পাঞ্জায় হেরে যেতেই ছদ্মবেশী জ্যাসকে চিনে ফেলল দিব্যা! নিজেকে বাঁচাতে এবার সর্বনাশ ডেকে আনলো বৈদেহি!

নিজেকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে মানুষ চরম স্বার্থপর হয়ে যেতে পারে। তখন তার কাছে নিজের ছেলে মেয়ের স্বামী পুত্রবধূ সন্তান কোন কিছুই আর কোন মানে রাখে না। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীর (Jagaddhatri) নেতিবাচক চরিত্র বৈদেহি মুখার্জীর(Baidehi Mukherjee) এমনই দশা হয়েছে। গত সপ্তাহ অনুযায়ী এই ধারাবাহিক টিআরপি তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, গোটা সংসারের এবং অফিসের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে মেহেন্দি। কিন্তু একটা দায়িত্বও সে ঠিক করে পালন করতে পারছে না। প্রত্যেকটা কাজে দশ বার করে হোঁচট খাচ্ছে সে। বারবার প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে সব কাজ সবার জন্য নয়। আর বিশেষ করে মেহেন্দি তো কোনটাই ঠিক মতো করে উঠতে পারেনা। তারপরেও নিজের জেদের বসে হার না মেনে একইভাবে ভুল করে সবার কাছে হাসির পাত্র হয়েই চলেছে সে। এর মাঝেই সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় হেঁটে চলে বাড়িতে ফিরে এসেছে বৈদেহি মুখার্জী। আর তাকে দেখে বেশ অবাক হয়ে গেছে প্রত্যেকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রী একজন বুড়ির ছদ্মবেশ নিয়ে সেই শেষ সাক্ষীর কাছে চলে গিয়েছে, যার কাছে সমস্তটা জানা সম্ভব। সেই লোকটি কিছুই বলতে চায় না প্রথমদিকে। কিন্তু তারপর জগদ্ধাত্রী তাকে ঠাস করে একটা চড় মারে আর বন্দুক দিয়ে এমন ভাবে ভয় দেখায় যে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে যায় তার। অবশেষে সে বলতে বাধ্য হয় সে আর তার সঙ্গীরা মিলে বৈদেহি মুখার্জীকে নিরাপত্তা দিছিল। আর তাদের এই কাজটা করতে বলেছে দিব্যা সেন। সমস্ত সন্দেহ সত্যি হয় জগদ্ধাত্রীর।

অন্যদিকে বৈদেহি মুখার্জীর কাছে ফোন করে টিটু। সে বলে, “আপনাকে একটা কাজ করতে হবে।” বৈদেহি মুখার্জী তার কথা মানতে অস্বীকার করলে টিটু বলে, “আপনি যা যা অন্যায় করেছেন সেগুলো যদি সামনে আসে তাহলে জগদ্ধাত্রী আপনাকে শেষ করে দেবে। যদি আপনি সেটা না চান তাহলে আমি যেমনটা বলছি তেমনটাই করুন। আপনার বাড়িতে দোলের দিন বড় করে উৎসব পালন করা হবে। সেই দিন আমি ছয় সাতটা লোককে পাঠাবো, আর তাদেরকে আপনাকে কায়দা করে ঘরে ঢুকিয়ে নিতে হবে।” এগুলো শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি মুখার্জী। কিন্তু তার কাছে এসব করে ছাড়া আর কোন উপায় খোলা থাকে না।

আরো পড়ুন: উপযুক্ত প্রমাণ বিচারকের কাছে পেশ করলো পর্ণা, সসম্মানে মুক্ত হলো বাবুর বাবা!

এদিকে জগদ্ধাত্রী ছদ্মবেশ নিয়ে সাধু বটব্যাল এর সাথে চলে যায় দিব্যা সেনের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে জ্যাস বলে, “বৈদেহি মুখার্জীর চারপাশে পাহারা দেওয়ার জন্য আপনি ওই চারজন লোককে ফিট করেছিলেন? তাদের মধ্যে তিনজন মারা গিয়েছে আর একজন বেঁচে রয়েছে। তার থেকেই আমরা সবটা জানতে পেরেছি।” এসব শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায় দিব্যা সেন। এরপর জগদ্ধাত্রী বলে, “একটু সাবধানে থাকবেন ম্যাডাম। আমার মনে হচ্ছে আপনার উপর কালো ছায়া নামতে চলেছে।” একটা বুড়ির এত তেজ দেখে হাসে দিব্যা। জগদ্ধাত্রী তাকে সাবধান করে বলে, এই বুড়ির হতে অনেক জোর। সেটার প্রমাণ দিতেই পাঞ্জা লড়ে জগদ্ধাত্রী আর দিব্যা। আর তাতে সফলভাবে জিতে যায় জগদ্ধাত্রী, যেটা দেখে অবাক হয়ে যায় দিব্যা সেন।

Back to top button