নিজের লড়াইয়ে সফল কমলিনী! সবটাই চন্দ্রের নাটক! সকলের সামনে খুলে গেলো চন্দ্রর আসল মুখোশ!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 29 June Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ২৯ জুন পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনী বিশ্বাস করে চন্দ্র তার মত অন্য আরেক মহিলার জীবন নষ্ট করেছে। কারণ চন্দ্রর ঘর থেকে যে চিঠি পাওয়া গেছে সেটা কোন সাংকেতিক চিঠি নয়। একজন মহিলার লেখায় চিঠি। যার সাথে চন্দ্রর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। আর সেই স্ত্রী এবং মেয়ে এসে হাজির হয়েছে তাদের বাড়িতে।

যখন মিটিল কমলিনীর হয়ে কথা বলছে তাকে সাপোর্ট করছে ঠিক তখনই কলিং বেল বেজে ওঠে। দরজা খুলে দেখে সামনে দাঁড়িয়ে একজন ভদ্রমহিলা আর একটি ছোট মেয়ে। তারা এসে চন্দ্রের খোঁজ করতে থাকে। কুর্চি তাদের ভেতরের নিয়ে আসে। মেয়েটি ভিতরে এসেই চন্দ্রকে জড়িয়ে ধরে বাপি বাপি বলে সম্বোধন করে। আর চন্দ্র কেন তাদেরকে ছেড়ে চলে এসেছিল কেন তাদের কোন খোঁজ নেইনি এই প্রশ্ন করতে থাকে দুজনে। দুজনকে দেখে অবাক হয়ে যায় চন্দ্র, তাহলে কমলিনীর সন্দেহই ঠিক ছিল।

এদিকে চন্দ্র ওই দুজনকে দেখার পরে প্রথমে তো ভীষণভাবে অবাক হয়ে যায়। কিন্তু পরে নিজেকে সামলে নিয়ে দুজনকেই চিনতে অস্বীকার করে এবং পরে দাবি করে যে হোমে চন্দ্র ছিল সেই হোমেই এই মহিলা বারবার এসে তাকে বিরক্ত করতো। সাথে এটাও দাবি করে এই মহিলার স্বামীর অনেক গোপন সম্পত্তি টাকা-পয়সা লুকিয়ে রেখেছিল আর তাদের বাড়িতেই ওই মহিলার স্বামীকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল চন্দ্র তারপর এই সেখান থেকে তার স্মৃতি হারিয়ে যায়। তাদের বাড়িতেই চন্দ্রকে আটকে রাখা হয়েছিল। এ সমস্ত নানান আবোলতাবোল গল্প একের পর এক বলতে থাকে চন্দ্র। আসলে চন্দ্র বুঝতেই পারেনি তারা দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সন্তান তাকে খুঁজতে খুঁজতে এই বাড়িতে চলে আসবে।

আরও পড়ুনঃ ‘ঋতুদার অল্পতেই রাগ…আমার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ করে দেবেন বলেছিলেন!’ প্রয়াত ঋতুপর্ণ ঘোষকে নিয়ে মুখ খুললেন অনন্যা চ্যাটার্জি!

এরপর কমলিনী এসে ওই মহিলাকে তার নাম জিজ্ঞাসা করে। মহিলাটি তার নাম জানায় সোহিনী। সোহিনী নামেই একজন চন্দ্রকে চিঠি পাঠিয়েছিল তারপর কমলিনী ওই চিঠি নিয়ে আসে। কিন্তু চন্দ্র আগেই তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে বুঝিয়ে দেয় যাতে কমলিনী চিঠিটা নিয়ে আসলে সেটা দেখে অস্বীকার করেন তিনি। কারণ চন্দ্র অনেক টাকার ঋণে জর্জরিত হয়ে গিয়েছে, আর সেখান থেকেই বেরোনোর জন্য চন্দ্র এখানে এসেছে। ওই মহিলার সাথে যখন আড়ালে চন্দ্র পরামর্শ করছিল তখন তাকে ধরে ফেলে নতুন। তারপরে কমলিনী চিঠিটা নিয়ে আসলে ওই মহিলা চিঠিটা দেখে অস্বীকার করে। কিন্তু এবার সকলের মনে অনেক রকম প্রশ্ন ভিড় করছে। আর বোঝাই যাচ্ছে চন্দ্র সমস্তটাই মিথ্যে বলছিল। কমলিনীর সন্দেহই ছিল ঠিক। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button