অবশেষে সকলের সামনে মনের কথা খুলে বলল নতুন! পার্বতী নয়, নিজের মনের মানুষের সাথেই বিয়ে সারলো স্বতন্ত্র! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das) এবং অভিনেতা সুদীপ মুখার্জির (Sudip Mukherjee) জুটিতে স্টার জলসার পর্দায় বেশ কয়েকমাস আগে শুরু হয়েছে চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকে একেবারে ভিন্ন ধরনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। আর পাঁচটা ধারাবাহিকের মতো এই ধারাবাহিকটির গল্প নয়। অনেকদিন পর এরকম ভিন্ন ধরনের ধারাবাহিক দেখানো হচ্ছে টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television)।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নতুন কমলিনীর বাপের বাড়িতে সবার জন্য জামা কাপড় কিনে নিয়ে গিয়েছে তার বৌভাতের উপহার দিতে। আর সকলেই তো নতুনের এই ব্যবহারে বেশ বিরক্ত হচ্ছে। কিন্তু তাও নতুন সকলের জন্য জামা কাপড় কিনেছে সকলকে ভালবেসে উপহার তুলে দিচ্ছে। কমলিনীকে বারবার বলেছে তার দেওয়া শাড়িটা পড়েই যেন সে অনুষ্ঠানে আসে। আর কমলিনী যেন সঠিক সময় পৌঁছে যায় কারণ রেজিস্ট্রি ম্যারেজের একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। কমলিনী অবাক হয়ে যায় নতুনের আচার-আচরণে।
আর তখনই বর্ষা ফোন করে নতুনকে জানায় পার্বতীকে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়িতে কোথাও নেই না বলে সে বেরিয়ে গিয়েছে। এই কথা শুনে নতুন বাড়ি ফিরে যায় পার্বতীকে খোঁজার জন্য। সেখানে গিয়ে সকলেই তো তাকে জানায় অনেকক্ষণ ধরেই পার্বতীকে পাওয়া যাচ্ছে না বাড়ি আসার পর শাড়ি গয়না সব দেখিয়ে পার্বতী কোথায় চলে গেছে কেউ জানে না। এরপর নতুন ঘরে গিয়ে চারিদিকে খুঁজতে থাকে এবং সেখানেই পার্বতীর হাতে লেখা একটি চিঠি পায়। পার্বতী নতুনকে জানিয়ে বাড়ি ছেড়েছে। নতুন আগে থেকে আন্দাজ করেছিল এই দিনটা আসবে।
ওদিকে পরের দিন ধুমধাম আয়োজনে গোটা বাড়ি সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এলাহি আয়োজন করা হয়েছে। নতুনের বাড়ির লোকজন সবাই এসে উপস্থিত হয়েছে। বর্ষা বুবলাই সকলে সুন্দর করে সেজেগুজে একেবারে তৈরি। কিন্তু যাকে নিয়ে এই অনুষ্ঠানে সেই পার্বতীকেই কোথাও দেখতে পারছে না কেউ। সকলেই বারবার পার্বতী কোথায় আছে কখন আসবে সেই প্রশ্ন করতে থাকে। নতুন বারবার একই উত্তর দেয় পার্বতী ঠিক সময় চলে আসবে। সকলে ভাবে হয়তো নতুন কোন বড় সারপ্রাইজ দেবে তাই পার্বতীকে পড়ে নিয়ে আসবে নিজে গিয়ে।
আরও পড়ুনঃ পাশে নেই কাঞ্চন! ছোট্ট মেয়ের জন্মদিনের আগেই হাসপাতালের বিছানায় শ্রীময়ী! পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়লো কোন কঠিন অসুখ? দুশ্চিন্তায় দর্শক
তারপর এক এক করে কমলিনী তার ছেলে মেয়ে ননদ সকলে এসে উপস্থিত হয়। সকলে তো বিরাট আয়োজন দেখে অবাক হয়ে যায়। নতুন খুব স্বাভাবিক আচরণ করছে। সকলকে নিজের বিয়ে নিয়ে বারবার উৎসাহ দেখাচ্ছে। ছবি তোলার কথা বলছে। এসব দেখে বেশ বিরক্তই হচ্ছে কমলিনীর দাদা, বাবা সবাই। এরপর নতুন নিজেই কমলিনীকে সাক্ষী হিসেবে সই করার জন্য বলে, ছবি তোলার কথা বলে। কিন্তু সাক্ষী হিসেবে সই করার আগে তো পার্বতীর সাথে রেজিস্ট্রি হওয়া উচিত। কিন্তু পার্বতী তো নেই। নতুন তখন আর চেপে রাখেনা কথা। জানায় পার্বতী এখন আর আসবেনা বেশ কিছুদিন তাকে আর দেখতে পাবে না কেউ। আর রেজিস্ট্রি ম্যারেজ অনেক আগেই হয়ে গিয়েছে। সকলেই তো নতুনের কথা শুনে অবাক। কখন রেজিস্ট্রি ম্যারেজ হল পার্বতী কোথায় গেছে কেন গেছে সব কেমন সকলের কাছে ধোঁয়ার মত লাগতে থাকে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে নতুন সকলের সামনে আসল সত্যিটা বলে কিনা।

