মিঠির অনাকাঙ্ক্ষিত মাতৃত্ব নিয়ে কমলিনীদের গোপন পরিকল্পনা! মেয়ের হবু সন্তানকে নিয়ে কি করতে চলেছেন নায়িকা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star Jalsha) ‘চিরসখা’ (Chirosokha) ধারাবাহিকের বর্তমান পরিস্থিতি এখন এক অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে। যেখানে একদিকে রয়েছে মাতৃত্বের টান, আর অন্যদিকে সামাজিক মর্যাদা ও সম্পর্কের টানাপোড়েন। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্পে দেখা যাচ্ছে, মিঠি এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। সে মা হতে চলেছে। এই চরম সত্যটি যেমন তার কাছে আনন্দের, তেমনই পরিস্থিতির চাপে তা বড় বিষাদময় হয়ে উঠেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল যে পাঁচজন ব্রাহ্মণকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল মিটিল এবং বাবিলের বৌভাতের অনুষ্ঠানে খাওয়ার জন্য তারা সেটা বয়কট করেছে। মিঠির পরিবারের প্রতি অন্যায় আচরণ দেখে নিজেকে শান্ত রাখতে পারেনি কৃশানু। বর্তমান যুগের শিক্ষিত যুবক হিসেবে সে এই কুসংস্কারের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। যেখানে মিঠির কোনো দোষ নেই, সেখানে তাকে এবং তার পরিবারকে কেন এভাবে একঘরে করা হবে।
আজকের পর্বে দেখা যাবে, বৌভাতের অনুষ্ঠানে মিটিল নিজেই সকলকে খাবার পরিবেশন করছিল। কিন্তু ওদিকে মিঠির শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। মিঠির এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখে বাড়ির বড়রা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন। মিঠির শরীরে ঠিক কী হয়েছে, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মনে নানা প্রশ্ন জাগতে থাকে। বিশেষ করে বর্ষা, মিঠির লক্ষ্মণগুলো দেখে মনে মনে কিছু একটা সন্দেহ করতে শুরু করেছে।
মিঠির পিসি এবং কমলিনী বুঝতে পারেন যে আসল সত্য জানাজানি হলে বিপদ হতে পারে। তাই তারা তড়িঘড়ি করে মিঠিকে ঘর থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। তবে বাড়ির বউ বর্ষা মিঠির এই সব লক্ষণ দেখে মনে মনে কিছু একটা সন্দেহ করতে শুরু করে। অন্যদিকে, কমলিনী ও পিসি মিলে মিঠিকে বোঝাতে থাকেন যে, এই মুহূর্তে কৃষাণুকে যেন কিছুই জানানো না হয়। তাদের মতে, কৃষাণু হয়তো এই সন্তানকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারবে না, যা তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমনকি সামাজিক মর্যাদা ও আত্মীয়-স্বজনের কথা ভেবেও তারা মিঠিকে সত্য গোপন করার পরামর্শ দেন।
আরও পড়ুনঃ টিআরপি তালিকায় নতুন চমক, শীর্ষে পরশুরাম! প্রথম পাঁচে রয়েছে তো পরিণীতা? দেখে নিন এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকা!
কমলিনীরা পরিকল্পনা করে যে, প্রথম কয়েক মাস সত্য লুকিয়ে রেখে পরবর্তীতে মিঠিকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরে সেই সন্তানকে কমলিনী নিজে দত্তক নিয়ে বড় করবেন, যাতে মিঠি তার চোখের সামনেই সন্তানকে দেখতে পায় কিন্তু পরিচয় থাকবে ভিন্ন। মিঠি প্রথমে এই মিথ্যে আশ্রয়ের পথে হাঁটতে রাজি ছিল না তার মন বারবার কৃষাণুকে সত্যিটা বলতে চাইছিল। কিন্তু নিজের সন্তানকে নষ্ট করার কথা সে ভাবতেও পারে না, তাই নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত সে এই কঠিন সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। পিসি ও কমলিনী তাকে সবরকম ভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

