মিঠির গায়ে হলুদে অনুপস্থিত স্বতন্ত্র! আলাদা হয়ে গেল নতুন-কমলিনীর পথ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসা (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ভোরের পাঠানো জরুরি বার্তার গুরুত্ব বুঝে কমলিনী অনেকটা বাধ্য হয়েই স্বতন্ত্রকে তার কাছে যাওয়ার অনুমতি দেয়। ফোনে ভোর জানায় যে সে বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পেয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে কমলিনী নিজের মনের কষ্ট চেপে স্বতন্ত্রকে পাঠালেও, এর ফলে তাদের একান্ত কাটানোর সুন্দর মুহূর্তগুলো মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যায়। স্বতন্ত্র তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে যাওয়ার পর এক অজানা আশঙ্কায় কমলিনী একা হয়ে পড়ে।

পরদিন সকালে মিঠির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শুরু হলেও সেখানে স্বতন্ত্রের অনুপস্থিতি সবার চোখে পড়ে। বাড়ির সকলে বারবার তার খোঁজ করলেও কমলিনী আসল সত্যটি গোপন রাখে। সে কেবল জানায় যে স্বতন্ত্র একটি বিশেষ কাজে বাইরে গিয়েছে। এরই মধ্যে অনন্যা বৌদি এসে হাজির হন এবং মিঠিকে প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকার মূল্যবান দুল উপহার দিয়ে আভিজাত্য জাহির করার চেষ্টা করেন, যা অনুষ্ঠানের পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

বেলা গড়িয়ে গেলেও স্বতন্ত্র বাড়ি না ফেরায় কমলিনী ভেতরে ভেতরে অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়ে। তার বিমর্ষ চেহারা দেখে বাড়ির লোকজন মনে করে উপোস করে থাকার কারণে হয়তো তার শরীর খারাপ লাগছে। মিঠি ও পরিবারের বাকিরা তাকে বারবার খাওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও দুশ্চিন্তায় মগ্ন কমলিনী কিছুতেই খেতে রাজি হয় না। অবশেষে তাকে ছাড়াই সবাই গায়ে হলুদের বাকি আচার সম্পন্ন করতে চলে যায়।

ঠিক সেই মুহূর্তে স্বতন্ত্র ফিরে আসে, তবে সে একা নয়, সাথে অসুস্থ ভোরকেও নিয়ে আসে। তাদের দেখে কমলিনীর জমে থাকা অভিমান ও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। তাদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাকবিতণ্ডা। মাঝে ভোর কথা বলার চেষ্টা করলেও কমলিনী তাকেও কড়া জবাব দিয়ে থামিয়ে দেয়। আগের রাতে দুজনের সম্পর্কের মাঝে যেটুকু ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল, এই ঘটনায় তা আবারও এক বিশাল দূরত্বে পরিণত হয়।

আরও পড়ুনঃ গোরার মায়ের কঠিন পরীক্ষায় মহাবিপদে দিতি! পুলস্ত্যের চালে এবার কি ফাঁস হবে গোরার গোপন পরিকল্পনা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

সবশেষে শুরু হয় মিঠির বিয়ের সাজগোজের তোড়জোড়। পার্লারের রূপটান শিল্পী সময়মতো আসতে না পারায় সবাই যখন দুশ্চিন্তায় মগ্ন, তখন মিঠি নিজেই সাজতে চায়। কিন্তু পরিবারের কেউ তাতে ভরসা পায় না। এমন সময় ভোর এগিয়ে এসে জানায় সে খুব ভালো সাজাতে পারে। প্রথম দিকে মিঠি ও কমলিনী কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত ভোরের সাজানোর দক্ষতার কথা শুনে সবাই অবাক হয় এবং তাকেই মিঠির সাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button