প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা থেকে ব্যক্তিগত জীবন! ভোরের অনধিকার চর্চায় নতুনের সঙ্গে কমলিনীর সম্পর্কে ফাটল! তবে কি এখানেই শেষ চিরসখার বন্ধুত্ব? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মিঠির বিয়ের আগের দিন ‘হলুদ কোটা’ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাড়িতে এক আনন্দময় পরিবেশ তৈরি হয়। নিয়ম মেনে এয়োস্ত্রীরা মিলে হলুদের প্রস্তুতি শুরু করলে পুরো বাড়ি যেন এক উৎসবে মেতে ওঠে। অনেকদিন পর বাড়িতে এত মানুষের সমাগম আর আনন্দের ছোঁয়া দেখে নতুন এবং কমলিনী দুজনেই খুব খুশি হন। বিশেষ করে মিঠির মুখে হাসি ফুটেছে দেখে তারা মনে মনে এক বড় স্বস্তি অনুভব করেন। এই খুশির আমেজ যেন সারা বাড়িতে এক শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়।

এই উৎসবের মাঝেই অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হয় কৃষাণু। তাকে দেখা মাত্রই বাড়ির সকলে মিলে হাসি-ঠাট্টা আর আনন্দ-তামাশায় মেতে ওঠে। কৃষাণুকে নিয়ে হালকা রসিকতা আর হই-হুল্লোড়ে পুরো বাড়িটা যেন প্রাণ ফিরে পায়। চারদিকের এই খুশির পরিবেশে কারও মনেই হয় না যে কোনো বিপদ আসতে পারে। সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে মিঠির বিয়ের আগের এই মুহূর্তগুলো সত্যিই স্মরণীয় হয়ে ওঠে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, তবে এই খুশির আড়ালে বর্ষা ও মামি মনে মনে অন্য কোনো ফন্দি আঁটছে। বর্ষা ঠিক করেছে তার কাছে থাকা একটি গোপন রিপোর্ট ব্যবহার করে সে মিঠির জীবন নষ্ট করে দেবে এবং এই বিয়েতে বাধা সৃষ্টি করবে। যখন বাড়ির সবাই আনন্দ করছে, তখন বর্ষার এই অশুভ পরিকল্পনা মিঠির ভবিষ্যতের ওপর এক কালো মেঘের মতো ঘনিয়ে আসতে থাকে। তাদের এই ষড়যন্ত্রের কথা বাড়ির বাকিরা টেরই পায় না।

এরই মধ্যে বাড়িতে এসে হাজির হয় নতুনের অফিসের সহকর্মীরা। তাদের মধ্যে ভোর পাহাড়ী এলাকায় গবেষণার কাজে যাওয়া নিয়ে সারাক্ষণ কথা বলতে থাকে। সে নতুনকে নিয়ে পাহাড়ে যাওয়ার এবং তার সাথে জুনিয়র হিসেবে কাজ করার বিষয়ে এতটাই উত্তেজিত ছিল যে, নতুনের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও মন্তব্য করতে শুরু করে। ভোরের এই অনর্গল কথা বলা এবং নতুনের ওপর অতিরিক্ত অধিকার দেখানো দেখে বাড়ির সবাই বেশ বিরক্ত ও অস্বস্তিতে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ ভালো করতে গিয়ে চরম বিপদে দিতি! শাশুড়ির দেওয়া অগ্নিপরীক্ষায় কি জয়ী হতে পারবে সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

শেষে কমলিনী আর চুপ থাকতে না পেরে ভোরকে জানিয়ে দেয় যে, নতুনের ব্যাপারে তার এত নাক না গলালেও চলবে। এতে অপমানিত বোধ করে ভোর কেঁদে ফেলে এবং জেদ ধরে যে সে কিছুতেই খাবে না। ভোরের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণের কারণে কমলিনীর মনে নতুনের প্রতি এক বড় সংশয় ও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। নতুন বারবার কমলিনীকে শান্ত করার ও পুরো বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করলেও কমলিনী তা মানতে চায় না। এবারে দেখার অপেক্ষায় কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button