ঝিলিকের হাতে এল আঁখির বাবার আসল পরিচয়! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

স্টার জলসায় (Star jalsha) সকলের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হল ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই বেশ জমজমাট পর্ব দেখানো হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের গল্প তত ইন্টারেস্টিং হচ্ছে দর্শকের কাছে। তাইতো ধারাবাহিকটি প্রতিদিনই দেখছেন দর্শকেরা। যদিও ধারাবাহিকের সময় নিয়ে অনেকেই আপত্তি ছিল, ধীরে ধীরে সেই সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছেন দর্শক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল রাইমা তো ভাবতে থেকে সে আঁখির হাতের টিপ সই নিয়েছে। এবারে সে প্রিয়রঞ্জনের আবার ভরসার যোগ্য হয়ে উঠবে। কিন্তু সে কেউ তো এখনো জানেই না যে আঁখি আসলে আঁখি নয় ঝিলিক। রাইমা টিপসই করা কাগজটা কুরিয়ার করে মুম্বাইয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করে প্রিয়রঞ্জনের কাছে। প্রিয়রঞ্জন বাড়িতে ফিরে আসে মুম্বাই থেকে এবং ফিরে এসে রাইমার উপর তো বেজায় ক্ষেপে যায়। আঁখির সাথে তো ঝিলিকের সই মিলছে না, মেলার কথাও নয়। কিন্তু এই ব্যাপারটা একেবারেই ধরতে পারে না প্রিয়রঞ্জন। কিন্তু ঝিলিক কিছুতেই বুঝতে পারে না আঁখি কিসের কাগজে সই করে। তাই এই সত্যিটা তাকে খুঁজে বার করতেই হবে।

দুই শালিক আজকের পর্ব ৪ ডিসেম্বর (Dui Shalik Today Episode 4 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্ব টেলিকাস্ট হওয়ার আগেই ফাঁস হয়ে গেল। ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখানো হয় রাতের বেলা কিছুতেই ঘুম আসতে চায়না ঝিলিকের। প্রিয়রঞ্জন এবং রাইমার মধ্যে আঁখির সই নিয়ে যে ঝামেলা হলো সেটাই ভাবতে থাকে। এমন কোন কাগজে আঁখি সই করে যেটার সই না পেয়ে প্রিয়রঞ্জন এতটা উত্তেজিত হয়ে পড়েছে। সেটা জানতেই হবে ঝিলিককে। তাই জন্য ঝিলিক মাঝ রাতে প্রিয়রঞ্জন এর চেম্বারে গিয়ে সেখানে ওই কাগজটা খুঁজতে থাকে, যেখানে ঝিলিক টিপ সই করেছিল। ডাস্টবিন থেকে কাগজটা খুঁজে পাওয়ার পর সেই কাগজে অনিমেষ রায়ের নাম দেখতে পায় ঝিলিক। অনিমেষ রায় নামটা খুব চেনা চেনা লাগে ঝিলিকের কাছে। ঝিলিকভাবে এটাই হয়তো আঁখির বাবা। কিন্তু আঁখি বলেছিল তার বাবা একজন কর্মচারী। কিন্তু ঝিলিক বুঝতে পারে নিশ্চয়ই এই অনিমেষ রায়ের সঙ্গে এমন কোন সম্পর্ক রয়েছে যেটা আঁখি জানেনা।
আঁখির বাবার নাম জানতে পারলো ঝিলিক
এদিকে প্রিয়রঞ্জন বলে সে যেদিন জানতে পারবে তার সঙ্গে কে খেলা খেলছে তাহলে সেদিন নয় আঁখি শেষ হবে নয় রাইমাকে শেষ করে দেবে। তাই জন্য ঝিলিক আঁখিকে ফোন করতে থাকে বারবার। কিন্তু আঁখি ফোন তোলে না, তাই জন্য মেসেজ করে আঁখিকে সাবধান করে দেয়, আর বলে কয়েকদিন দেবার সাথে সাথে থাকতে। পরের দিন ঝিলিক এবং গৌরব মিলে দ্বিরাগমনে যাবে সেই জন্য জামা কাপড় গোছাতে থাকে ঝিলিক, কিন্তু আঁখি এখনো ফোন করছে না দেখে ঝিলিকের খুব চিন্তা হতে থাকে আঁখির জন্য। এদিকে আঁখি মেসেজেরও কোন রিপ্লাই দেয়নি।
আরও পড়ুন: স্বয়ম্ভুর মুখোমুখি জগদ্ধাত্রী! গন্তব্য বেনারস! গল্পে নতুন টুইস্ট, টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
এদিকে গৌরব এবং ঝিলিক যে দ্বিরাগমনে যাচ্ছে সেই খবরটা প্রিয়রঞ্জন এর কানে পৌঁছে দেয় পিসিমণি। গৌরবের মামা বাড়িতেই ঝিলিক এবং গৌরব যাচ্ছে। আর এই কথা শুনে প্রিয়রঞ্জন পড়ে যায় চিন্তায়। সে ভাবতে থাকে যদি আঁখি বাড়ি থেকে চলে যায় তাহলে সই করানো মুশকিল হয়ে পড়বে। এদিকে অনিমেষ জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছে, অন্যদিকে আঁখি বাড়ি থেকে যাচ্ছে যে করেই হোক তাদের এই যাওয়া আটকাতেই হবে। এই জন্য গৌরব এবং ঝিলিক যখনই বাড়িতে বেড়াতে যাবে বাধা দেয় প্রিয়রঞ্জন। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয় না। গৌরব জানায় সে আঁখিকে নিজের স্ত্রী হিসেবে মানে তাই আঁখিকে নিয়ে সে মামাবাড়ি যাবেই।

