পরিবারসহ নিউইয়র্ক ছাড়ল শুভলক্ষ্মী! নায়িকাকে মা’রতে এবার নদিয়ায় মোহনা! বিপদের আভাস পেতেই দারুন বুদ্ধির পরিচয় দিল শুভ!

প্রতিদিন জমজমাট হয়ে উঠেছে স্টার জলসার (Star Jalsha) গৃহপ্রবেশ ধারাবাহিক (Grihoprobesh)। নিউইয়র্কের মাটিতে বাঙালি পরিবারের সুন্দর পারিবারিক গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে ধারাবাহিকে। টিআরপি তালিকাতেও ভালো ফলাফল করছে। গল্পে প্রতিদিন কিভাবে নানান রকম টুইস্ট নিয়ে আসতে হয় সেটা বেশ ভালোমতোই জানে গৃহপ্রবেশ। এছাড়াও ধারাবাহিকে আদৃত এবং শুভলক্ষ্মীর দারুণ কেমিস্ট্রি দর্শকদের ভীষণ পছন্দের। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই নতুন জুটি দর্শক মহলে জাঁকিয়ে বসেছে। বর্তমানে ধারাবাহিকের শুভলক্ষ্মী এবং তার পরিবারের লড়াইয়ের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, আকাশ যেহেতু তাদের ব্যবসা দখল করে নিয়েছে অন্যদিকে তাদের বাড়িও নিলামে উঠতে চলেছে, শুভ সবাইকে জানায় তাদেরকে এখন একসাথে থাকতে হবে। আর তার জন্য সবথেকে ভালো উপায় হল দেশে ফিরে যাওয়া। দেশে গিয়ে সবকিছু শূন্য থেকে শুরু করতে পারলে তবেই তারা আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে। কারণ সেখানে তাদের পরিচিত মানুষেরা আছে। শুভর মসলার ব্যবসা আছে। তাই সেখান থেকে তারা নতুন কিছু শুরু করতে পারে। কিন্তু এই প্ল্যানে সকলে সম্মতি দেয় না। কারণ নিউইয়র্কের এই চাকচিক্য ছেড়ে তারা নদীয়ার গ্রামে গিয়ে থাকতে পারবে না। তবে সবাই সাথে না থাকলেও শুভর শ্বশুরমশাই, আদি সকলই শুভর পাশে রয়েছে।

Grihoprobesh, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali television, Ushasi Ray, Sushmit Mukherjee, গৃহপ্রবেশ, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, গৃহপ্রবেশ, উষসী রায়, সুস্মিত মুখার্জি, Today Episode 1 August, গৃহপ্রবেশ আজকের পর্ব ১ অগাষ্ট, গৃহপ্রবেশ আজকের পর্ব

এদিকে শুভর প্রস্তাবে আদির দুই কাকিমা রাজি হতে চায় না, তারা নিউইয়র্কের এই বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে কিভাবে দেশে গিয়ে থাকবে সেটাই বুঝতে পারে না। তবে অনেক কষ্টে আদির মেজ কাকিমাকে তার স্বামী এবং দুই ছেলেমেয়ে মিলে রাজি করাতে পারে। কিন্তু ছোট কাকিমা মোহনার সাথে হাত মিলিয়ে ছিল কিন্তু মোহনাই এখন তাকে ল্যাং মেরে দিয়েছে। তাকে আর কোন সাহায্য করছে না। ডোনাও আকাশকে সাহায্য করেছিল শুভদের ব্যবসার ক্ষতি করার জন্য। এখন ডোনা নিজের ভাগটা না পেলে ছেড়ে দেবে না মোহনাকে। কিন্তু ডোনার কাজ এখনো শেষ হয়নি। মোহনা জানায় ডোনাকে শুভর সাথে দেশে ফিরে গিয়ে তার উপরে নজর রাখতে হবে। সব খবর দিতে হবে মোহনাকে।

এদিকে বাড়িতে সবাই মিলে চিন্তায় পড়ে যায় দেশে ফিরে গিয়ে তারা কোথায় উঠবে। তখন আদির ঠাকুরমা বলে কলকাতাতে তাদের একটি ভিটেবাড়ি ছিল, কিন্তু সেই বাড়ি তো বছরের পর বছর ধরে তালা বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। আর সেই বাড়ির চাবিও রয়েছে দাদুর এক বোনের কাছে। কিন্তু সেই বোনের সাথে দীর্ঘ বছর ধরে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। আদির দাদু যখন নিউ ইয়র্ক ছেড়ে চলে আসে তারপরই মারা যায় তার বাবা। সেই কারণেই বোনের সাথে দাদুর সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। কিন্তু শুভ ঠিক করে বাড়ি নিলাম হওয়ার আগেই কলকাতার বাড়িতে সবাইকে নিয়ে যাবে। আর সেই সাত দিনের মধ্যেই শুভ চাবি ফিরিয়ে আনবে। তাই একাই নিউইয়র্ক যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শুভকে একা ছাড়তে চায় না বাড়ির কেউ। তাই আদি, শুভ, মেজো কাকিমা, মেজো কাকা, তাদের দুই ছেলে মেয়ে আর ঋদ্ধি দেশে ফিরে যাওয়া সিদ্ধান্ত নেয়। ওদিকে মোহনার কথামতো ডোনাও শুভর উপরে নজর রাখার জন্য দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলে।

আরও পড়ুনঃ ছেলেকে আঁচলে বাঁধতে পারুলের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল রায়ানের মা! শুরু হলো শাশুড়ি বনাম বউমা!

ওদিকে আকাশে মোহনাকে আর কোন বিপদ না বাড়াতে বলে। মোহনা চেয়েছিলের রায় পরিবারকে পথে বসাতে সেটা হয়ে গেছে। এবার যেন মোহনা থেমে যায়। কিন্তু মোহনা জানায় যতদিন না পর্যন্ত শুভ এবং আদিকে আলাদা করতে পারবে ততদিন পর্যন্ত সে থামবে না। তাই মোহনা ঠিক করে সেও শুভর পিছন পিছন দেশে ফিরে যাবে। প্রথমে তো আকাশ আজি হতে চায় না। কিন্তু মোহনার জেদের কাছে হার মানতে হয়। কিন্তু দেশে ফিরে গিয়ে মোহনা কি কি করবে সেটা কেউ কল্পনা করতে পারছে না। মোহনা এবারে শুভকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করতে থাকে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button