভক্তরা। একঘেয়েমি থেকে দূরে সরে গিয়ে একেবারে আধুনিক একটি গোয়েন্দা গল্প সম্প্রচার করছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি যে দর্শকদের ভীষণ পছন্দের তার প্রমাণ মিলে প্রত্যেক সপ্তাহে প্রকাশিত টিআরপি তালিকা থেকে। চলতি সপ্তাহেও প্রথম স্থান অধিকার করেছে জগদ্ধাত্রী।

বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, প্রতিদিন নতুন নতুন সত্যির সম্মুখীন হচ্ছে জগদ্ধাত্রী। একটু একটু করে কেটে যাচ্ছে সমস্ত ধোঁয়াশা। এতদিন অব্দি যাকে তারা আসল দোষী ভেবে এসেছিল, ধীরে ধীরে জগদ্ধাত্রী বুঝতে পারছে সে আসল দোষী নয়। তার পিছনে রয়েছে অন্য কেউ। সেই অব্দি পৌঁছাতে পারলেই কেল্লাফতে। আর এইবার আসল কালপ্রিট এর খোঁজ পেয়ে গেল জ্যাস। গত পর্বেই দেখা যায় সাধু দার সাথে একটি ছোটখাটো বচসা বেঁধে যায় কৌশিকীর। আজ সেই ধাঁধার কিনারা খুঁজে বের করল জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সাংভি মুখার্জী বাড়িতে এসে তার মা এবং বাকিদের অনেক কথা শোনায় কারণ তারা এতটা নিচে নেমে গেছে যে একটা বাচ্চা মেয়ের সম্পর্কে খারাপ চিন্তা করতেও তাদের একটুও আটকাচ্ছে না। সে মুখের ওপর মেহেন্দিকে কলতলা কালচার বলে, শুধু তাই নয় সে জানায় “জীবিত মানুষ কতটা ভয়ংকর জানা নেই তবে মৃত মানুষ আরো বেশি ভয়ংকর।” এটা শুনে খটকা লাগে প্রত্যেকের আর বেশ ভয় পেয়ে যায় মেহেন্দি তাই সে তার শাশুড়ি মাকে তাড়াতাড়ি সমস্ত কিছুর মালিকানা তাদের নামে ট্রান্সফার করে দিতে বলে।

এদিকে জগদ্ধাত্রী অনেকক্ষণ ধরে ভাবতে থাকে কিছু একটা অনেক বড় ভুল হয়ে যাচ্ছে। সবকিছু রাজনাথ মুখার্জী করতে পারে না কিন্তু স্বয়ম্ভু সেটা বিশ্বাস করতে চায় না। জগদ্ধাত্রী তখন স্বয়ম্ভুকে বোঝায়, “উনি যদি সত্যিই সবকিছু করতেন তাহলে এত সহজে আমরা প্রমান পেতাম না। উনি ঠিক প্রমাণ গুলো সরিয়ে ফেলতেন। আমরা এমনভাবে সহজে সবকিছু পেয়ে যাচ্ছি যাতে এটা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে কেউ উনাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”

আরও পড়ুন: রুদ্রর প্ল্যানে জল ঢেলে এক হল রোহিত ফুলকি! বিপদে পড়েই নিজের ভুল বুঝে ফুলকিকে কাছে টেনে নিল সে!

এরপর জগদ্ধাত্রী চলে যায় ডিপার্টমেন্টে আর সেখানে গিয়ে আরো একবার বিজুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। রাজনাথের ফটো দেখালে বিজু তাকে চিনতে অস্বীকার করে। আর এখান থেকেই সমস্তটা পরিষ্কার হয়ে যায়। এরপর একে একে চন্দ্রনাথ দেবু এবং উৎসবের ছবি দেখায় জগদ্ধাত্রী। উৎসব কে দেখে বিজু গায়েন বলে, এই লোকটাই নিজেকে রাজনাথ বলে পরিচয় দিয়েছিল এবং ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে জগদ্ধাত্রীকে কিডন্যাপ করানোর কথা বলেছিল। সাধু নিজের ভুল বুঝতে পারে। অন্যদিকে জগধাত্রী তাড়াতাড়ি করে কৌশিকীকে ফোন করে সবটা জানায়।

Back to top button