কৌশিকীর সাথে কথা বলে অনেক বড় রহস্যর কিনারা পেলো জ্যাস, কাকলিদেবীর গোপন তথ্য জগদ্ধাত্রী হাতের মুঠোয়!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় টানটান উত্তেজনা ধরে রেখেছে নাম্বার ওয়ান গোয়েন্দা ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। এই ধারাবাহিকে সবথেকে বেশি আকর্ষণীয় মানুষটি হলেন ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রী। কঠিন কঠিন কেস তুরি মেরে সমাধান করার বিষয়ে তার জুড়ি মেলা ভার। ৮ থেকে ৮০ বাংলার প্রতিটি দর্শক তার বুদ্ধি থেকে শুরু করে অ্যাকশন সবেতেই রীতিমত মুগ্ধ।
বর্তমানে টিআরপি তালিকায় এক থেকে পাঁচের মধ্যেই অবস্থান করছে এই ধারাবাহিকের নাম। ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী চেষ্টা করছে বিখ্যাত রাজনীতির কাকলি দেবীকে সমস্ত বিপদের হাত থেকে রক্ষা করার। ইতিমধ্যেই অনেকটাই সমাধানের পথে এগিয়েছে জগদ্ধাত্রী। তবে বাকি রহস্যের বেশ কিছুটা তার সামনে জলের মতন পরিষ্কার করে দেয় স্বয়ং কৌশিকী মুখার্জী।
জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১১ জুন (Jagaddhatri Today Episode 11 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৌশিকীর সাথে কথা বলতে বলতে জগদ্ধাত্রী তার সমস্যার কিছুটা কৌশিকীর সাথে ভাগ করে নেয়। কাকলি নামটা শুনতেই কৌশিকী তাকে চিনতে পারে। জগদ্ধাত্রী অবাক হয়ে এটা জেনে যে কৌশিকী কাকলিদেবীকে চেনে। এরপর কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে বলে, একবার তাদের অফিসে একজন লেখক বেশ কিছু রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটি বই লিখেছিলেন।
সেই বইতে অন্যান্য রাজনীতিবিদদের সাথে কাকুলিদেবীর নাম ছিল। সেখানে তার ব্যাপারে আরো অনেক কিছুই লেখা ছিল। এরপর জগদ্ধাত্রী সমস্ত ঘটনাটা কৌশিকীকে খুলে বলে। কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে শুভকামনা জানায়। জগদ্ধাত্রী তখন তার থেকে ওই পান্ডুলিপিটা চায় যেখানে কাকলিদেবীর ব্যাপারে সবকিছু লেখা আছে। রাস্তায় যেতে যেতে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয় জগদ্ধাত্রীর। সেই ব্যক্তি তাকে কিছু বলতে চায়। সে বলে তার নাম রনি থাপা। অনেকক্ষণ কিছু না বলতে পারায় জগদ্ধাত্রী সেখান থেকে চলে যায় আর তারপরেই সেই লোকটিকে একেবারে শেষ করে ফেলে কিছু গুন্ডা।
আরও পড়ুন: নিজের হাতেই নিজের সমাপ্তি ঘটালেন জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেত্রী! কী হয়েছিল তার? সত্যিটা জানলে চমকে যাবেন আপনিও
জগদ্ধাত্রীর কথা শুনে ভয় পেয়ে গেল কাকলি
এরপর জগদ্ধাত্রী পৌঁছে যায় কাকলিদেবীর বাড়িতে। সে সবাইকে কথা দেয় মাত্র 72 ঘন্টা, এর মধ্যেই সে সমস্ত রহস্যের সমাধান করে দেবে। কিন্তু তার আগে সে একবার একান্তে কাকলিদেবীর সাথে কথা বলতে চায়। জগদ্ধাত্রী তাকে জিজ্ঞাসা করে, “অল্প বয়সে আপনি কিছু একটা অন্যায় করেছিলেন যার জন্য একজন মারা যায় আর আপনাকে কোর্ট আদালতের চক্কর কাটতে হয়। আপনি কিন্তু সমস্ত কথাটা আমাকে খুলে বলেননি। কে ছিলেন উনি?” এটা শুনে কাকলি হেসে ওঠে এবং এর সুরাহা জগদ্ধাত্রীকেই করতে বলে। জগদ্ধাত্রী বলে খুব তাড়াতাড়ি সেই পান্ডুলিপিটা তার হাতে চলে আসবে আর সেখান থেকে এসে সবটা জানতে পেরে যাবে। জগদ্ধাত্রী সেখান থেকে যাওয়ার পর বেশ ভয় পেয়ে যায় কাকলি।

