অতীতের অন্ধকার কাটিয়ে কমলিনীর জীবনে স্বাধীনতার রং! নতুন কাকুর সাথে মায়ের বিয়ের প্রস্তাব দিল মিঠি! সমাজের পিছুটান ছেড়ে ভালোবাসার হাত ধরতে পারবে কমলিনী?

জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকের একটি পর্বও এখন আর মিস করতে চাইছেন না দর্শক। নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে কমলিনী। বিপরীতে তারই স্বামী চন্দ্র। অবশেষে অনেক যুদ্ধের পর চন্দ্রের হাত থেকে আইনি পথে মুক্তি পেয়েছে কমলিনী। কিন্তু মানসিক শান্তি এখনো পাচ্ছে না সে। নানান ঝামেলা অশান্তি লেগেই আছে। চলুন তাহলে জেনে নাও যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাপের বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে যাওয়ার সাথে সাথেই কমলিনীকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। কমলিনী কখন বাড়িতে আসবে যাবে সেইসব এখন ঠিক করবে কমলিনীর শাশুড়ি। তিনি বারবার ভুলে যান তিনি এখন আর নিজের বাড়িতে থাকেন না। কমলিনী থাকতে দিয়েছে বলেই তারা আছে। কমলিনী এমন ব্যবহার করতে চায় না কিন্তু বারবার তাকে সেটা করতে বাধ্য করা হয়।
মিঠি এভাবে মায়ের অপমান সহ্য করতে পারে না। তাই নিজের বাবার মুখের উপর যোগ্য দেয়। আর মায়ের হয়ে কথা বলার জন্য মিঠিকে কত কথা শোনায় তার বাবা। যদিও তার এসবে যায় আসে না। তবে তার ঠাকুমার অপমানের জবাব মিঠি তার মাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে এবার থেকে তার মাকে যারা অপমান করেছে, তাকে ভুল বুঝেছে তাদের কোনো কাজ যেন কমলিনী না করে, এমনকি এক কাপ চা যেন তার ঠাম্মিকে না দেয় তাহলে সে ওই কাপ ছুঁড়ে ফেলে দেবে। মিঠির এই সিদ্ধান্তে সকলেই অবাক।
তাছাড়াও মিঠি তার মায়ের সাথে এই বাড়িতে থাকা নিয়ে কথা বলতে আসে। যারা তার মাকে অপমান করেছে তারা কেন এই বাড়িতে থাকবে। তারজন্য যদি নতুনকে আইনের পথ নিতে হয় সেটাই নিক। কিন্তু কমলিনী বলে নতুন কিছুতেই চন্দ্রর মা আর রুদ্রকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারবে না। যতই হোক, বুবলাইকে নতুন ছোট থেকে বড় করেছে। এদিকে কমলিনী মেয়েকে নিয়ে চিন্তা করতে থাকে, আসলে মৌয়ের সাথে প্লুটোর বিয়ে হচ্ছে আর যতই হোক কমলিনী মৌয়ের পিসি, তাই কমলিনীকে সেখানে থাকতেই হবে। মিঠি তার মাকে আশ্বাস দেয় যে সে একদম ঠিক আছে। সে বিয়েতে যাবেও পুরো আনন্দও করবে।
আরও পড়ুনঃ পারুলকে রাস্তা থেকে সরাতে গিয়ে রায়ানের দাদুকে প্রাণে মেরে ফেলল শিরিনের মা! একের পর এক বিপদ নেমে আসছে বসু বাড়ির উপর! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব
কিন্তু মিঠি মায়ের সাথে অন্য বিষয়ে কথা বলতে এসেছে সেই সময় তার পিসিমণি তাদের ঘরে আসে। তাই মা এবং পিসিমণি দুজনের সামনে কথাটা বলতে চায় সে, কমলিনী একটু ঘাবড়ে যায়। কিন্তু মিঠি জানায় চিন্তার কোন বিষয় নেই, সে প্লুটোকে নিয়ে কিছু ভাবছেনা। কিন্তু মিঠি চায় কমলিনী এবং নতুন একসাথে থাকুক। মেয়ের মুখে এই কথা শুনে তো হকচকিয়ে যায় কমলিনী। মিঠি এমন একটা কথা বলবে সেটা ভাবতেই পারেনি। মিঠি বলে যদি সত্যি নতুন এবং কমলিনী একে অপরকে ভালোবেসে থাকে তাহলে তাদের একসাথে থাকাতে কোন অন্যায় নেই। সমাজ কি বলল তাতে কিছুই যায় আসে না। কারণ সমাজ তাদের নিয়ে সবসময় কথা বলবে। কিন্তু মেয়ের এই প্রস্তাব নাকচ করে দেয় কমলিনী। এমনকি পিসিমণিও জানে সমাজে এই নিয়ে আলোচনা হবে, অপমান করা হবে কমলিনীকে। তাই সে চায় না এসব হোক। কমলিনী জানিয়ে দেয় ভবিষ্যতে যেন মিঠি এই নিয়ে কখনো আলোচনা না করে। দেখা যাক কি হয় এরপর।

