মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়লো রায়ান! সব সত্যি জানার পরেও রায়ানকে রক্ষা করতে পারল না পারুল!

যারা প্রতিদিন বিকালে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) দেখেন তাদের কাছে পছন্দের একটি মেগা ধারাবাহিক হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে কটাক্ষের সম্মুখীন হলেও বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের খুব পছন্দের একটি ধারাবাহিক। তাইতো সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায় তার ফলাফল প্রমাণ পাওয়া যায়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শিরিন তার মাকে নিয়ে অফিসে উপস্থিত হয়। শিরিনের মা এবং ওই অফিসের ম্যাডাম বন্ধু তাই জন্য শিরিন অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছে। কিন্তু পারুল ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। পারুল তাই সরাসরি প্রতিবাদ করে। শিরিন অন্যায় করেও কিভাবে ছাড় পেয়ে গেল কেন এটাকে প্রশ্রয় দেওয়া হলো সেই নিয়ে প্রশ্ন করতে থাকে। কিন্তু পারুলের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয় ম্যাডাম, তাই পারুলকেই অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন ম্যাডাম। কিন্তু পারুল যেখানে অসৎ কাজ হয় সেখানে তো থাকে না তাই নিজেই কুড়ি নাম্বার ম্যাডামের হাতে তুলে দিয়ে বেরিয়ে যায় অফিস থেকে। প্রজেক্টের শেষে রায়ানের সবথেকে বেশি নাম্বার পেয়ে ভালো রেজাল্ট করে। পারুল রায়ানের জন্য খুশি হয়।

প্রফেসররা জানায় পারুলের কাজে তারা একেবারেই খুশি নয়। পারুল যে এরকম ফলাফল করবে সেটা তারা একেবারেই ভাবতে পারেনি। আর পারুলের ব্যবহারের ওই কোম্পানির ম্যাডাম তাদের ইউনিভারসিটির কাছে নালিশ করেছে। কিন্তু পারুল জানায় সে ইচ্ছা করে এমন কাজ করেনি। সে বাধ্য হয়েছে এটা করতে। কিন্তু প্রফেসর বলে পারুল তো নিজের হয়ে কথা বলবে সেটাই স্বাভাবিক। তাই বাকিদের মুখে তারা জানতে চায় সেখানে কি হয়েছিল। তারপর রায়ান বলে পারুল যেটা করেছে ভুল করেছে, কিন্তু পারুলের সাথে যেটা হয়েছে সেটা একেবারেই ঠিক হয়নি। পারুল চল্লিশটা সিম বিক্রি করেছে সেখানে অসৎভাবে শিরিন ৭০ টা সিম বিক্রি করেছে তার মায়ের সাহায্য নিয়ে। সেই কারণে ম্যাডাম শিরিনকে বার করে দিয়েছিল অফিস থেকে। কিন্তু পরের দিন আবার শিরিনকে সুযোগ দেওয়া হয় আর সেটার প্রতিবাদ করেছে পারুল।

আসলে পারুল দেখেছে শিরিনের মা এবং ওই অফিসের ম্যাডাম ভালো বন্ধু তাই অতিরিক্ত সুবিধা পেয়েছে শিরিন। সবটা শোনার পর তো প্রফেসররা অবাক হয়, এরকম জায়গায় তারা নিজেদের স্টুডেন্টদের কাজ করতে পাঠাচ্ছে যাদের নিজেদেরই সততার অভাব। তাই সবদিক বিচার করে ইউনিভার্সিটি থেকে পারুলকে ২০ তে ১৭ নাম্বার দেওয়া হয়। আর অন্যদিকে শিরিন যেহেতু অসৎভাবে কাজ করেছে তাই জন্য শিরিনের নাম্বার কেটে শূন্য দেওয়া হয় তাকে। সকলের সামনে আবারো অপমানিত হয় সে। রায়ান আবারো পারুলকে সাপোর্ট করল সেই নিয়ে রায়ানকে দোষারোপ করতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ রুদ্রর চাল বাউন্স খেয়ে ফিরে এলো রুদ্রর কাছেই! বি’ষাক্ত পানীয় খেয়ে হাসপাতালের বিছানায় রুদ্র!

রায়ানের সাফল্যে পারুল তো খুবই খুশি হয়। তার আনন্দ আর সে ধরে রাখতে পারেনা। কিন্তু ক্যান্টিনে গিয়ে হঠাৎ করেই ঘটে অপ্রত্যাশিত ঘটনা। তুর্যর বানানো কফি রায়ানের বন্ধুর হাত লেগে মাটিতে পড়ে যায়। আর সেটা নিয়ে রেগে একেবারে লাল হয়ে যায় রায়ান। বন্ধুকে মারতে পর্যন্ত এগিয়ে আসে। আর রায়ানের ব্যবহারে তো সকলেই অবাক। পারল বুঝতে পারে কিছু একটা গন্ডগোল আছে। পারুল হঠাৎই বুঝতে পারে রায়ান তুর্যর বানানো কফির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। পারুলের সন্দেহ হয় সেই কফিতে কিছু মেশানো রয়েছে। ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা করা হয় সেই কফি এবং সেখানে ড্রাগ পাওয়া যায়। এবারে পারুল তুর্যর কি ব্যবস্থা করে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

Back to top button