মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলো কমলিনী! নতুনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালো বুবলাই! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

লীনা গঙ্গোপাধ্যায় (Leena Gangopadhyay) লেখা আরো একটি ভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় কয়েক মাস আগেই শুরু হয়েছে ধারাবাহিক চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। আর অপরাজিতার বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা। খুব অল্প সময়ের মধ্যে ধারাবাহিকটি নিজের জনপ্রিয়তা বিস্তার করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ডাক্তার জানিয়েছে কমলিনীর আরো রক্তের প্রয়োজন তাই জন্য রক্ত আনা দরকার। নতুন এগিয়ে আসে প্রথমে রক্ত নিয়ে আসার জন্য। এমনকি বুবলাই তার মায়ের জন্য রক্ত আনার কথা বলে। কিন্তু বাবিল জানিয়ে দেয় নতুন বা তার দাদা কারোর থেকে সাহায্য নেবে না। কারণ তাদের মা যদি জানতে পারে এই দুজনের মধ্যে একজন তাদের মায়ের জন্য রক্ত নিয়ে এসেছে তাহলে তার মা খুব অপমানিত বোধ করবে।
কিন্তু নতুন বাবিলকে জানিয়ে দেয় তার চেনা পরিচিত আছে আর এখন কমলিনীর জীবনের সবথেকে কঠিন মুহূর্ত তাই সেই যাবে রক্ত আনতে। ওদিকে তো কমলিনীর ননদ কমলিনীর জন্য প্রার্থনা করছে, মন্দিরে পূজা দিতে গেছে। মা কালীর কাছে তার জীবন ভিক্ষা করছে। কমলিনীর শাশুড়ি, মাসি শাশুড়ি সকলেই কমলিনীর জন্য প্রার্থনা করছে।
এদিকে কমলিনীর বাবা মিটিল অনেকেই ডাক্তারের কথা শুনে বারবার বলছে কমলিনী আর ফিরে আসবে না। ডাক্তার আর ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখছে না। তখন নতুন হাসপাতালেই চিৎকার করে সকলের উপর। আসলে নতুনের চিন্তা হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু নতুনের এই চিন্তা করাটা সকলেই নাটক বলে মনে করছে। তাই জন্য সকলেই বেশ বিরক্ত হচ্ছে। কিন্তু নতুনের চিন্তায় চিন্তায় আবারও কষ্ট হতে শুরু করে বুকে ব্যথা শুরু হয়।
আরও পড়ুনঃ মাকে খুঁজতে গিয়ে গু’লিবিদ্ধ পারুল! সফল হলো শিরিন ও তার মা! পারুলকে বাঁচাতে এবার কি ম্যাজিক করবে রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
পার্বতী নিজে থেকে নতুনের যত্ন নিতে গেলে নতুন আর নিজের নিজের রাগ ধরে রাখতে পারে না। আবারও পার্বতীর উপর চিৎকার করে ওঠে। ওদিকে বর্ষা তো মনের আনন্দে আছে। তার শাশুড়ির শরীরের খারাপ খবর শুনতে পেয়ে। সে ভেবেই নিয়েছে কমলিনী আর ফিরবে না। তাই মনে মনে তো বেশ খুশি মুখে যতই নাটক করুক। ওদিকে কমলিনীর ননদ তার মাথায় ঠাকুরের ফুল ছোঁয়ানোর জন্য অপেক্ষা করে আছে। অনেক অপেক্ষার পর অবশেষে কমলিনীর মাথায় ঠাকুরের ফুল ছোঁয়ানোর ব্যবস্থা করে। তার কিছুক্ষণ পরেই হয় চমৎকার হয়, ধীরে ধীরে জ্ঞান ফিরে আসে কমলিনীর। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

