কোনভাবেই নিজের অপরাধ স্বীকার করছে না চন্দ্র! সোহিনীর প্রতি সঠিক বিচার দিতে আবারো আইনের পথ ধরল কমলিনী!

স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। চলতি বছরের প্রথম দিকেই এই ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। আর শুরু হওয়ার পর থেকেই বাকি জনপ্রিয় ধারাবাহিকের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে চিরসখা। বহুদিন বাদে এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। অভিনেত্রীর বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি (Sudip Mukherjee)।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সোহিনী কমলিনীর কাছে সাহায্য চায়। কারণ সোহিনী চাইলেও চন্দ্রকে ছেড়ে দিতে পারবে না, যেহেতু তার মেয়ে এখনো অনেকটাই ছোট তাই চন্দ্রকে চাইলেও সে ডিভোর্স দিতে পারবেনা। কমলিনী বলে তার লড়াই তাকে নিজেকেই লড়তে হবে। সে কোন সাহায্য করতে পারবে না। এদিকে চন্দ্র তো এখনো মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে কি করে একটা মানুষ এত নির্লজ্জ হতে পারে সেটা দেখে সবাই অবাক হয়ে যাচ্ছে। এমনকি তার মা, বড় ছেলের রুদ্র তার বাবাকে বিশ্বাস করছে। এরা একেবারেই অন্ধ হয়ে গেছে চন্দ্রের ভালোবাসায়। তাই মায়ের নামে এখনো নোংরা নোংরা কথা বলতে ছাড়ছে না। কিন্তু কমলিনী এর শেষ দেখে ছাড়বে।

এদিকে চন্দ্র নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী সন্তানকেও স্বীকার করছে না। বারবার বলছে সোহিনী মিথ্যা কথা বলছে, বানানো কথা বলছে। কিভাবে একটা মানুষ এত কিছুর পরেও মিথ্যের আশ্রয় নেয় সেটা ভেবেই অবাক হচ্ছে সোহিনী। কিন্তু সোহিনী তার সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে চন্দ্রকে ছেড়েও দিতে পারছে না। কারণ তার মেয়ে তার বাবাকে খুবই ভালোবাসে বাকিদের মতন। সোহালিয়ার বাবা ডাক অস্বীকার করে চন্দ্র। নিচে নামতে নামতে এতটাই নিচে নেমে গেছে স যে আর সেখান থেকে উঠে আসার উপায় নেই।

সোহিনী যখন দেখে তার স্বামী তাকে স্বীকার করছে না তখন চন্দ্রের এই মিথ্যে জারিজুড়ি ফাঁস করতে সেও এবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কমলিনীর কাকার কাছে সাহায্য চায় সোহিনী। কমলিনীর কাকাও তাকে সাহায্য করবে বলে কথা দেয়। এদিকে তাদের তো আর যাওয়ার জায়গা নেই তাই কমলিনী জানায় তারা চাইলে এখানে থাকতে পারে। কিন্তু চন্দ্র কিভাবে তাদের দায়িত্ব নেবে সেটা তার ব্যাপার। তাদের যাতায়াতের মাঝে একটা দরজা তুলে দেবে কমলিনী যাতে চন্দ্রের মুখ তাকে আর দেখতে না হয়।

আরও পড়ুনঃ মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়লো রায়ান! সব সত্যি জানার পরেও রায়ানকে রক্ষা করতে পারল না পারুল!

মিটিল জানায় এবার যদি চন্দ্র বাড়াবাড়ি করে তাহলে চন্দ্রর নামে আরো একটা কেস করতে এসে বাধ্য হবে। কারণ সব প্রমাণ সে নিয়ে এসেছে। মেঘালয়তে গেলেই সবাই তার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিয়ে দেবে। কিন্তু চন্দ্রর মা বড় ছেলে তো অন্ধ। সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করছে। কিন্তু মিটিলকে অপমান করলে সে তো ছেড়ে দেয় না কাউকে। নিজের হয়ে সবসময় প্রতিবাদ করেছে চন্দ্র। চন্দ্রকেও বুঝিয়ে দেয় তার আসল জায়গাটা। কমলিনী কিছুদিনের জন্য তার বাপের বাড়ির থাকতে যায়। এত কিছুর মাঝে তার মানসিক অবস্থা একেবারেই খারাপ হয়ে গিয়েছে। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button