বাড়ি ফেরার পথেই বিরাট অঘটন! ফটোগ্রাফি সেরে বাড়ি ফিরতে গিয়েই বড় বিপদের মুখে নতুন কমলিনী!

স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das) এবং অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি (Sudip Mukherjee)। এই প্রথমবার দুই টেলিভিশনের পর্দায় জুটি বেঁধেছেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী। অপরাজিতা দীর্ঘদিন বাদে এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ফিরেছেন টেলিভিশনের পর্দায়। বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, একে অপরের সাথে কাটানো একান্ত মুহূর্তের সময়টা ভীষণভাবে উপভোগ করছেন নতুন আর কমলিনী। দুজন কিভাবে সত্যি চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সমাজ বরাবরই তাদের সম্পর্ককে অন্য চোখে দেখেছে। তাই এই সমাজের কথা ভেবেই কমলিনী বারবার পিছিয়ে এসেছে।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 28 July Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ২৮ জুলাই পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

তারপর ফটোগ্রাফির জায়গায় গিয়ে পৌঁছায় দুজনে। সুন্দর স্নিগ্ধ গ্রামে কমলিনীকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছে নতুন। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে শান্ত শিষ্ট পরিবেশ। ছবি তুলে খাওয়া দাওয়া করে বিকেল বিকেল রওনা দেবে তারা তাই তাড়াতাড়ি তার ছবি তুলে নিতে বলে নতুন। নতুনের কথায় গ্রামের বিভিন্ন দিক নিজের ক্যামেরায় বন্দি করে নেয় কমলিনী। সাথে একান্তে নিজেদের মুহূর্ত উপভোগ করতে থাকে। কমলিনীকে মনের নানান কথা জানায় নতুন। যেগুলো এর আগে কখনোই জানাতে পারেনি কমলিনী।

 

এদিকে নতুনের প্রতি কমলিনীর এত যত্ন দেখে কমলিনী সত্যি নতুনের প্রতি আরো কৃতজ্ঞ হয়ে উঠছে। কারণ এর আগে এইভাবে কমলিনীকে কখনো কেউ এত কিছু দেয়নি। শুধু কমলিনীর থেকে নিয়েই গিয়েছে। সংসারের জন্য করতে করতে নিজের জন্য কিছুই করতে পারেনি কমলিনী, তাই নতুন চায় কমলিনীকে অনেক বড় ফটোগ্রাফার তৈরি করতে। নতুন ঠিক করে কমলিনীকে আরো বড় জায়গায় ভর্তি করবে।

আরও পড়ুনঃ “গুড টাচ-ব্যাড টাচ শেখালে যৌ’ন হেন’স্থাই বাড়ে!” বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ মমতা শঙ্করের! শিক্ষাই কি শিশুদের শৈশব নষ্ট করছে? এমন শিক্ষার বিরুদ্ধে মমতা শঙ্কর!

এভাবেই ছবি তুলে নিজেদের সাথে সময় কাটিয়ে গোটা দিনটা পেরিয়ে যায়। কিন্তু ছবি তুলতে অনেকটাই সন্ধ্যে হয়ে যায়। এদিকে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামে। অনেকদিন বৃষ্টিতে ভেজেনি কমলিনী। তাই তার মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা শিশুসুলভ ভাবটা যেন প্রকাশ পায় এই বৃষ্টি দেখে। বৃষ্টিতে দুজন মিলে প্রাণ ভরে ভেজে। নতুন কেও নিজের এই পাগলামিতে জড়িয়ে নেয় কমলিনী। এদিকে তারা সাথে কোন আলাদা কোন জামা কাপড়ও আনেনি তাই তাড়াতাড়ি করে রিসোর্ট এর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। খাওয়া দাওয়া করে তারপর তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে। মিঠি খুব চিন্তা করছে বারবার ফোন করছে। কিন্তু নেটওয়ার্কের সমস্যার জন্য না কমলিনী ফোন করতে পারছে না মিঠি মাকে ফোনে পাচ্ছে। এদিকে বাড়ির বাকিরা তো সুযোগ খুঁজছে কখন কমলিনী ফিরবে আর তাকে অপমান  করবে। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button