যুদ্ধ জয়ের পথে কমলিনী! অকৃতজ্ঞ বেইমান আপনজনদের অপমানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এগিয়ে চলেছে নায়িকা!

বাংলা টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। বেশ কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকটি টেলিভিশনের পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে। একেবারে অন্য ধরনের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিকটি। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যতই সামনের দিকে এগোচ্ছে ধারাবাহিকটিকে নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা তত বাড়ছে। প্রতিদিনই ধারাবাহিকের পর্বে থাকছে নিত্য নতুন টুইস্ট। বর্তমানে কমলিনী জীবনের মোড় ঘোরানো এপিসোড দেখানো হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বুবলাইয়ের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর কমলিনীর উকিল তাকে কিছু প্রশ্ন করতে চায়। আর এই প্রশ্ন উত্তরের পর্বে নানান ভাবে আইনি কথার মার প্যাঁচে বুবলাইয়ের থেকে সব সত্যি কথা বের করে নেন। বুবলাইয়ের কথায় বোঝা যাচ্ছে বিয়ের পরে কিভাবে বুবলাই-এর মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে। তার শ্বশুরবাড়ি এবং তার স্ত্রীর প্রলোভনে কিভাবে বুবলাই পাল্টে গিয়েছে। এছাড়া বিয়ের আগে পর্যন্ত তারা একসঙ্গে সপরিবারে পুরী ঘুরে এসেছে, বিয়ের জন্য দেড় লক্ষ টাকার ঘড়ি উপহার নিয়েছে নতুনের থেকে। আর সেটা হাসিমুখে স্বতন্ত্র তাকে উপহারও করেছে।

বুবলাই এখন কোর্টে দাঁড়িয়ে সমস্তটাই সাজানো গল্প বলছে। সেটাই প্রমাণ করার চেষ্টা করে কমলিনীর উকিল। কিন্তু ভরা কোর্টের মাঝে বুবলাই তখন আত্মহত্যা করার হুমকি দেয়। এই কথা শুনে কমলিনীও জানায় তার ছেলে যদি এই কাজ করে তাহলে তার কাছেও আর কোনো রাস্তা খোলা থাকবে না আত্মহত্যা ছাড়া। কিন্তু কমলিনীকে সকলে মনে জোর রাখতে বলে। শত্রুপক্ষ চাইছে যাতে কমলিনী ভেঙে পড়ে।

তারপরই কমলিনীর উকিল রুদ্রর অফিসের বসকে ডেকে আনে সাক্ষী হিসেবে। রুদ্র নতুনের নামে অভিযোগ এনেছে যে, তার জন্যই রুদ্রর চাকরিটা গেছে কিন্তু আদৌ যে সেই অভিযোগ মিথ্যে সেটাই প্রমাণ করার আছে। কোর্টে দাঁড়িয়ে রুদ্রর বস জানায় নতুনের কথায় কোনভাবে রুদ্রকে তারা বের করে দেয়নি, ওই সিদ্ধান্ত কোম্পানির স্বার্থে নেওয়া হয়েছিল। সেই সাথে এটাও প্রমাণ হয়ে যায় যে রুদ্র কোর্টকে ভুল পথে চালনা করছে। কোর্টের কাজ সেদিনের মত ওখানেই শেষ হয়।

আরও পড়ুনঃ পারুলের জীবন নষ্ট করতে ভয়ংকর ষ’ড়যন্ত্রে মাতলো মা-মেয়ে! র’ক্তের টানে পারুলের পাশে দাঁড়াবে তো তার জন্মদাতা বাবা?

এদিকে পরের দিন কমলিনীদের বাড়িতে এসে অনন্যা কমলিনীকে অপমান করতে থাকে। তার ছেলের বিয়ের কয়েকদিন যেন নতুনকে মুক্তি দেয় কমলিনী সে কথা বলতে থাকে, যার কোনো ভিত্তি নেই। নতুনকে টেনে এনে কমলিনীর চরিত্রে দাগ লাগায়। কমলিনী সেসব অনেকদিন ধরেই সহ্য করছিল কিন্তু সহ্যের বাঁধ তার ভেঙে গেছে তাই কমলিনী নতুনকে ফোন করে আসতে বলে তাদের বাড়িতে। নতুন বুঝতে পারে আবার কোনো সমস্যা হয়েছে। এবারে দেখার অপেক্ষা নতুন এসে কমলিনীকে রক্ষা করতে পারবে কিনা।

Back to top button