১ বছরের শিশু কৃষভিকে নোংরা ভাষায় কটাক্ষ! গর্জে উঠলেন শ্রীময়ী! ‘ আপনার মুখটাও অনেকটা…’- পাল্টা জবাব অভিনেত্রীর!

তারকারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন—এ যেন এখন নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্তু যখন সেই কটাক্ষ তাঁদের পরিবারের দিকে ছুটে আসে, বিশেষ করে ছোট্ট সন্তানদের দিকে, তখন বিষয়টি আরও কুরুচিকর হয়ে ওঠে। ঠিক এমনই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজের এক বছরের মেয়ে কৃষভি। জন্মের পর থেকেই যার হাসিখুশি মুখ দেখে সোশ্যাল মিডিয়া মাতোয়ারা, তাকেই অবমাননাকর মন্তব্য করে বসলেন এক মহিলা।
কয়েক দিন আগেই কৃষভিকে কোলে নিয়ে একটি মজার রিল পোস্ট করেছিলেন শ্রীময়ী। ভিডিওতে দেখা যায় মেকআপ করানোর সময় মা-কে অন্য কেউ ছুঁয়ে দিচ্ছে, আর তাতেই কেমন যেন গম্ভীর মুখে তাকিয়ে আছে ছোট্ট কৃষভি। সেই নিরীহ, মিষ্টি মুহূর্তের ভিডিওতেই এক মহিলা মন্তব্য করেন যে নাকি বাচ্চাটিকে দেখতে ‘অড’ লাগে। শুধু এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। কাঞ্চনের অতীত দাম্পত্য ও আরেক সন্তানের ‘অন্যায়’-এর প্রসঙ্গ টেনে এনে আচমকাই অশালীন মন্তব্য ছুড়ে দেন।
এই কটাক্ষে চুপ না থেকে দৃঢ় জবাব দেন শ্রীময়ী। তিনি লিখেন, অড যদি কিছু থাকে, তবে তা ওই মহিলার মানসিকতা। নিজের চরিত্র ও মনোভাব আয়নার সামনে দেখলে তিনিই আঁতকে উঠবেন। তাঁর এই জবাবে অনেকেই সমর্থন জানান এবং বলেন, কোনও সন্তানের চেহারা নিয়ে মন্তব্য করা অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয়।
কাঞ্চন-পিঙ্কি সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে বিতর্ক বহু আগের। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে ডিভোর্সের পর ফেব্রুয়ারিতে শ্রীময়ীর সঙ্গে আইনি বিয়ে করেন কাঞ্চন। সেই বছরের মার্চে হয় সামাজিক বিয়ে। দাম্পত্যের কয়েক মাসের মধ্যেই অক্টোবর মাসে জন্ম হয় তাঁদের কন্যা কৃষভির। বয়সের বড় পার্থক্য, তৃতীয় বিয়ে, ও আট মাসের মধ্যে সন্তান—এসব নিয়েই বারবার ট্রোলড হয়েছেন এই দম্পতি। তবে প্রতিবারই শ্রীময়ী স্পষ্ট ভাষায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
আরও পড়ুনঃ ধর্মেন্দ্রকে শেষ দেখা দেখতে গিয়ে কী দেখেছিলেন হেমা মালিনী? কেনো চমকে উঠেছিলেন তিনি? অবশেষে সবটা প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী!
কাঞ্চনের আগের বিয়ে থেকে ১১ বছরের ছেলে ওশ রয়েছে। বিচ্ছেদের পরে স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণের জন্য ৫৬ লক্ষ টাকা দেওয়া হলেও, ওশের সঙ্গে যোগাযোগ প্রায় নেই বলেই জানা গেছে। এসব অতীত বিতর্কেও বারবার কাঞ্চন-শ্রীময়ীকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু তাঁদের মতে, ব্যক্তিগত জীবন ও সন্তানের প্রতি কটাক্ষ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না। তাই কৃষভিকে নিয়ে কুৎসা ছড়ালে মুখ খোলাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল কাঞ্চন-শ্রীময়ী ওর ব্যক্তিগত মুহূর্ত।

