প্লুটোর মৃ’ত্যুতে দোষী প্রমাণিত হলো মিঠি! মনের মানুষের আত্মহত্যার পর কঠিন সিদ্ধান্ত নিল সে! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!

লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা আরেকটি অসাধারণ গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হয়েছে। শুরুর সময় থেকে ধারাবাহিকটি দর্শকদের বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বাড়ছে দর্শক মহলে। এই জন্য বেশ ভালো ফলাফল করছে টিআরপি তালিকায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মৌ আর অনন্যা সমানে পুলিশ কেস করার কথা বলে। এতক্ষণ ধরে অনেক সহ্য করছিল প্লুটোর বাবা তিনি এবারে নিজের স্ত্রীকে সরাসরি সাবধান করে দেয় তিনি সংসার ছাড়ার কথা ভেবেছেন কিন্তু তাও অনন্যাকে বাঁচানোর জন্য এখনো চিঠিটা নিজের কাছে লুকিয়ে রেখেছে। এরপরও যদি মিঠিকে অপমান করা হয় তাহলে তিনি বাধ্য হবে চিঠি বের করতে। চিঠির কথা শুনে সকলেরই কৌতুহল হয় সকলেই জানতে চায় প্লুটো কি লিখে গেছে চিঠিতে। তখনই প্লুটোর বাবা জানায় চিঠিতে প্লুটো তার জীবনের এই পরিণতির জন্য দুজনকে দায়ী করেছে। কিন্তু সেখানে মিঠির নাম নেই। এই শুনেই সকলেই বেশ ঘাবড়ে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, সকলে মিলে শেষবারের মতন প্লুটোর শেষ যাত্রায় তার পাশে ছিল। মিঠি তো সমানে কান্নাকাটি করে যাচ্ছে। তাকে কিছুতেই সামলানো যাচ্ছে না। প্লুটোকে শববাহী গাড়িতে তোলা হলো। শেষবারের মতন প্লুটোকে বিদায় জানালো সকলে। যেতে যেতে মিঠির প্লুটোর সাথে কাটানো আগের সমস্ত পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যায়।
মৌ, মিটিল, কমলিনী এক এক করে সকলেই প্লুটোর সাথে শেষ পর্যন্ত হেঁটে যায়। তারপর মিঠিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে কমলিনী। মিঠিকে তো সামলানোই যাচ্ছে না। তার উপর দিয়ে যা ধকল গেছে সেটা সত্যিই চোখে দেখা যাচ্ছে না। সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি, দুর্বল হয়ে পড়েছে মিঠি। তাই জন্য কমলিনী তাকে ঘরে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু যেখানে বাড়িতে অসুস্থ কিছু মানুষ আছে সেখানে সুস্থ ভাবে কিছু হবে সেটা তো সম্ভব নয়। তাই মিঠিকে নিয়ে যখন কমলিনী ঘরে যাচ্ছিল তখনই বাধা দেয় চন্দ্র। কমলিনীর শিক্ষা, মিঠির রুচি নিয়ে খোঁচা দিয়ে কথা বলতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ কোল্ড ড্রিংকস কোম্পানির জালিয়াতি ফাঁস করতে পারুলের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালো রায়ান! এই বন্ধুত্ব ডেকে আনলো নতুন বিপদ!
কমলিনী জানিয়ে দেয় যদি পুলিশ কেস হয় এই ঘটনা নিয়ে ঝামেলা অশান্তি হয় তাহলে সেটা সে বুঝে নেবে। অন্যদের এই ব্যাপারে না ভাবলেও চলবে। এদিকে একটা ছেলে মারা যাবার পর এখনো তাদের এই ধরনের কথা বলতে এতটুকু লজ্জা করছে না। বর্ষা, চন্দ্র, বুবলাই সকলে মিলে যা নয় তাই বলছে। মিঠি অনেকক্ষণ ধরেই সবকিছু সহ্য করছিল। অবশেষে তারও সহ্যের বাঁধ ভেঙে যায় এবং চিৎকার করে সবাইকে চুপ করতে বলে সে। আর মিঠি এটাও জানিয়ে দেয় সে আর এই শহরে থাকবে না। তার আর কোন পিছুটান থাকলো না। মায়ের জন্য সে থেকে গেছিল কিন্তু এই শহরে এখন আর তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। তাই সে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদেশে চলে যাবে। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

