চন্দ্রের হাত থেকে মুক্তি পেলো না কমলিনী! কোর্টের সিদ্ধান্তে হতাশ নায়িকা! এবার কি করবে নতুন?

লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা আরেকটি অসাধারণ গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হয়েছে। শুরুর সময় থেকে ধারাবাহিকটি দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বাড়ছে দর্শক মহলে। এই জন্য বেশ ভালো ফলাফল করছে টিআরপি তালিকায়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কমলিনীদের বাড়িতে এসে অনন্যা কমলিনীকে অপমান করতে থাকে। তার ছেলের বিয়ের কয়েকদিন যেন নতুনকে মুক্তি দেয় কমলিনী সে কথা বলতে থাকে, যার কোনো ভিত্তি নেই। নতুনকে টেনে এনে কমলিনীর চরিত্রে দাগ লাগায়। কমলিনী সেসব অনেকদিন ধরেই সহ্য করছিল কিন্তু সহ্যের বাঁধ তার ভেঙে গেছে তাই কমলিনী নতুনকে ফোন করে আসতে বলে তাদের বাড়িতে। নতুন বুঝতে পারে আবার কোনো সমস্যা হয়েছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, অনন্যার সাথে তাল মিলিয়ে রুদ্রও এবারে মাকে অপমান করতে শুরু করে। এমনিতেই সে তার মাকে দিনরাত অপমান করে। এরপর নতুন আসে। নতুন এসে তার বৌদিকে দেখে অবাক হয়ে যায়। তারপর কমলিনী বলে অনন্যা এসে কি কি বলেছে। নতুন জানায় তার ভাইপোর বিয়ে সেটা সে তার সাথেই বুঝে নেবে। কিন্তু প্লুটোর মতন একজন মেরুদণ্ডহীন ছেলেকে নিজের ভাইপো বলে সে মানবে কি না সেটা তার ব্যাপার। আর যদি সে প্লুটোকে ভাইপো বলে না মানে তাহলে তার বিয়েতে যাওয়ার কথা না তার।

এই কথা শুনে তো অবাক হয়ে যায় অনন্যা। নতুন কমলিনীর জন্য বদলে যাচ্ছে কমলিনীর জন্য নতুন তাদের সাথে থাকছে না এই সমস্ত মন্তব্য করতে থাকে। এদিকে মায়ের অপমান বেশিক্ষণ সহ্য করতে পারে না মিঠি। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যদি এভাবে যখন তখন বাইরের লোক এসে তাদের বাড়িতে তার মাকে অপমান করে তাহলে সে এবার পুলিশের কাছে যাবে। মানহানির মামলা করবে সবার নামে।

আরও পড়ুনঃ মিথ্যের আশ্রয় নিয়ে বিপাকে শিরিন! সবার সামনে প্রমাণ সমেত শিরিনের মুখোশ খুলে দিল পারুল!

পরের দিন কোর্টে আবারো শুরু হয় প্রশ্নোত্তরের পর্ব। চন্দ্রর উকিল প্রথমেই ডেকে নেয় কমলিনীকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়ে জানতে চায় তার স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক কেমন ছিল। কমলিনী বলে আর ৫ জন স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যেমন সম্পর্ক থাকা দরকার কমলিনীর সাথেও তার স্বামীর স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল। এরপরে উকিল জানতে চায় নতুনের সাথে কেমন সম্পর্ক ছিল তার। কমলিনী জানায় নতুন তার খুবই ভালো বন্ধু, একজন বন্ধুর সাথে যেমন সম্পর্ক থাকা উচিত তেমনি সম্পর্ক ছিল। তাদের সম্পর্ক নিয়ে আবারও বিচারকের কাছে অন্যরকম ছবি ফুটিয়ে তোলে চন্দ্রর উকিল। তখনই বিচারক জানিয়ে দেয় আজকেই এই কেসের রায় ঘোষণা করা হবে, ঠিক তখনই শেষ মুহূর্তে এসে উপস্থিত হয় মিটিল। সাথে নিয়ে আসে সোহিনী এবং তার মেয়েকে। দেখা যাক এবারে সুবিচার পায় কিনা কমলিনী।

Back to top button