জিতে গেলো মেহেন্দি! শাশুড়ি মায়ের নয়নের মনি হয়ে উঠলো স্বয়ম্ভু! শকুন্তলার ব্যবহারে চমকে গেল উৎসব!

কথায় আছে সোজা আঙ্গুল দিয়ে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করতে হয়। এইবার ঠিক সেটাই করলো জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীর (Jagaddhatri) অন্যতম প্রধান চরিত্র মেহেন্দি। শুরুতে এই চরিত্রটি নেতিবাচক ভূমিকা পালন করছিল। কিন্তু সম্প্রতি বদল ঘটেছে তার। তাই সে বর্তমানে ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রীর শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে উঠেছে। টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফলাফল করতে দেখা যাচ্ছে এই ধারাবাহিকটিকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, মেহেন্দি একা একা নিজের বরকে নিয়ে জামাইষষ্ঠীর জন্য বাপের বাড়িতে যেতে রাজি নয়। সে চায় তার দিদি জামাইবাবু তাদের যোগ্য সম্মান পাক। তাই কৌশিকী গুঞ্জন প্রত্যেককে নিয়ে এমন একটা পরিকল্পনা করে যে তার মা নিজে এসে তার দিদির স্বামীকে জামাইষষ্ঠীর জন্য নিমন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়। এটাই ছিল উৎসবের কাছে মেহেন্দির বাজি।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১৫ জুন (Jagaddhatri Today Episode 15 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মেহেন্দি গুঞ্জনকে দিয়ে আবারো ফোন করে তার মাকে। গুঞ্জন আবার মিথ্যে মিথ্যে শকুন্তলার দোকানে রেড করার কথা বলে। এটা শুনে আবারও ভীষণ ভয় পেয়ে যায় শকুন্তলা। সে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ে নিজের মেয়ে জামাইকে নিমন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে। মেহেন্দি তাড়াতাড়ি জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে এবং তাকে জানিয়ে দেয় শকুন্তলা তাদের বাড়িতেই যাচ্ছে। জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসে।

স্বয়ম্ভুকে নিমন্ত্রণ করতে এলো শকুন্তলা

এরপর শকুন্তলা জগদ্ধাত্রীর কাছে এসে তাদেরকে জামাইষষ্ঠীর জন্য আমন্ত্রণ জানায়। মনে মনে এতোটুকুও ইচ্ছা না থাকলেও এটা করতে সে বাধ্য হয়। কারণ একমাত্র জগদ্ধাত্রী পারবে তাদের দোকানটাকে বাঁচাতে। অর্থাৎ নিজের স্বার্থেই এটা করে শকুন্তলা। যেটাই হোক না কেন এতে ভীষণ খুশি হয় মেহেন্দি। কারণ সে চেয়েছিল সবাই সবার প্রাপ্য সম্মানটুকু পাক।

আরো পড়ুন: বিপদে পড়ে সৃজনকে জড়িয়ে ধরলো পর্ণা! নায়িকাকে বাগে আনতে নতুন চাল চললো অভিমন্যু!

শকুন্তলার কান্ড দেখে অবাক উৎসব

জামাইষষ্ঠীর দিন উৎসবকে বরণ করে শকুন্তলা। ঠিক যখনই স্বয়ম্ভু চলে আসে তখনই উৎসবকে ছেড়ে এসে তাড়াতাড়ি স্বয়ম্ভুকে বরণ করতে ছোটে। সে আগে উৎসবের হাতে ফলের বাটা না দিয়ে স্বয়ম্ভুর হাতে দেয়। এই ঘটনায় ভীষণ অপমানিত বোধ করে উৎসব। পাশাপাশি শকুন্তলার ব্যবহার দেখে রীতিমতো চমকে যায় সে। তখনই সেখান থেকে চলে যেতে চায় উৎসব। কিন্তু তাকে আটকায় মেহেন্দি। সে বলে, যার যেমন প্রাপ্য সম্মান সে তেমনটাই পাচ্ছে। তাই এখানে রাগ করার কিছু নেই

Back to top button