কঠিন পরীক্ষার মুখে শুভলক্ষ্মী! আপনজনদের মাথার ছাদ খুঁজতে গিয়ে চরম বিপদে অন্তঃসত্ত্বা নায়িকা!

বাংলা বিনোদন জগতে ধারাবাহিকগুলির (Bengali Television) জনপ্রিয়তা তো আমরা প্রত্যেকেই জানি। আর সেই জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল স্টার জলসা (Star Jalsha) গৃহপ্রবেশ (Grihoprobesh)। সুস্মিত ও উষসীর নতুন জুটিতে এই ধারাবাহিক খুব সহজেই দর্শকদের ড্রয়িং রুমে জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিদিন রাত ১০টায় টিভির সামনে দর্শক ধারাবাহিক দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পিসি ঠাম্মির বাড়িতে গিয়ে তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে জানায় শুভ। তারা বিদেশের মাটি থেকে দেশে আবার ফিরে আসতে চায়। তাই এই দেশের বাড়িতে তারা থাকতে চায়, আর সেই বাড়ির চাবি পিসিমার কাছে, পিসিমা যদি সেই চাবি তাদের হাতে তুলে দেয় তাহলে তারা মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে। শুভর কথা শুনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি কাউকে নিজের বাবার বাড়ির চাবি দেবেন না। শুভ পিসি ঠাকুমাকে অনুরোধ করে সব মান অভিমান ভুলে গিয়ে তিনি যেন ঐ বাড়ির চাবি তাদের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু এত সহজে পিসি ঠাকুমা মানবে বলে মনে হয় না।

কিন্তু শুভ হাল ছাড়ার মেয়ে নয়, সে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবে। তাই পিসি ঠাম্মিকে বারবার করে বোঝাতে থাকে কিন্তু তিনি জানি দেয় তিনি আজকের রাতটাই শুধু তাদের থাকতে দেবে কাল সকাল হলেই সবাই যেন বেরিয়ে যায়। এরপরে ডোনাকে দেখে তো তিনি আরো ক্ষেপে যান। ডোনা কিছুক্ষণ আগেই তার সঙ্গে ঝামেলা বাধিয়ে এসেছে। শুভ এইটুকু সময়ের মধ্যে যে কি করবে সেটাই ভাবতে থাকে। শুভ বুঝতে পারছে তিনি অভিমান করে আছেন তাই তিনি এমন ব্যবহার করছেন। কিন্তু পিসি ঠাম্মার এই ব্যবহারের জন্য তার বাড়িতে থাকতেই চায় না কেউ। তবে শুভ জানিয়ে দেয় যে যার যেখানে যাওয়ার তারা সেখানে যেতে পারে, কিন্তু শুভ এখানেই থাকবে। আর বাড়ির চাবি তার থেকে নিয়েই ছাড়বে।
ওদিকে পিসি ঠাম্মি ঘরে গিয়ে তার সিন্দুর থেকে পুরনো শাড়ি, ছবি, গয়না সমস্ত বার করে নাড়াচাড়া করতে থাকেন। পুরোনো স্মৃতি ভেসে ওঠে তার মনে। দাদার বিদেশ চলে যাওয়াটা তিনি একেবারেই মেনে নিতে পারেনি, কারণ তারপর তার বাবার মৃত্যু হয়। তাই জন্যই অভিমান করে আছে সকলের উপরে। কিন্তু এখনো তিনি দাদার অভাব বোধ করেন। মন নরম হলেও নিজের জায়গা থেকে তিনি এক চুলও নড়বেন না। শুভর হাতে চাবি কোনভাবেই তুলে দেবে না। কারণ তার বাবা বলে গিয়েছে রায় পরিবারের যোগ্য বউয়ের হাতেই এই চাবি তুলে দিতে। আর তার বৌদি অর্থাৎ দাদার বউকে তিনি একেবারে যোগ্য মনে করেন না।
আরও পড়ুনঃ হাতছানি দিচ্ছে পারুলের জীবনের ধ্রুব সত্যি! রহস্য উদঘাটনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালো শিরিন! ম’রণ ফাঁদে পা দিলো পারুল!
আর শুভ বুঝতে পারে হয়তো তিনি মনে করছেন তারা এই চাবির যোগ্য নয়, তাই জন্য তাদের হাতে চাবি তুলে দিতে চাইছেন না। তাই শুভকে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হবে ওই চাবি পাওয়ার জন্য। এদিকে সন্ধ্যেবেলা পিসি ঠাম্মির অনুমতি না নিয়েই শুভ সন্ধ্যা দিতে চলে যায়। আর তাই দেখে তো খুব রেগে যায় তিনি। শুভকে যা তা বলে অপমান করে। কিন্তু শুভ হাল ছেড়ে দেওয়ার মেয়ে নয়। কিভাবে সে পিসি ঠাম্মির মন জয় করবে শুধু সেটাই দেখার অপেক্ষা।

