সিঁথির সিঁদুর লুকোতে গিয়ে ধরা পড়ে গেলো বনলতা! হঠাৎ করে ভুল পাল্টে গেল বৈদেহির!

কিছুদিন আগেও জি বাংলায় (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক হিসেবে রাজ করছিল জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের টিআরপি অনেকটাই পড়ে গিয়েছে। প্রথম থেকে সোজা তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে এই ধারাবাহিকের নাম। তাই নতুন নতুন সব আকর্ষণীয় গল্পের মধ্য দিয়ে ধারাবাহিকটিকে আবারো প্রথম স্থানে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে ধারাবাহিক কর্তৃপক্ষ।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, লিলিপুট, টিটু এবং তার বাবা তুষারতীর্থ সবাইকে হাতে নাতে ধরেছে জগদ্ধাত্রী। আর এই কাজে তাকে সম্পূর্ণ সহায়তা করেছে বৈদেহি মুখার্জী। আসলে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এবার যদি তিনি মুখ না খোলেন তাহলে তার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। প্রতিপক্ষরা চেয়েও জগদ্ধাত্রীকে এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি। ইতিমধ্যেই আবারো একটি নতুন খুনের কেসে নিজেকে নিমজ্জিত করেছে জগদ্ধাত্রী।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নতুন কেস নিয়ে সাধুদার সাথে কথা বলে জগদ্ধাত্রী। একজনকে খুন করে ফেলেছে দুষ্কৃতী এবং আর একজন গুরুতরভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এখন তাকেই পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে রেখেছে তারা। কারণ গোটা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সে। তার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। এই কেসের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে গেলে তার জবানবন্দী অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন- বর্ষাকে ভুলতে অনেক বড় বিপদের মুখে ঝাঁপ দিল পিকলু, শ্বশুর বাড়িতে পা দিতেই শিউড়ে উঠল বর্ষা!
এদিকে বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে গরিমার। জগদ্ধাত্রী এই খবরটা পেয়ে ভীষণ খুশি। সে যখনই এই বিয়েতে সবাইকে মিলেমিশে কাজ করার কথা বৈদেহিকে বলে তখন বৈদেহি জগদ্ধাত্রীর কথাকে পূর্ণ সমর্থন জানায়। তার মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করে জগদ্ধাত্রী। তার মনে হয় বৈদেহি মুখার্জী বোধ হয় এবার সত্যি পাল্টে গিয়েছে এবং জগদ্ধাত্রীকে পুত্রবধূ হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। এটা ভেবে বেশ খুশি হয় জগদ্ধাত্রী ঠিক তখনই তাকে ফোন করে সাধু বটব্যাল।
সাধুদা জানায় প্রমিতার ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে জগদ্ধাত্রী চলে যায় হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে সে জানতে পারে তাদের আসতে যদি আর একটু দেরি হতো তাহলে প্রমিতাকে খুন করে ফেলা হতো। অবশেষে দুষ্কৃতী এই কাজটা করতে পারেনি এটা ভেবেই শান্তি পায় জ্যাস। তবে আরো একটা সমস্যা হয়ে গেছে। প্রমিতা কোমার চলে গিয়েছে। প্রমিতাকে দেখতে সেখানে চলে আসে বনলতা। তার সঙ্গে কথাবার্তা বলে জগদ্ধাত্রী। বনলতা আর কপালে সিঁদুর দেখে জগধাত্রী জিজ্ঞাসা করে সে বিবাহিত কিনা। কিন্তু বনলতা অদ্ভুতভাবে এই কথাটাকে এড়িয়ে যায় এবং মিথ্যা কথা বলে। বেশ সন্দেহ হয় জগদ্ধাত্রীর।

