ধীরে ধীরে উজির প্রেমে পড়ছে ঋষি! ভদ্র মানুষের আচরণকে ভন্ডামি ভেবে ঋষিকে ভুল বুঝল দুই বোন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিক হলো সাধারণ মানুষের ভালো থাকার অন্যতম মাধ্যম। আর এই ধারাবাহিকগুলোর জন্যই বিকেল বেলাটা জমজমাট হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকতে প্রতিদিন থাকে নতুন নতুন চমক। আর দর্শক তা ভালোভাবে উপভোগ করেন। টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) এখন নানান ধরনের ধারাবাহিক হয়। এই ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে দর্শকদের অন্যতম পছন্দের ধারাবাহিক হলো জি বাংলার জোয়ার ভাঁটা (Jowar Bhanta)।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ঋষি সিদ্ধান্ত নেয় সম্পর্কের শুরুতে সে উজিকে সমস্ত সত্যি কথা বলবে তার জীবনের। কিন্তু ঋষির মা জানিয়ে দেয় পার্ক স্ট্রিটের ঘটনার কথা কোনোভাবে যেন উজি জানতে না পারে। আসলে সেখানে একটি রেস্টুরেন্টে উজির দাদাকেই নিজের অজান্তে খুন করেছিল ঋষি। গোটা বিষয় একেবারেই অপ্রত্যাশিত। তাতে ঋষির কোন দোষ ছিল না। কিন্তু ঋষি চাইছে না মিথ্যে দিয়ে সম্পর্কে শুরু করতে। কিন্তু ঋষির মা নিজের মাথার দিব্যি দেয় ঋষিকে।
অন্য দিকে নিশা আবার টাকা জোগাড় করতে ভুল পথ বেছে নিয়েছে। একটি হোটেলের রুমে ছদ্মবেশে গিয়ে একজন বড়লোক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা আদায় করতে গেছে সে। প্রথমে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে ভালো মতো গল্প জমিয়ে নেয়, তার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে। কিন্তু তারপরে নিজের আসল রূপ সামনে আনে নিশা। ওই ব্যবসায়ীকে ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে রীতিমত তার সমস্ত টাকা গয়না লুট করে নেয়। ব্যাংক একাউন্ট থেকে ১০ লক্ষ টাকা সরিয়ে দেয়। ঘুম ভেঙে হঠাৎ করেই দিদিকে পাশে দেখতে না পেয়ে উজি তো ভীষণই ভয় পেয়ে যায়। সে বারবার ভাবতে থাকে কোন বিপদের মুখে পড়ছে তারা। উজি নিজের দিদি এবং নিজেকে নিয়ে খুব ভয় পেতে থাকে। তারা কোন অন্ধকারের দিকে তলিয়ে যাচ্ছে সেটা নিয়েই ভয়ে থাকে উজি।
আর অন্যদিকে ঋষিকে নিজের করে পাওয়ার জন্য রাতের বেলা সকলের ঘুমিয়ে পড়ার পর ঋষির ঘরে যায় বন্যা। সেখানেই ঋষির বিছানায় তার কাছাকাছি আসার চেষ্টা করে সে। ঋষি তখন উজিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছিল। হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে বন্যাকে দেখে সে তো চিৎকার করে ওঠে, ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় বন্যাকে। ঋষির চিৎকার শুনে সকলেই ছুটে আসে। ঋষির মা, বোন কাকিমা এসে দেখে বন্যা ঋষির ঘরে। আর স্বাভাবিকভাবে বন্যাকে সাপোর্ট করবে ঋষির কাকিমা। কারণ সে তার দিদির মেয়ে। এরপর বন্যা একের পর এক মিথ্যে কথা বলতে থাকে ঋষিকে নিয়ে। ঋষি নাকি তাকে পছন্দ করে তাকে রাতের বেলা ঘরে ডেকেছিল এই সমস্ত মিথ্যে নোংরা অপবাদ দেয় ঋষির নামে। ঋষির মা বোন তো কেউই বিশ্বাস করে না।
আরও পড়ুনঃ গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেতা সুব্রত গুহ! এখন কেমন আছেন ‘পরিণীতার’ ধারাবাহিকের দাদু? কি বলছেন অভিনেতার চিকিৎসক? কোন জটিল রোগে আক্রান্ত হলেন তিনি?
কিন্তু বন্যা তাও বারবার একই কথা বলতে থাকে। আসলে ঋষির কাকিমা এই সমস্ত শিখিয়ে দিয়েছে তাকে। ঋষির বোন ভালোমতোই বুঝতে পারে এই সবের পেছনে কে আছে। ঋষির বোন জানিয়ে দেয় এই ঘটনা যদি কাকার কানে যায় তাহলে খুব খারাপ হবে কাকিমার জন্য। আর বন্যাকে ঋষি এই বাড়ি থেকে কাল সকালের মধ্যে বেরিয়ে যেতে বলে। ওদিকে ঠিক তখনই হঠাৎ করে উজি ফোন করে ঋষিকে। এত রাতে উজি ফোন করছে দেখে ঋষি ফোনটা ধরে। আর ফোন করেই উজি ঋষিকে নিশা ভেবে চিৎকার করতে থেকে তার উপরে। পরে নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং দেখে সে অজান্তেই ঋষিকে ফোন করে ফেলেছে। এদিকে ঋষি সত্যি খুবই ভালো একজন মানুষ।তাই উজিকে ভরসা দেয় কোন বিপদ-আপদে তাদের পাশে সব সময় আছে তারা। কিন্তু উজি ভুল বোঝে ঋষিকে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

