মেহেন্দির হাতে যেতেই ডুবতে বসেছে ব্যবসা, উল্টোদিকে জ্যাস জেনে গেল সবকিছুর পিছনে রয়েছে রাজনাথ বৈদেহি!

বহুদিন ধরেই আসল অপরাধীর খোঁজে দিন রাত এক করে ডিউটি করছিল জগদ্ধাত্রী। তার সামনে এরকম একটা সত্যি উন্মোচিত হবে সেটা সে কল্পনাও করতে পারেনি। আসল অপরাধী নাম জানতে পেরে রীতিমতো চমকে গেল জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা জ্যাস সান্যাল। কৌশিকীর কথায় এবং সমস্ত প্রমাণ দেখে সব ধোঁয়াশা কেটে গেল জগদ্ধাত্রীর। রহস্যের সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে ধারাবাহিকের টিআরপি।

বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী কৌশিকীর সাথে কথা বলে বুঝতে পারে রাজনাথ মুখার্জি কখনো কৌশিকীকে গুলি করতে পারেনা। কারণ রাজনাথ কৌশিকীকে নিজের মেয়ের মতন ভালোবাসেন। তিনি আর যাই করে থাকুন না কেন কৌশিকীকে খুন করার মতন মানসিকতা তার কোনদিনও জন্মাবে না। তাহলে এমন কে রয়েছে মুখার্জী বাড়িতে যে এমন কাজ করতে পারে?

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে বলছে, “ওই বাড়িতে এমন একজন আছেন যে স্কুল এবং কলেজ লাইফে নিশানা বাজ ছিলেন। তিনি রাইফেল শুটিং করতেন। কিন্তু বর্তমানে কাজের চাপে আর সেটা নিয়ে এগোনো হয়নি ঠিকই তবে নিশানা এখনো অব্দি তার অভ্যর্থ।” জগদ্ধাত্রী জিজ্ঞাসা করে কে তিনি? কৌশিকী বলে স্বয়ং বৈদেহি মুখার্জী। নামটা শুনে রীতিমতো চমকে যায় জগদ্ধাত্রী কারণ ওনার কথা তার মাথাতেও আসেনি।

এদিকে দেখা যায় মিস্টার বকশি পৌছে গেছে মুখার্জী বাড়িতে। তিনি গিয়ে বৈদেহিকে বলেন, “অনেক ভালো ভালো কর্মীদের ছাটাই করে দেওয়া হয়েছে। কাগজের গুণগত মান পড়ে গেছে। যারা রয়েছে তারা সবটা সামলে উঠতে পারছে না। কাগজের সার্কুলেশন কমে যাওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন আসা কমে গিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে এই ব্যবসা একদিন লাটে উঠবে।” এইসবের পিছনে কে রয়েছে জিজ্ঞাসা করা হলে বক্সী বাবু বলেন, এসব কিছু করছে মেহেন্দি মুখার্জী। উনি নিজে এডিটোরিয়াল বিভাগের দায়িত্ব নিয়েছেন। কিন্তু একা হাতে এই সব দিক সামলানো যায় না। ওনার কতটুকুই বা শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে?

আরো পড়ুন: একই গল্পের পুনরাবৃত্তি! তখনকার শ্রীময়ী এখনকার শিমুল! বউ হয়ে বরের বিয়ে দিয়ে মহান একই গল্প দেখতে দেখতে বিরক্ত দর্শক

এসব শুনে ভীষণ রেগে যায় মেহেন্দি। তখনই উপর থেকে একটা আওয়াজ হয় আর সেটা শুনে সবাই উপরের দিকে ছুটে যায়। বৈদেহি নিজের ঘরে গিয়ে দেখে কাঁকন দাঁড়িয়ে আছে। সে বলে তার পেনের কালি শেষ হয়ে গিয়েছিল তাই পেন নিতে এসেছিল। আর এসে সে জগদ্ধাত্রীকে দেখতে পেয়েছে। বৈদেহি দেখে ঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে রয়েছে, তার সমস্ত সার্টিফিকেট উধাও। অন্যদিকে কৌশিকীর কাছে সমস্ত সার্টিফিকেট নিয়ে হাজির হয়েছে জ্যাস। সমস্ত প্রমাণ জোগাড় করে ফেলেছে সে।

Back to top button