বন্ধ হোক নারী নি’র্যাতন! মানুষরূপী শয়তানদের শিক্ষা দিতে মেয়েরা হয়ে উঠুক পর্ণা-জ্যাস-গীতা!

বর্তমানে আরজিকরে (R G Kar) তিলোত্তমা কান্ড নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা বাংলার মানুষকে। সরকারি হাসপাতালে এক কর্মরত ডাক্তারের ওপর হয়ে যাওয়া এই না’রকীয় হ’ত্যা কান্ডের প্রতিবাদে বর্তমানে গ’র্জে উঠেছে গোটা বাংলার। প্রতিবা’দে সবর হয়েছেন ডাক্তার, উকিল এমনকি বিনোদন জগতের তারকারাও। রাত দখল করতে রাস্তায় নেমেছেন বাংলার নারীরা সমাজ।

মহিলাদের ওপর বারবার ঘটে যাওয়ার এই ধ’র্ষণের ঘটনাগুলোর ধি’ক্কার জানাচ্ছেন আট থেকে আশি বছরের মহিলারা। দাবি তুলছেন নিজেদের সুরক্ষার। এতগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও কেন আজও নারীরা অসু’রক্ষিত? কেন রাস্তায়, ট্রামে, বাসে, নিজের শিক্ষার স্থানে, কর্মস্থানে আজও হেন’স্তা এবং শী’লতাহানির শি’কার হতে হয় মেয়েদের? অনেকেরই এই প্রসঙ্গে ধারণা কারণ আজও মেয়েদের মনে করা হয় দু’র্বল। মেয়েরা যে প্রতিবাদ করতে পারে, নিজের সুরক্ষা করতে পারে, প্রয়োজনে ল’ড়তে পারে সেটা আজও মনে করে না এই সমাজের নরপি’শাচরা।

তাই সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছে এক নতুন স্লোগান। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা লিখেছেন মানুষরূপী এই শ’য়তানদের শিক্ষা দিতে মেয়েদের এবার হয়ে উঠতে হবে পর্ণা-জ্যাস-গীতা। অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে হবে। শুধু নিজের জন্য নয়, সমস্ত মা মেয়ে, বোনেদের জন্য। ইতিমধ্যেই এই তিনটি ধারাবাহিক জায়গা করে নিয়েছে দর্শকদের মনে। এই ধরনের নিন্দনীয় ঘটনাগুলোকে কাহিনীর মাধ্যমে পর্দায় তুলে ধরেছে এই ধারাবাহিকগুলো। সঙ্গে জানিয়েছে প্র’তিবাদ।

একদিকে গীতা এলএলবিতে যেমন পদ্মর কেস নিয়ে কোর্টরুমে ঝ’ড় তুলছে গীতা, তেমনই নিম ফুলের মধুতে বর্ষার সঙ্গে ঘটে যাওয়ার ঘটনারও প্র’তিবাদ জানিয়েছেন পর্ণা। সমাজ এবং মানুষকে শিখিয়েছে ভ’য় পেয়ে পিছিয়ে না গিয়ে এবার সময় এসেছে প্রতিবাদ জানানোর, দোষীদের শা’স্তি দেওয়ার। একদিকে যেমন বাবুসোনাদের বি’রুদ্ধে বারবার মা’রমুখী হয়ে উঠেছে গীতা, স্বহ’স্তেই শাস্তি দিয়েছে দোষীদের। তেমনই জি বাংলার ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীতেও দো’ষীদের নিজের হাতে শা’স্তি দিচ্ছে বর্তমান যুগের জগদ্ধাত্রী অর্থাৎ জ্যাস সান্যাল।

আরও পড়ুন: বর্ষা, রোহিনী, কৌশিকী না শ্রীতমা, জি বাংলার সেরা ননদের দৌড়ে কে হলেন বিজয়ী?

ধারাবাহিকের কাহিনী আলাদা আলাদা হলেও প্রতিবাদের ভাষা, কন্ঠস্বর এক। লোকলজ্জা, সমাজ এবং সর্বোপরি এই ধরনের নরপি’শাচদের থেকে সমাজ এবং নিজেকে বাঁচাতে তাই এবার এগিয়ে আসতে হবে মেয়েদেরই। নিজের এবং সমাজের প্রতিটি নেয়েদেরকেই এবার নিজেদের রক্ষার্থে এবার হতে হবে গীতা, জগদ্ধাত্রী আর পর্ণা। অন্যা’য়ের প্রতি’বাদ করতে হবে গলা তু’লে। শুধুমাত্র ধর্ষ’ক নয়, মেয়েদের ওপর কোনরকম অত্যা’চার স’হ্য করা যাবে না। আর কেউ করতে চাইলে তাকে পেতে হবে দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি। এবার এইটাই হবে মেয়েদের জীবনের মূলমন্ত্র। লক্ষ্মী নয়, এবার মেয়েদেরকে হতে হবে কালী। অ’ন্যায়, অবিচা’রের জানাতে হবে প্রতিবাদ। আপনাদের কি মনে হয় এবিষয়ে?

Back to top button