উপযুক্ত প্রমাণ বিচারকের কাছে পেশ করলো পর্ণা, সসম্মানে মুক্ত হলো বাবুর বাবা!

বুদ্ধি থাকলে সব সম্ভব। জোরেরা থেকেও বুদ্ধির জোর অনেক বেশি। আর এই কথাটাই আরো একবার অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ করে দিলো জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। বর্তমানে আকর্ষণীয় গল্পের জন্য টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিকটি দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। এখন বেশ সমস্যার মধ্যে জড়িয়ে গিয়েছে নায়িকা পর্ণা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণার শশুর মশাই অনেক বড় বিপদে জড়িয়ে পড়েছে। তার মতন সৎ কর্মচারী আর হয় না, কিন্তু তার জন্য অনেকের অনেক অসৎ কাজ আটকে যাচ্ছিল। তাই অমিতেস বাবুকে রাস্তা থেকে সরাতে তাকে ফাঁসিয়ে দেয় রাঘব নামের এক ঠকবাজ ব্যক্তি। অকারণে জেলবন্দী হয় সৃজনের বাবা। তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে পর্ণা আর সৃজন।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কিভাবে নিজের শশুর মশাইকে নির্দোষ প্রমাণ করে সেটাই ভাবতে থাকে পর্ণা। সে কথা দিয়েছিল, আগামী দুই দিনের মধ্যে বাবাকে জেল থেকে বের করে আনবে। তার মধ্যে একদিন ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। বর্ষা তার বৌদি ভাইকে জিজ্ঞেস করে, তার বাবা মুক্তি পাবে তো? পর্ণা বলে অবশ্যই পাবে। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে কৃষ্ণা আর বলে পর্ণা সব মিথ্যে কথা বলছে। সে কিছুই করতে পরবে না। ওর জন্যই সব সর্বনাশ ঘটেছে। কিন্তু পর্ণা এসব কোনো কোথায় কান দেয় না।

এর মাঝে জেঠু অর্থাৎ অখিলেশ এসে পর্ণাকে জানায় ওই অনুরাগ নামের লোকটি সুদে টাকা খাটায়। ও একটা জোচ্চোর লোক। পর্ণা আর সৃজন সেই লোকটার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরে। তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু বিশেষ কিছু লাভ হয় না। ওই লোকটি আবার এসব কিছু জানিয়ে দেয় রঘবকে। সে বুঝতে পারে পর্ণা মোটেই সুবিধার মেয়ে নয়, ওকে আটকাতে হবে। তাই কিছু গুন্ডা পাঠিয়ে দেয় রাঘব। সেই গুন্ডাগুলো পর্ণার ক্ষতি করতে গেলে, তাকে বাঁচায় সৃজন। আর পর্ণা বুঝতে পারে তারা একদম ঠিক দিকে এগোচ্ছে।

কোর্টের সময় প্রায় শেষ। ধানু আর কিছুতেই বিচারকের থেকে সময় আদায় করতে পারছে না। সবাই খুব ভয় পেয়ে গিয়েছে। এমন সময় সেখানে সে উপস্থিত হয় পর্ণা। সে বলে, তার কাছে প্রমাণ আছে কিন্তু তার জন্য বিচারকের নাম্বার প্রয়োজন। পর্ণা কথা দেয় সেই নাম্বার কেউ অসৎ কাজে ব্যবহার করবে না। বিচারক যখনই তার নাম্বার পর্ণাকে দেয়, সাথে সাথে তার ফোনে পঞ্চাশ হাজার কখনো ৩০ হাজার এমন ভাবে টাকা ঢুকতে থাকে। চমকে যায় স্বয়ং বিচারক। এরপর পর্ণা বলে, এইভাবেই তার শশুর মশাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সবটা খুব সহজে বুঝে যায় বিচারক। তারপর তিনি সসম্মানে মুক্তি দেন সৃজনের বাবাকে। অমিতেস বলে, সে যদি পর্ণার থেকে ছোটো হতো তাহলে পায়ে হাত ধরে প্রণাম করতো।

Back to top button