আঁখি ঝিলিকের অদল বদল ধরে ফেললো রাইমা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় দুই যমজ বোনের জীবনের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘দুই শালিক’ (Dui Shalik)। ধারাবাহিকে আঁখি এবং ঝিলিক দুজনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া ধারাবাহিকে রয়েছে দুজন নায়ক সুতরাং ধারাবাহিকে আগামী দিনে দুটি জুটির গল্প দেখানো হবে। প্রথম দিন থেকে ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় ছিল, যার কারণে ধারাবাহিকটি নিয়ে বেশ উত্তেজনা ছিল সবার মধ্যে। তবে টিআরপি তালিকায় ধারাবাহিকের ফলাফল সেভাবে চোখে পরছে না।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আঁখি এবং ঝিলিক তো একে অপরের সঙ্গে জায়গা অদল বদল করেছে। আঁখি ঝিলিক সেজে রয়েছে তাদের বস্তিতে এবং ঝিলিক আঁখি সেজে রয়েছে ছাতা বাড়িতে। ছাতা বাড়িতে গিয়ে ঝিলিক তো নানান রকম কান্ড করছে। কখনও জেঠুর সঙ্গে গানের তালে নাচ করছে, আবার কখনো পিসিমনিকে ভয় দেখাচ্ছে। অন্যদিকে তো আঁখি বস্তির কিছুই চেনে না। সবসময় দেবার সাথে সাথেই রয়েছে সে।

দুই শালিক আজকের পর্ব ১৯ অক্টোবর (Dui Shalik Today Episode 19 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখানো হয় আঁখিকে যত্ন করে বিরিয়ানি খাওয়ানোর জন্য গ্যারেজে নিয়ে আসে দেবা। আসলে দেবা ভাবছে ঝিলিক হয়তো নম্র, ভদ্র হয়ে গিয়েছে তাই জন্য সে এতটা আপ্যায়ন করছে আঁখিকে। সে তো আর জানে না যে তার সঙ্গে যে রয়েছে সে আঁখি ঝিলিক নয়। অন্যদিকে ঝিলিক যে সমস্ত কান্ড করছে তাতে তাকে কেউই বুঝতে পারছে না। প্রত্যেকেরই ভীষণই অবাক লাগছে। এদিকে সমস্ত কাণ্ডকারখানা দেখে পিসি রাইমাকে গিয়ে সমস্ত ঘটনা জানায়।
পিসিমণি, বউমনি কে শা’য়েস্তা করলো ঝিলিক
পিসি জানায় যে কিভাবে আঁখি তাকে চেপে ধরেছিল, জেঠু মনির ঘরে তারা নাচ গান করছিল। অথচ সবাই বলছে পিদি ভুল দেখছে। তিনি যেটা দেখতে পাচ্ছেন আর কেউ সেটা দেখতে পাচ্ছেন না। এই সমস্ত কথা শুনে রাইমা জানায় তাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে, সে এখনই গিয়ে ব্যাপারটা দেখছে। তারপরে রাইমা সঙ্গে সঙ্গে রান্নাঘরে যায়। যেখানে ঝিলিক আঁখি হয়ে সবার জন্য রান্না করছিল। সেখানে গিয়ে ঝিলিকের পেট থেকে সব কথা বের করতে চায়। কিন্তু ঝিলিক তো আঁখির মতন নরম স্বভাবের নয় তাই ঝিলিক রাইমাকে ভালো মতো বুঝিয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ আনন্দীকে উদ্ধার করতে গিয়ে মৃ’ত্যুমুখে আদি! এবার কী করবে নায়িকা? টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
অন্যদিকে দেবা তো একেবারে টেবিল সাজিয়ে দামি প্লেট গ্লাসে আঁখির জন্য খাবার তৈরি করে খেতে দেয়। আঁখি মনে মনে ভাবতে থাকে তার জন্য এভাবে কেউ কোনদিনও খাবার বেড়ে দেয়নি। এদিকে দেবার হাবভাব দেখে তো কারোরই সুবিধার লাগে না। হঠাৎ করে দেবার কি হলো কেউ বুঝতে পারে না। দেবা নিজেই বুঝতে পারে না তার হঠাৎ কি হল। অন্যদিকে প্রিয়রঞ্জন বাবু যেই লোকটিকে ভিখারি সাজিয়ে দেবাদের বস্তিতে দেবার উপর নজর রাখতে বলেছিল তিনি তো ফোন নিয়ে প্রতিটা মুহূর্তের ছবি তুলে পাঠাচ্ছে প্রিয়রঞ্জন বাবুকে। এখনো পর্যন্ত যদিও আঁখি এবং দেবাকে একসঙ্গে দেখতে পায়নি প্রিয়রঞ্জন বাবু। কিন্তু এর পরে কি হবে সেটা বলা যাচ্ছে না এখনই।

