স্বতন্ত্রের স্বচ্ছতায় কমলিনীর আস্থা! ভোরের ভালোবাসায় নতুন-কমলিনীর মিলনে বিরাট বাধা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!
নতুন নতুন টুইস্ট নিয়ে প্রতিদিন হাজির হচ্ছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। নতুনের অফিসের সহকর্মীরা বাড়িতে এলে গবেষণার কাজে পাহাড় ভ্রমণে যাওয়ার উৎসাহে মেতে ওঠে ভোর। কিন্তু তার অতি-উত্সাহ এবং নতুনের ব্যক্তিগত বিষয়ে অনধিকার চর্চা সীমা ছাড়িয়ে যায়। নতুনের ওপর ভোরের এই অতিরিক্ত অধিকারবোধ দেখে বাড়ির সবাই অস্বস্তিতে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কমলিনী সরাসরি ভোরকে জানিয়ে দেয় যে, নতুনের ব্যক্তিগত বিষয়ে তার নাক না গলালেও চলবে। এতে অপমানিত বোধ করে ভোর কান্নাকাটি শুরু করে এবং জেদ ধরে না খাওয়ার।
ভোরের কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ দেখে কমলিনীর মনে নতুনকে নিয়ে এক বড় ধরনের সংশয় ও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। স্বতন্ত্র তাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও কমলিনী তা মানতে চায়নি। পরবর্তীতে স্বতন্ত্র অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে কমলিনীকে শান্ত করে এবং পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝায়। স্বতন্ত্রের স্বচ্ছতা বুঝতে পেরে একসময় কমলিনীর মন থেকে ভুল বোঝাবুঝি দূর হয় এবং সে শান্ত হয়।
বিদায় নেওয়ার মুহূর্তে ভোরের শুকিয়ে যাওয়া মুখ দেখে কমলিনীর মায়া হয়। কমলিনী তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে এবং বিয়ের প্রতিটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করে। সে চায় ভোর যেন বিয়েতে আনন্দ করে এবং তাকে সাহায্য করে। কিন্তু প্রবল অভিমানে ভোর কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। স্বতন্ত্র তাকে বাড়ি পৌঁছে দিতে এগিয়ে যায়। এই অবসরে কমলিনীর ননদ তাকে সতর্ক করেন যে, ভোরের মনে স্বতন্ত্রের জন্য ভালোবাসা থাকলেও স্বতন্ত্র সম্পূর্ণ নির্দোষ।
পরদিন ইনস্টিটিউটে গিয়ে স্বতন্ত্র তার বিয়ের নিমন্ত্রণ সকলের কাছে পৌঁছে দেয়। কিন্তু মানসিকভাবে আহত ও অভিমানী ভোর জানিয়ে দেয় যে, তার পক্ষে প্রতিদিন আসা সম্ভব নয়। সে কথা ও আচরণে স্বতন্ত্রের সাথে একপ্রকার দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে এবং বেশ গম্ভীর হয়ে যায়। ভোরের এই পরিবর্তন অফিসের সবাই বুঝতে পারলেও স্বতন্ত্র তাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ উন্মোচিত হলো অতীতের লুকিয়ে থাকা সত্য! দীর্ঘ কয়েক বছর পর সপরিবারে গোস্বামী বাড়িতে অধিকার আদায়ের দাবিতে ফিরল পুলস্ত্য! বিপদে গোরা দিতির জীবন, প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো!
রিসার্চের কাজে স্বতন্ত্রের দার্জিলিং যাওয়ার কথা এবং সেখানে তার একজন জুনিয়র সঙ্গী প্রয়োজন। স্বতন্ত্র এই কাজের জন্য ভোরকেই মনোনীত করে এবং তাকে রাজি করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ভোরের অভিমান এতটাই গভীর যে সে সরাসরি জানিয়ে দেয়, সে আর স্বতন্ত্রের সাথে যাবে না। এমনকি স্বতন্ত্র যেন তার বিষয়ে আর মাথা না ঘামায়, সেই অনুরোধও সে করে। এখন এটাই দেখার বিষয় যে, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত আবেগের এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।

