বাড়ি ছাড়লো কমলিনী! তার একলা লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ালো না নতুন! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!

স্টার জলসার (Star jalsha) শুরু হওয়া ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নতুন আসে কমলিনীর শরীরের খোঁজ নিতে। কমলিনী নতুনকে স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দেয় তার টিউমার হয়েছে চিন্তা করার কোন বিষয় নেই অপারেশন হলে সে ঠিক হয়ে যাবে। নতুন কমলিনীর শরীর নিয়ে সেরকম ভাবে উদগ্রীব হয় না। নতুনের আচরণ দেখে অবাক হয় মিঠি, কুরচি সকলেই। এমনকি কমলিনীও মনে মনে ভাবে নতুন হয়তো বদলে গিয়েছে। এরপরে নতুন জানিয়ে দেয় কিছু কাগজপত্র সই করতে হবে। এ কথা শুনে সকলেই অবাক হয়ে যায়।

কোন কাগজে সই করার কথা বলছে নতুন কেউই বুঝতে পারে না। এরপর পার্বতী এসে কমলিনীর খোঁজ নেয়। পার্বতী যখন জানতে পারে কমলিনী বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছে তখন সেও একটু সহানুভূতি দেখায়। কিন্তু মনে মনে চাইছে কমলিনী যাতে বাড়ি থেকে চলে যায়। এদিকে নতুন কমলিনীকে কাগজপত্রতে সই করাবে শুনে পার্বতীর কৌতূহল হয়। কিন্তু নতুনের মাথায় যে কি প্ল্যান চলছে সেটা কেউ বুঝতে পারে না।
এরপর কমলিনীর বিদায়ের পালা আসে। তার কাকা, দাদা সবাই আসে নিতে। কমলিনী বাড়ি ছাড়ছে দেখে তার শাশুড়ি তো মোটেই খুশি নয়। কিন্তু বর্ষা তো খুবই খুশি। এরপর কমলিনী এক এক করে সকলের আশীর্বাদ নেয়। নতুন সবাইকে জানায় কমলিনী অসুস্থ তাইজন্য তার চিকিৎসার প্রয়োজন, দেখাশোনার প্রয়োজন সে কারণে বাপের বাড়ি যাচ্ছে। নতুনের মুখে এমন কথা শুনে তো সকলে চমকে ওঠে। নতুনের এরকম রূপ আগে তারা কোনদিনই দেখেনি কেউ। এরপরে পার্বতী এসে সহানুভূতি দেখাতে থাকে কমলিনীকে। জানায় কমলিনীর অপারেশন হলে তাকে হাসপাতালে দেখতে যাবে সে। কমলিনী বারণ করে কিন্তু পার্বতী কোন কথা শোনে না। সে জানায় সে ঠিকই যাবে কমলিনীকে দেখতে। এতদিন একসাথে থাকলো এত কিছু হল তাদের মাঝে তাই এটা তার কর্তব্য।
আরও পড়ুনঃ পারুলের জীবনে কাঁটা হয়ে বিধলো নতুন শত্রু! ফের কার মুখোমুখি লড়তে হবে তাকে? ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!
ওদিকে কমলিনী বাপের বাড়ি যাওয়ার সাথে সাথেই তো বৌদির খোঁটা শুনতে হয় কমলিনীকে। কমলিনীর বৌদি কথায়, ব্যবহারের বুঝিয়ে দেয় তাদের উপস্থিতি একেবারে পছন্দ করছেন না তিনি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে চলে গেলে তারাও মুক্তি পায়। তাই জন্য নানান ভাবে কমলিনীকে নিয়ে ছোট করতে থাকে। মিঠিকে ছোট করতে থাকে। এমনিতেই মুখে তার কোন লাগাম নেই, যখন যা ইচ্ছে বলে ফেলে। কমলিনীর দাদা বাধা দিলেও তার কোন কথা শোনে না এবারে দেখার অপেক্ষা এই অপমানের পর কমলিনী বাপের বাড়িতে ঠাঁই পায় নাকি কি হয় পরিণতি।

