ছেলের কাছেই জব্দ বাবা! পি.আর.কে-র খেলা শেষ! জমে ক্ষীর আজকের পর্ব

স্টার জলসায় (Star jalsha) সকলের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হল ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই বেশ জমজমাট পর্ব দেখানো হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের গল্প তত ইন্টারেস্টিং হচ্ছে দর্শকের কাছে। তাইতো ধারাবাহিকটি প্রতিদিনই দেখছেন দর্শকেরা। যদিও ধারাবাহিকের সময় নিয়ে অনেকেই আপত্তি ছিল, ধীরে ধীরে সেই সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছেন দর্শক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল ঝিলিক মাঝ রাতে প্রিয়রঞ্জন এর চেম্বারে গিয়ে সেখানে ওই কাগজটা খুঁজতে থাকে, যেখানে ঝিলিক টিপ সই করেছিল। ডাস্টবিন থেকে কাগজটা খুঁজে পাওয়ার পর সেই কাগজে অনিমেষ রায়ের নাম দেখতে পায় ঝিলিক। অনিমেষ রায় নামটা খুব চেনা চেনা লাগে ঝিলিকের কাছে। ঝিলিকভাবে এটাই হয়তো আঁখির বাবা। কিন্তু আঁখি বলেছিল তার বাবা একজন কর্মচারী। কিন্তু ঝিলিক বুঝতে পারে নিশ্চয়ই এই অনিমেষ রায়ের সঙ্গে এমন কোন সম্পর্ক রয়েছে যেটা আঁখি জানেনা। ঝিলিক আঁখিকে ফোন করতে থাকে বারবার। কিন্তু আঁখি ফোন তোলে না, তাই জন্য মেসেজ করে আঁখিকে সাবধান করে দেয়। গৌরব এবং ঝিলিক যে দ্বিরাগমনে যাচ্ছে সেই খবরটা প্রিয়রঞ্জন এর কানে পৌঁছে দেয় পিসিমণি। গৌরব এবং ঝিলিক যখনই বাড়িতে বেড়াতে যাবে বাধা দেয় প্রিয়রঞ্জন। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয় না। গৌরব জানায় সে আঁখিকে নিজের স্ত্রী হিসেবে মানে তাই আঁখিকে নিয়ে সে মামাবাড়ি যাবেই।

দুই শালিক আজকের পর্ব ৫ ডিসেম্বর (Dui Shalik Today Episode 5 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্ব টেলিকাস্ট হওয়ার আগেই ফাঁস হয়ে গেল। ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখানো হয় ঝিলিক গৌরব দুজন মিলে দ্বিরাগমনের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। প্রিয়রঞ্জন তাদের কোনভাবেই আটকাতে পারে না। গৌরব জানিয়ে দেয় গৌরবের সিদ্ধান্তে যেনো প্রিয়রঞ্জন কোনভাবে নাক না গলায়। এদিকে প্রিয়রঞ্জন আঁখির সই পাওয়ার জন্য তো উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছে। আঁখির সই না পাওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্পত্তির অধিকার নিজের নামে করতে পারবে না প্রিয়রঞ্জন। এদিকে ওই উকিল ফোন করে প্রিয়রঞ্জন কে সন্ধে পর্যন্ত সময় দেয় তাকে টাকা পাঠানোর জন্য। আর যদি সন্ধ্যে মধ্যে প্রিয়রঞ্জন তাকে টাকা না পাঠায় তাহলে সমস্ত ক্ষমতা চলে যাবে অনিমেষ রায়ের হাতে অর্থাৎ ঝিলিক আঁখির বাবার হাতে।
এদিকে গৌরব আঁখি বেরিয়েছে দ্বিরাগমনের উদ্দেশ্যে। আর অন্যদিকে আঁখি, দেবা, পল্টু, চারআনা সবাই মিলে বেরিয়েছে চারআনার আশ্রমের উদ্দেশ্যে। এদিকে আঁখি এবং দেবার মধ্যে কথাবার্তা বন্ধ। দুজনেই দুজনের উপর রাগ করে বসে রয়েছে। আর সেই জন্য চারআনা আশ্রমে আসার প্ল্যান বানিয়েছে। এখানেই দুজনের মান অভিমান ভাঙবে।
আরও পড়ুনঃ নকল হার দিয়েই চোর কুপোকাত! আনন্দীর বুদ্ধিতে বাজিমাত! সম্প্রচারের আগেই ধারাবাহিকের আগামী পর্ব ফাঁ’স
অন্যদিকে ঝিলিক এবং গৌরব গাড়ি করে আসছে। হয়তো এখনই ঝিলিক এবং আঁখির আবার দেখা হবে। রাস্তায় যেতে যেতে দেবারা একটা ধাবার সামনে খাওয়ার খেতে দাঁড়ায়। কিন্তু আঁখি ইতু পুজো করছে দেখে খেতে চায় না। আর আঁখি ইতু পুজো করলেও ঝিলিক তো কোনদিনও এসব করেনি, তাই সবাই বেশ অবাক হয়ে ইতু পুজোর কথা শুনে। কিন্তু ওই একই গ্রামে গিয়ে কি হবে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

