জিষ্ণু নিজের ভালোবাসার কথা জানালো গিনিকে! নীল বাড়ি ফিরলো মেঘের সাথে সব সম্পর্ক ঘুচিয়ে দিতে!

ভাঙ্গা গড়ার খেলা চলছে জি বাংলার (Zee Bangla) ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকে। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের নামের সাথে ধারাবাহিকের গল্পের মিল স্পষ্ট হয়ে উঠছে। প্রত্যেকেই অন্যের ইচ্ছের দাস। কেউ এমন নেই যে মুখ ফুটে নিজের দাবিগুলো সবার সামনে রাখতে পারে। সবাই শুধু নিজের সামনের জনের মনের কথা তার মনের ইচ্ছের কথা ভেবে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দীর্ঘ ৬ মাস একে অপরের থেকে অনেক দূরে ছিল নীল এবং মেঘ। বিচারক তাদের যে সময়টা একসাথে থাকতে বলেছিলেন তারা সেই সময়টা একসাথে না থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। মেঘ মন থেকে চেয়েছিল আবার নতুন করে শুরু করতে, কিন্তু নীল সেটা চায়নি। মেঘের মনের কথাগুলোকে পড়তে না পেরে তার মুখের কথাগুলোকে বিশ্বাস করেই অনেক দূরে চলে গিয়েছিল নীল।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, এই ৬ মাসে কেবল একটি বন্ধুত্ব পরিণত হয়েছে একটি পরিণয়ের সম্পর্কে। ৬ মাস অনেকখানি একটা সময়। আর এই সময়টাকে তো কাজে লাগিয়ে অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছে গিনি আর জিষ্ণু। তারা একে অপরের সঙ্গে ভালো রয়েছে। জিষ্ণু নির্দ্বিধায় মেঘের প্রতি থাকা ক্রাশ গিনির সাথে শেয়ার করে। এর পাশাপাশি গিনির প্রতি তার ভালো লাগার কথাও সে জানায়। গিনিও যে জিষ্ণুকে বন্ধুর চাইতে অনেক বেশি কিছু মনে করে সেটাও সে তার কথার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয়। এই ছয় মাসে যেমন এই দুইজন কাছাকাছি এসেছে তেমনি অনেক দূরে চলে গিয়েছে নায়ক নায়িকা।

এদিকে মধুমিতা কথা বলতে থাকে অনিন্দ্যর সাথে। সে বলে, “আমার মনে হচ্ছে ও তোমাকে দেওয়া কথার কারণে নীলের সাথে থাকতে চাইছে না। তাই তোমাকেই ওকে বোঝাতে হবে। তুমি তো ওর অনেক কাছের। আমিতো কখনোই ভালো মা হয়ে উঠতে পারিনি, ছোটবেলা থেকে ওর উপর অনেক অবিচার করে এসেছি। কিন্তু তুমি তো ওর ভালো বাবা। তাই তোমাকে ওকে বোঝাতেই হবে নইলে বাকি জীবনটা ও নীলের স্মৃতি আঁকড়ে ধরেই কাটিয়ে দেবে। আর এভাবে তো একলা বাঁচা যায় না।” মধুমিতার বলা কথাগুলো কোন দিক থেকেই ভুল মনে হয়নি অনিন্দ্যর। সেও বিষয়টা নিয়ে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ে।

আরো পড়ুন: জ্যাসের সাথে টক্কর দিতে না পারলেও কথা অগ্নিভর জুটি মন কেড়েছে দর্শকদের, তাদের রসায়ন একেবারে জমে ক্ষির!

অন্যদিকে নীল রাত্রে আসবে বলে সকালবেলাতেই চলে আসে আর সেটা দেখে বাড়ির প্রত্যেকেই বেশ অবাক হয়ে যায়। একরাশ অভিমান নিয়ে তার সাথে ঠিক করে কথাও বলতে চায় না গিনি আর মিনি। কারণ তারা তাদের দাদাভাইয়ের ডিসিশনটাকে কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এই ছয় মাসে আরো অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে তার ঠাম্মি। বাড়ির কারো সাথেই এই ছয় মাস একেবারেই ভাল মতন কথোপকথন হয়নি নীলের। আবার ডিভোর্সটা দিয়েই চলে যাবে সে।

Back to top button