নতুনকে সকলের সামনে অপমান করলো মিঠি! মেয়ের ব্যবহারে লজ্জিত কমলিনী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। মাত্র কয়েক মাস হয়েছে ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) শুরু হয়েছে জলসার পর্দায়। তবে ইতিমধ্যে টিআরপি তালিকায় ভালো ফলাফল করতে শুরু করেছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক। লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এর ধারাবাহিক মানেই একটু অন্য ধরনের গল্প সবসময় ধারাবাহিকে ফুটিয়ে তোলা হয়। সেরকমটাই দেখা যাচ্ছে চিরসখাতে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাবিল ফোন করে মিটিলকে বলে বাড়িতে পুলিশ এসেছে। সব শুনে মিটিল অবাক হয়ে যায় এবং জানায় সে নতুনকে ফোন করে আসতে বলছে। তার কিছুক্ষণ পরে মিটিল এবং নতুন এসে হাজির হয়। নতুন পুলিশকে জানায় এভাবে কোন ভদ্র মহিলাকে তার বাড়িতে এসে অপমান করার অধিকার পুলিশের নেই। যেখানে ছেলেটি আত্মহত্যা করার আগে একটি সুইসাইড নোট লিখে গেছে সেটা যাচাই না করেই একজনকে গ্রেফতার করতে আসতে পারে না পুলিশ। পুলিশ তো সুইসাইড নোটের কথা কিছুই জানত না।
সুইসাইড নোটের কথা জানতে পেরে বেশ অবাক হন পুলিশে তদন্ত না করেই একজনকে গ্রেফতার করে করতে চলে এসেছে দেখে নতুন তো ভীষণ রেগে যায়। এরপর পুলিশ নতুনের কথামতো কমলিনীকে আর গ্রেফতার করতে পারে না কোন প্রমাণ ছাড়া।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, নতুন কেন বারবার হয় কমলিনীর বিষয়ে মাথা গলায় সেই নিয়ে তাকে কথা শোনাতে থাকে চন্দ্রের মা। তখনই মিটিল যোগ্য জবাব দিয়ে দেয় ঠাম্মির মুখের উপরে। এদিকে চন্দ্র আবার মিটিলকে হুমকি দেয় তাদের মাঝে কথা না বলতে। কিন্তু মিটিল তো প্রতিবাদ করতে ছাড়ে না, সে জানিয়ে দেয় সে ভয় পায় না সত্যিটা বলতে যেটা সত্যি সে বলেছে আর বরাবরই বলবে। আর চন্দ্রর কথায় তার কিছু যায় আসে না। এদিকে হঠাৎ করেই মিঠির মন পরিবর্তন হয়েছে। তাই সকলের সামনেই মিঠি নতুনকে অপমান করে। জানিয়ে দেয় নতুন যেন আগামী দিনে আর কখনো তাদের সমস্যায় মাথা না ঘামায় তাহলে তাদের পক্ষে সুবিধা।
আরও পড়ুনঃ এবারে মুখোমুখি লড়াইয়ে নামল পারুল-রায়ান! শুরু হলো নতুন যুদ্ধ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
নতুন যত তাদের সমস্যার মধ্যে ঢুকবে ভবিষ্যতে তারা তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। আর নতুনের সমস্যা যেমন তাদের সমস্যা নয়, তেমন মিঠিদের সমস্যা নতুনের সমস্যা হতে পারে না। মিঠির মুখে এই ধরনের কথা শুনে তো অবাক হয়ে যায় নতুন। বুঝতে পারে না এ কোন মিঠিকে তারা দেখছে। অন্যদিকে মৌ গোছগাছ শুরু করে দেশ ছেড়ে চলে যাবার জন্য। সে আর এখানে থাকতে পারছে না। মৌ মিঠির থেকে প্লুটোকে কেড়ে নিলেও প্লুটোকে ভালবাসত তাই তারও কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু যদি সে আজ প্লুটোর মনের কথা সে বুঝতে পারত তাহলে হয়তো অকালে চলে যেতে হতো না। সবাই মিলে মৌকে বোঝাতে থাকে, এত তাড়াতাড়ি দেশ ছেড়ে না যেতে। সেখানে গিয়ে একা কিভাবে সামলাবে সেই নিয়ে সকলে চিন্তা করতে থাকে। কিন্তু মৌ কোন কথা শোনে না। সে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে চলে যেতে চায়। এদিকে মৌয়ের বন্ধুরা এসে জানায় তারা প্লুটোর জন্য স্মরণসভার আয়োজন করতে চায়। মৌ প্রথমে যেতে না চাইলেও পরে যেতে রাজি হয় এবং বাকি সবাইকে ডাকতে বলে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

