কাঁকনকে বাঁ’চাতে ভ’য়ংকর ফাঁ’দ পাতলো জগদ্ধাত্রী! জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে অপরাধীদের ডেরায় জ্যাস! চেষ্টা করেও তাকে আটকাতে পারল না বৈদেহি!

এই মুহূর্তে টানটান উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান গোয়েন্দা ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীর (Jagaddhatri) নায়িকা এবং সমগ্র দর্শক মহল। এক ভয়ংকর পরিস্থিতির সুরাহা করতে উঠেপড়ে লেগেছে জগদ্ধাত্রী। আর এর ওপরেই নির্ভর করছে তার পরবর্তী জীবন। বর্তমানে টিআরপি তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিকের নাম। যত দিন যাচ্ছে গল্পের রহস্য আরো বেশি ঘনীভূত হচ্ছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, কিছুদিন আগেই জগদ্ধাত্রীর ওপর কাকলি দেবীকে রক্ষা করার দায়িত্ব ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাকলি দেবীকে অপহরণ করা হয়। তাকে অপহরণ করে একটা জায়গায় লুকিয়ে রেখেছিল উৎসব। আর ঠিক সেখানেই হচ্ছিল কাঁকানের স্কুলের বৃক্ষরোপণ উৎসব। তাই সবটাই দেখে ফেলে কাঁকন। আর পাশাপাশি সব জেনে যায় জগদ্ধাত্রী।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১ জুলাই (Jagaddhatri Today Episode 1 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, গুন্ডা গুলো যখন জগদ্ধাত্রীর সাথে কথা বলছিল তখন তারা ভুলবশত কাঁকনের নাম নেয়। আর সেখান থেকেই জগদ্ধাত্রী বুঝে যায় এর পেছনে এমন কেউ রয়েছে যে অনেক গভীর জলের মাছ। অর্থাৎ সে অনেক মানুষকেই চেনে। তাদের পরিচিত কেউ একজন এই সব কিছুর সঙ্গে যুক্ত। জগদ্ধাত্রী কিছুটা আন্দাজ করে ফেলে যে কে বা কারা এরকম কাজ করতে পারে।
টাকা নিয়ে হাজির হলো কৌশিকী মুখার্জী
গুন্ডারা ১ কোটি টাকা চায় আর সাথে চায় একটা গাড়ি। যেটা করে তারা এখান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পারবে। এগুলো না পেলে তারা ওই ঘরে উপস্থিত সবাইকে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয়। জগদ্ধাত্রী কথাগুলো জানায় কৌশিকীকে। সে তাড়াতাড়ি এক কোটি টাকা নিয়ে হাজির হয় ঘটনাস্থলে। জগদ্ধাত্রী কথা দেয় সে থাকতে কাঁকনের গায়ে এতটুকুও আঁচ লাগবে দেবে না। কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে বিশ্বাস করে। তাই এই অবস্থায় জগদ্ধাত্রী আছে দেখে সে একটু নিশ্চিন্ত হয়।
আরও পড়ুন: অহনার কষ্টে ঝড় উঠলো অনিকেতের মনে! নিজের অজান্তেই এক বিশ্রী ঘটনা ঘটালো সে! শ্যামলীর কথায় অবাক নায়ক!
উৎসবকে কাঁদতে দেখে সবটা বুঝে গেলো মেহেন্দি
এদিকে টিভিতে সবটা দেখতে পেয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যায় উৎসব এবং তার মা। কারণ ওই গুন্ডারা যদি একবার মুখ খোলে তাহলে উৎসবকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। বৈদেহি চেষ্টা করে জগদ্ধাত্রীকে ওখান থেকে সরিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসার। আর ঠিক সেখানেই বোকামি করে বসে উৎসবের মা। জগদ্ধাত্রী বুঝে যায়, তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই সে তাড়াতাড়ি ওই গুন্ডাগুলোর ফোন নাম্বার ট্র্যাক করতে বলে সাধুদাকে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি সবটাই বেরিয়ে পড়বে সবার সামনে।

