“এখন আবেগ নয়, অঙ্ক কষে সম্পর্ক হয়…” প্রেম নিয়ে অকপট দোলন রায়

বেশ কিছু মাস আগে মুক্তি পেয়েছে ‘আলাপ’ (Aalap)। আবির চট্টোপাধ্যায় (Abir Chatterjee) ও মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty) অভিনীত সিনেমা বিরাট সাড়া ফেলেছে দর্শক মহলে। ছবির পরিচালক প্রেমেন্দু বিকাশ চাকি। তাঁরই কাছের বন্ধু অভিনেত্রী দোলন রায় (Dolon Roy)। বন্ধুর ছবি মুক্তির প্রিমিয়ারে হাজির অভিনেত্রী। জানালেন তাঁর সমসাময়িক পরিচালক একসঙ্গে কেরিয়ার শুরু করে। তাঁর কাজও ব্যক্তিগত ভাবে বেশ পছন্দ করেন দোলন। তাই আলাপ নিয়েও আশাবাদী তিনি। তবে ছবি দেখার আগে খোশ মেজাজে গল্পে মাতলেন অভিনেত্রী।
গরমে কেমন আছেন অভিনেত্রী? দোলন বলেন, “৩১শে মার্চ আমার একটা শো শেষ হয়েছে। এখনই অন্য শো শুরু করিনি। এইসময়টা জাস্ট বাড়িতে বসে কেটে যাচ্ছে। টিভিতে দেখছি এই গরমে সবাই কেমন আউটডোর করছে, ভোটের প্রচার করছে…ওঁদের দেখে দেখে আমার সান স্ট্রোক হয়ে গেল।”

হালে একটা কথা আমরা শুনি ‘আলাপী’ বা ‘মিশুকে’। বাস্তবে দোলন রায় ঠিক কতটা আলাপী? অকপট উত্তর একদমই না। অভিনেত্রী বললেন,”তোমরা দেখেছতো আমায়। আমি একটু ইন্ট্রোভার্ট টাইপের। প্রথমদিকে তো আরও খারাপ ছিলাম। তবে ত্রিশ বছর কাজ করে করে খানিকটা শিখেছি। তাও অনেকের থেকে আজও পিছিয়ে আমি। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমি নেই। বা চট করে মিশে যেতে পারি না। একটু সমমনস্ক না হলে আমার একটু সমস্যা হয় আর কী!”
তবে একবার মনের মিল হয়ে গেলে মানুষ দোলন কেমন? অভিনেত্রীর অকপট উত্তর, “তাহলে আমি খুব ডাউন টু আর্থ। মানে ‘গল্পবাজ’ বললে আরও ভাল হয়। আমি তোমায় বাড়িতে ডাকব এই আর কী!” অভিনেত্রীর সঙ্গে টিটোদার পরিচয় বহুদিনের। তবে আলাপটা হয়েছিল কীভাবে? উত্তরে দোলন জানান, “আমার সঙ্গে ওঁর আলাপ বহুদিনের। তখন ভাবিনি আলাপটা প্রলাপ হয়ে যাবে। রবি ঘোষের ‘ছদ্মবেশী’ নাটকটা করতে করতে দেখা হয়েছিল। নাটকে টিটোদা হিরো ছিলেন আর শ্রীলা মজুমদার হিরোইন। আরও অনেক বড় বড় কাস্টিং ছিল। তখন আলাপ হলেও প্রলাপ শুরু হয় ৯৭তে। প্রলাপ এখনও জোড় কদমে চলছে।”
আরও পড়ুন: যুদ্ধ শুরু হয়েছিল শৈশব থেকে! নিজের টাকায় চালিয়েছেন সংসার! জেনে অভিনেত্রীর জীবন সংগ্রাম
দীপঙ্কর দের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কী বলছেন অভিনেত্রী দোলন রায়?
টিটোদা অভিনেতা দীপঙ্কর দের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কম কথা শুনতে হয়নি। হালে নেট দুনিয়ায় তাঁদের বয়সের ফারাক ও সম্পর্ক নিয়ে নানা কটূক্তি শুনতে হয়েছে। কী বলবেন এই বিষয়ে? অভিনেত্রী বলেন,” আমি কোনও দিন তাদের কিচ্ছু বলিনি। আজও বলব না। যে যেটা বলে বাঁ লিখে খুশি হয়, দুটো পয়সা পায় তো করুক। আমি যে সময়ে দাঁড়িয়ে এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম তখন আমি কালকে কী হবে ভেবে নিইনি। এখন সম্পর্ক অঙ্ক কষে হয়। আমাদের সম্পর্কে অঙ্ক ছিল না। শুধু ছিল আবেগ।


