চন্দ্রর প্রলোভনে পা দিল বড় ছেলে রুদ্র! মায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের বিরাট ক্ষতি করে বসলো বুবলাই!

বাংলা টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। বেশ কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকটি টেলিভিশনের পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে। একেবারে অন্য ধরনের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিকটি। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যতই সামনের দিকে এগোচ্ছে ধারাবাহিকটিকে নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা তত বাড়ছে। প্রতিদিনই ধারাবাহিকের পর্বে থাকছে নিত্য নতুন টুইস্ট। বর্তমানে কমলিনী জীবনের মোড় ঘোরানো এপিসোড দেখানো হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, কুরচি কোর্টে জানায় সোহিনী এবং তার মেয়ের কথা। তার দাদা কুড়ি বছর ধরে যে তাদের সাথেই ছিল সে কথাও বলে এবং কমলিনী যে সোহিনীর চিঠিটা পেয়েছিল সে চিঠিও দেখায় বিচারককে। সবাই বুঝতে পারে কেস অন্য দিকে ঘুরে যাচ্ছে। চন্দ্র বেশ ঘাবড়ে যেতে থাকে। সকলের মনে আশঙ্কা তৈরি হয়, তারা হয়তো এই মামলা জিততে পারবে না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে মামলা শেষে কমলিনী নতুন এবং মিটিল মিলে চা খেতে খেতে আলোচনা করছে এই মামলা কোন দিকে ঘুরবে সেটা নিয়ে। মিটিল বলে সে আজকে কমলিনীর সঙ্গে কোর্টে থাকতে পারবে না। তবে আগামী দিন কোর্টের মামলা শুরু হওয়ার আগেই মিটিল চলে আসবে। নতুন এবং কমলিনী জানতে চাই মিটিল কোথায় যাবে। মিটিল বলে সে একটু শহরের বাইরে যাচ্ছে। কিছু জরুরী দরকার আছে, যদি সেই কাজে সফল হয় মিটিল তাহলে সবাই জানতে পারবে।
কমলিনীর ডিভোর্স কেসে তার ননদ নতুনের পর যদি সব থেকে বেশি তাকে কেউ সাহায্য করে থাকে তাহলে সে হলো মিটিল। বাবিলের সঙ্গে এখনো তার বিয়ে হয়নি, কিন্তু কমলিনীকে সে যেভাবে সাপোর্ট করে তার পাশে থাকে তাকে পরামর্শ দেয় তাতে সত্যি বন্ধুর মতো সব কথা মিটিলকে খুলে জানাতে পারে কমলিনী। মিটিল জানায় সে জানতো নতুন এবং কমলিনী একে অপরকে কতটা ভালোবাসে কিন্তু তাদের ভালোবাসার মধ্যে অনেক সম্মান রয়েছে। যা দেখে বারবার মিটিল মুগ্ধ হয়। পুরীতে গিয়েই মিটিল প্রথম বুঝতে পেরেছিল তাদের মধ্যে কতটা ভালবাসা রয়েছে। নতুন এবং মিটিল মিলে সমানে কমলিনীর মনে সাহস জোগাতে থাকে, তাকে ভরসার জায়গা তৈরি করে দেয়।
আরও পড়ুনঃ শুভর ক্ষতি করতে পিসি ঠাম্মির বাড়ি অব্দি পৌঁছে গেল মোহনা! শুভর লক্ষণ রেখা পেরোতে পারবে তো মোহনা?
আর ওদিকে কমলিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বাবা, ছেলে আর ছেলের বউ। চন্দ্র বুবলাইকে কমলিনীর বিরুদ্ধে প্রতিমুহূর্তে উস্কে যাচ্ছে। বুবলাইও মায়ের এই ব্যবহার কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছে না। সে বারবার বলছে মা যদি মামলা জিতে নতুনের সাথে বিয়ে করে তাহলে সে আত্মহত্যা করবে। আর চন্দ্র সেই কথা শুনে ছেলেকে বলে সে খামোখা কেন তার মায়ের জন্য আত্মহত্যা করবে বরং আত্মহত্যার নাটক করতে পারে। বাবার মুখে প্রথমে এই কথা শুনে একটু হকচকিয়ে গিয়েছিল সে কিন্তু সে এখন নিজের মধ্যে নেই মাকে অন্য কারো সঙ্গে দেখতে পারবে না সে। চন্দ্র জানায় নতুনের জন্যই যত গন্ডগোল হচ্ছে। তাকে যদি রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলতে পারতো তাহলে এই সমস্যার সমাধান হতো। বুবালাই বাবার কথায় সমর্থন করে। তখন চন্দ্র জানায় বুবলাইকে এই কাজ করতে হবে না কয়েকজন লোক ঠিক করে দিলে তারা এই কাজটা করে দিতে পারবে। কিন্তু বুবলাই কথাটা এতটাও সিরিয়াস ভাবে বলেনি। তার রাগ হচ্ছে হয়তো ঠিকই কিন্তু সে এতটা নিচে নামতে পারবে না। বর্ষা এবং চন্দ্র দুজনে মিলে যেভাবে বুবলাইয়ের মন বিষিয়ে দিচ্ছে তাতে করে আগামী দিনে কি হবে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

