আ’ত্মহত্যা না ছাই! দুটো জ্বরের ওষুধ খেয়ে মরার নাটক! ফেঁসে গেলো রুদ্র! পুলিশের নাম নিতেই বর্ষার কালো মুখে কুলুপ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

প্রত্যেকটি সন্তানের উচিত তাদের মাকে সমস্ত সুখ সাচ্ছন্দে মুড়ে দেওয়া। সমস্ত না পাওয়াকে পাওয়ায় বদলে দেওয়া। কিন্তু কুলাঙ্গার সন্তান বুবলাই তেমনটা চায় না। বর্তমানে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকটি (Bengali Serial)। এই ধারাবাহিক সমাজের কঠিন বাস্তব টেলিভিশনের পর্দায় তুলে ধরছে।
ছোট থেকে একা ছেলেমেয়েদের মানুষ করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা কমলিনী। কিন্তু সেই মায়ের বড় ছেলে, মায়ের প্রতি সামান্য কৃতজ্ঞতাবোধ না দেখিয়ে কিছুদিন আগেই নিজের জোচ্চোর বাবার সঙ্গ নিয়েছিল। এখনো সে এবং তার বউ বর্ষা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না যে কমলিনী সুখে আছে, ভালো আছে সর্বোপরি ভালোবাসায় আছে।

নিজের মায়ের জীবন থেকে সমস্ত সুখ-স্বাচ্ছন্দ মুছে আবার তাকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল বুবলাই। কথাটা জানার পর কমলিনী ভিতর থেকে ভেঙে পড়ে। যতবার সে বুবলাইকে হাসপাতালে দেখতে গেছে ততবার তাকে চরম অপমান করেছে ছেলে ও বউমা। তবুও মায়ের মন সব ভুলে গিয়ে ছেলের কাছেই ছুটে গিয়েছে।
তবে এইবার যে সত্যিটা বা বলা ভালো যে নোংরা সত্যিটা নতুনের এক ডাক্তার ছাত্র বের করে এনেছে সেটা দেখার পর অবাক কমলিনীসহ তার গোটা পরিবার। নিজের পেটের ছেলে যে এমন করতে পারে সেটা হয়তো দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি কমলিনী। নতুনের ছাত্র বুবলাইয়ের সমস্ত রিপোর্ট ভালোভাবে দেখে নতুনকে জানায় তাদের বাড়ির ছেলে কখনো ঘুমের ওষুধ খায়নি। আর কোনোভাবেই আত্মহত্যা করার কোন চেষ্টা করেনি।
বুবলাই দুটো বেশি জ্বরের ওষুধ খেয়ে মরার নাটক করছিল এতদিন। সে ভালোভাবে রিপোর্টগুলো ভালোভাবে খতিয়ে না দেখলে এটা ধরা পড়ত না। সবাই ভাবতো মায়ের জন্য ছেলে মরতে বসেছে। ছেলে যে ঠিক কতটা স্বার্থপর, সে যে নিজেকে কতটা ভালোবাসে এবং ঠিক নোংরামির কোন পর্যায়ে যেতে পারে সে কথা কোনোভাবেই টের পেতো না নতুন কমলিনী।
আরও পড়ুনঃ ছোট্ট একটা ছড়ায় নিজের উপস্থিতি বুঝিয়ে দিল রুদ্র! ফুলঝুড়ির মুখে ফুটে উঠল রুদ্রর কণ্ঠস্বর! শুরুতেই শয়তান দমনের প্রস্তুতি নিল ফুলকি! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
কথার আছে চোরের মায়ের বড় গলা। সেই বড় গলা নিয়ে বর্ষা বলে, তার শাশুড়ির জন্যই আজ তার স্বামীর এই অবস্থা। তার স্বামী নাকি মরার চেষ্টা করেছে। নতুনের ছাত্র তখন এক ধমকে বর্ষার মুখ বন্ধ করে দেয়। সে বলে, আর একটা মিথ্যা কথা বললে সবাইকে বিভ্রান্ত করা এবং মিথ্যা দোষারোপ দেওয়ার অভিযোগে তাদের পুলিশে দেওয়া হবে। সবটা ধরা পড়ে গেছে বুঝতে পেরে মুখটা কালো হয়ে যায় বর্ষার। কমলিনী বুঝতে পারে আর কারোর মধ্যে তার বাবার প্রভাব না থাকলেও তার বড় ছেলের মধ্যে তার বাবার রক্তই বইছে।

